যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে ইরান ও ইরাক
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i46911-যৌথ_সামরিক_মহড়া_শুরু_করেছে_ইরান_ও_ইরাক
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও প্রতিবেশী ইরাক অভিন্ন সীমান্তে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। এ মহড়ার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যৌথ এ মহড়ার নাম দেয়া হয়েছে ইকতেদার বা কর্তৃপক্ষ এবং এতে অংশ নিচ্ছে দু দেশের ট্যাংক, গোলন্দাজ ও পদাতিক ইউনিট।
(last modified 2026-01-18T14:26:52+00:00 )
অক্টোবর ০৩, ২০১৭ ১৮:১৩ Asia/Dhaka
  • সামরিক মহড়ার একটি দৃশ্য
    সামরিক মহড়ার একটি দৃশ্য

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও প্রতিবেশী ইরাক অভিন্ন সীমান্তে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। এ মহড়ার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যৌথ এ মহড়ার নাম দেয়া হয়েছে ইকতেদার বা কর্তৃপক্ষ এবং এতে অংশ নিচ্ছে দু দেশের ট্যাংক, গোলন্দাজ ও পদাতিক ইউনিট।

এছাড়া, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বা আইআরজিসি'র স্থলবাহিনীর ড্রোন ও হেলিকপ্টার স্কোয়াড্রন অংশ নিচ্ছে। ইরানের পশ্চিম আজারবাইজান ও কুর্দিস্তান প্রদেশের সীমান্তে এ মহড়া চলছে। মহড়ার অবকাশে আইআরজিসি'র পদাতিক ইউনিটের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মাদ পাকপুর বলেন, " ইরান ও ইরাক তাদের দীর্ঘ সীমান্তে অভিন্ন হুমকি মোকাবেলার জন্য এবং নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা থেকে এ মহড়ার আয়োজন করেছে।

জেনারেল পাকপুর বলেন, জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী, সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে সমন্বয়ের যোগসূত্র তৈরি করা হবে। এর আগে, গত সপ্তাহে ইরাকের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তুর্কি সামরিক বাহিনী যৌথ মহড়া চালিয়েছে। তার আগে ইরাকের কেন্দ্রীয় সরকার বলেছে, সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ইরান ও তুরস্কের সাহায্য চাওয়া হবে। উত্তর ইরাকের আধা-স্বায়ত্ত্বশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য গণভোট আয়োজনের পর ইরাক সরকার এ কথা বলেছে।#

পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/৩