রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশে এল ইরানের ত্রাণবাহী তৃতীয় বিমান
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i47321-রোহিঙ্গাদের_জন্য_বাংলাদেশে_এল_ইরানের_ত্রাণবাহী_তৃতীয়_বিমান
মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও উগ্র বৌদ্ধদের নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মানবিক ত্রাণবাহী তৃতীয় কার্গো বিমান বাংলাদেশে পৌঁছেছে।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
অক্টোবর ১১, ২০১৭ ১৪:৫৪ Asia/Dhaka
  • রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশে এল ইরানের ত্রাণবাহী তৃতীয় বিমান

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও উগ্র বৌদ্ধদের নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মানবিক ত্রাণবাহী তৃতীয় কার্গো বিমান বাংলাদেশে পৌঁছেছে।

আজ (বুধবার) বিকেল চারটা ৫০মিনিটে ৩০ টন ত্রাণসামগ্রী নিয়ে ইরানের একটি কার্গো ফ্লাইট চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

ইরান দূতাবাসের প্রথম কাউন্সিলর এবং মিশনের ডেপুটি প্রধান নেয়ামতউল্লাহ জাদেহ এসব ত্রাণসামগ্রী চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)  মো. হাবিবুর রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন।

এসময় অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্টের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য শেখ শফিউল আজম ও রেড ক্রিসেন্টের চট্টগ্রাম ইউনিটের সচিব আব্দুল জব্বার উপস্থিত ছিলেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে ইরানের কার্গো বিমান

এদিকে, ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান আলী আসগর পেইভান্দি আমাদের সংবাদদাতাকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ইরান দুই দফায় ৭০ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে। গতরাতে তৃতীয় দফায় ৩০ টন ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হয়েছে।

ত্রাণবাহী কার্গো বিমানে রেড ক্রিসেন্টের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ইরানের পররাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা গেছেন বলে আলী আসগর পেইভান্দি জানান।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ইরান অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান আলী আসগর পেইভান্দি

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য ইরানের প্রথম ত্রাণবাহী কার্গো বিমান বাংলাদেশে পৌঁছে। ইরানের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইব্রাহিম রহিমপুরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন। প্রথম দফায় পাঠানো ৪০ টন ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ছিল তাঁবু, কম্বল, চা, চিনি, তেল, কাপড়চোপড়, ওষুধসহ ৯ ধরনের পণ্য সামগ্রী। এরপর ৩০ সেপ্টেম্বর  ৩০ টন ত্রাণের দ্বিতীয় কার্গো বিমান বাংলাদেশে পৌঁছায়। এ দফায় পাঠানো ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে ছিল ৩০০ তাঁবু, ৫ হাজার ৫০০ কম্বল, ১০ হাজার টিনজাত খাবার এবং এক টন ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম।

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর গণহত্যা ও অমানবিক ঘটনাবলীর জন্য দেশটির সরকার এবং সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। পাশাপাশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি সমবেদনা ও সমর্থন জানিয়েছে তেহরান।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১১