ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময়কার কিছু খণ্ডচিত্র-৩ (স্লাইডশো)
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i32363-ইরানের_ইসলামি_বিপ্লবের_সময়কার_কিছু_খণ্ডচিত্র_৩_(স্লাইডশো)
১৯৬৪ সালের চৌঠা নভেম্বর ইমামের নির্বাসিত জীবনের সূচনা হবার পর ইরানে স্বৈরশাসন বিরোধী আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়ে এলেও বিপ্লবের প্রক্রিয়া পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যায়নি। ইমাম খোমেনী (রহ.) নির্বাসনে থেকেই ইরানিদেরকে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। এ সময় তিনি তার প্রিয় সন্তানকে হারান। এ পর্বে এসব বিষয় নিয়েই আলোচনা করা হবে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০১৭ ১৫:৫৬ Asia/Dhaka

১৯৬৪ সালের চৌঠা নভেম্বর ইমামের নির্বাসিত জীবনের সূচনা হবার পর ইরানে স্বৈরশাসন বিরোধী আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়ে এলেও বিপ্লবের প্রক্রিয়া পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যায়নি। ইমাম খোমেনী (রহ.) নির্বাসনে থেকেই ইরানিদেরকে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। এ সময় তিনি তার প্রিয় সন্তানকে হারান। এ পর্বে এসব বিষয় নিয়েই আলোচনা করা হবে।

ইমাম খোমেনী (রহ.) বিদেশে অবস্থান করলেও তিনি সব সময় ইরানি জনগণকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করার চিন্তায় মগ্ন থাকতেন। নির্বাসনে থেকেও তিনি শাহের অন্যায়-অপকর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছেন। ইমাম খোমেনীর পাশাপাশি ইরানে অবস্থানকারী তার সহযোগীরাও জনগণকে সজাগ ও সচেতন করে তোলার ব্যাপারে সোচ্চার ছিলেন। এর মধ্য দিয়েই ইরানে ইসলামী বিপ্লব বিজয়ের উপযুক্ত ক্ষেত্র প্রস্তুত হতে থাকে।এমনি এক পরিস্থিতিতে ১৯৭৭ সালের ২৩ শে অক্টোবর ইমাম খোমেনী (রহ.)-র জেষ্ঠ পুত্র আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোস্তফা খোমেনী ৪৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ইমামের এই সন্তানের মৃত্যুর পেছনে ইরানের শাহ সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী এবং ইরাকের বাথ সরকারের হাত ছিল বলে সবাই বিশ্বাস করেন। তাদের সম্পৃক্ততার ব্যাপারে কিছু তথ্য-প্রমাণও রয়েছে।