নিউ ইয়র্কে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট রুহানির বৈঠক
-
ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রেসিডেন্ট রুহানির বৈঠক
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সম্মেলনের অবকাশে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-এবাদির সঙ্গে সাক্ষাতে দেশটি থেকে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলের প্রচেষ্টায় তেহরানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
রুহানি বলেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান উগ্র তাকফিরি জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরাকি জনগণ ও সরকারের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। অদূর ভবিষ্যতে ইরান ও ইরাক পরস্পরের নাগরিকদের ভিসা-মুক্ত ভ্রমণ সুবিধা দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী এবাদি তেহরান ও বাগদাদের মধ্যকার সম্পর্ককে ‘কৌশলগত’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, দু’টি দেশের পাশাপাশি গোটা মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের জন্য এই সম্পর্ক ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের সঙ্গে আলাদা বৈঠকে দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার হওয়ার আশা ব্যক্ত করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট রুহানি। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ ও নিরাপদ সীমান্ত গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক চেষ্টা চালিয়েছে ইরান এবং এক্ষেত্রে সফলতাও এসেছে।
সাক্ষাতে পাক প্রধানমন্ত্রী শরীফ বলেন, তিনি পাকিস্তান ও ইরানকে অভিন্ন জাতি বলে মনে করেন। তিনি আরো বলেন, দু’দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অর্থনীতি পরস্পরের পরিপূরক। ইরানের সঙ্গে সহযোগিতার মাত্রা আরো অনেক উঁচু পর্যায়ে নিয়ে যেতে চায় পাকিস্তান।
নিউ ইয়র্কে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সলবার্গের সঙ্গেও আলাদা বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট রুহানি। তিনি বলেন, ইরানের পরমাণু সমঝোতার মাধ্যমে অসলো ও তেহরানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা শক্তিশালী করার যে ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে তাকে দু’টি দেশেরই ব্যবহার করা উচিত। ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, তার দেশের জ্বালানী খাতসহ অন্যান্য খাতে নরওয়ের কোম্পানিগুলোর কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের অবকাশে জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিনযো অ্যাবের পাশাপাশি স্লোভেনিয়া, বুলগেরিয়া এবং সুইজারল্যান্ডের সরকার প্রধানদের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২২