মসুল পুনরুদ্ধার গোটা অঞ্চলকে আনন্দিত করেছে: রুহানি
-
মন্ত্রিসভার বৈঠকে হাসান রুহানি
ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি উগ্র তাকফিরি জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশের হাত থেকে ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় মসুল নগরী পুনরুদ্ধারের প্রশংসা করে বলেছেন, এ বিজয় শুধু ইরাকি জনগণকে নয় সেইসঙ্গে গোটা মধ্যপ্রাচ্যের সব মানুষকে আনন্দিত করেছে।
রাজধানী তেহরানে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে তিনি বলেন, “দায়েশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ইরাকি জনগণের বিজয় এবং মসুল পুনরুদ্ধার শুধু ইরাকি জাতির জন্য নয় সেইসঙ্গে ইরানি জনগণসহ গোটা অঞ্চলের মানুষের জন্য ছিল আনন্দদায়ক খবর। ”
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-এবাদি গত সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী মসুলে দায়েশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর চূড়ান্ত বিজয় ঘোষণা করেন। ২০১৪ সালের জুন মাসে এই তাকফিরি জঙ্গি গোষ্ঠী শহরটি দখল করে নিয়েছিল। প্রায় নয় মাসের অভিযান শেষে জনপ্রিয় গণবাহিনী হাশ্দ আশ-শাবি’র সহযোগিতায় মসুল পুনরুদ্ধার করে ইরাকের সেনাবাহিনী।
প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশের বিরুদ্ধে ইরান যে প্রথম দেশ হিসেবে ইরাকি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছিল তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
তিনি বলেন, গত ১৬ বছর ধরে আগ্রাসন ও দখলদারিত্বের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অশান্তি বাধিয়ে রেখেছে পশ্চিমা শক্তিগুলো। সেইসঙ্গে আঞ্চলিক কিছু দেশ সন্ত্রাসবাদকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে তাদের অশুভ লক্ষ্য অর্জন করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাকফিরি জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশের বিরুদ্ধে ইরাক ও সিরিয়ার জনগণের বিজয় সে অশুভ লক্ষ্য অর্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১৩