মার্কিন হস্তক্ষেপ ছাড়াই সম্পর্ক স্বাভাবিক করুন: দুই কোরিয়াকে ইরান
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i56440-মার্কিন_হস্তক্ষেপ_ছাড়াই_সম্পর্ক_স্বাভাবিক_করুন_দুই_কোরিয়াকে_ইরান
দুই কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি বলেছেন, তার দেশ সব সময় কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা প্রশমনের পক্ষপাতি ছিল এবং দুই কোরিয়ার শীর্ষ নেতারা সে লক্ষ্যে যে উদ্যোগ নিয়েছেন তাকে তেহরান স্বাগত জানায়।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
এপ্রিল ২৮, ২০১৮ ০২:০৩ Asia/Dhaka
  • শুক্রবার সকালে দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রাম পানমুনজমে সাক্ষাৎ করেন কিম জং-উন ও মুন জায়ে-ইন
    শুক্রবার সকালে দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রাম পানমুনজমে সাক্ষাৎ করেন কিম জং-উন ও মুন জায়ে-ইন

দুই কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি বলেছেন, তার দেশ সব সময় কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা প্রশমনের পক্ষপাতি ছিল এবং দুই কোরিয়ার শীর্ষ নেতারা সে লক্ষ্যে যে উদ্যোগ নিয়েছেন তাকে তেহরান স্বাগত জানায়।

কাসেমি আজ (শনিবার) সকালে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আরো বলেন, দুই কোরিয়ার শীর্ষ নেতাদের শুক্রবারের সাক্ষাৎ ছিল অত্যন্ত সঠিক ও দায়িত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।  আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে টেকসই শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় এ ঘটনা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন শুক্রবার দু’দেশের সীমান্তবর্তী পানমুনজম গ্রামে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইনের সঙ্গে ঐতিহাসিক সাক্ষাতে মিলিত হন। সাক্ষাতে দুই নেতা কোরীয় উপদ্বীপকে ‘সম্পূর্ণ পরমাণু অস্ত্রমুক্ত’ করতে সম্মত হন। সেইসঙ্গে দুই কোরিয়ার মধ্যকার বিদ্বেষপূর্ণ সম্পর্কের অবসান ঘটাতেও একমত হন কিম ও মুন।

বাহরাম কাসেমি

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ সম্পর্কে আরো বলেন, তার দেশ সব সময় পরমাণু অস্ত্রসহ যেকোনো ধরনের গণবিধ্বংসী অস্ত্রের উৎপাদন, সংরক্ষণ ও ব্যবহারের বিরোধিতা করে এসেছে। কাজেই বিশ্বের যেকোনো দেশের পক্ষ থেকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার পদক্ষেপকে তেহরান স্বাগত জানায়।

কাসেমি বলেন, দুই কোরিয়া নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা বাস্তবায়ন করতে হবে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ও পশ্চিমা দেশগুলোর হস্তক্ষেপ ছাড়া। পশ্চিমা দেশগুলো বিশেষ করে আমেরিকা হস্তক্ষেপ করলে এই উদ্যোগ ভেস্তে যেতে পারে।

আমেরিকা কোনো আন্তর্জাতিক আইন বা চুক্তির তোয়াক্কা করে না উল্লেখ করে বাহরাম কাসেমি বলেন, ইরানের পরমাণু সমঝোতা যেটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইনে পরিণত হয়েছে সেটি লঙ্ঘন করে মার্কিন সরকার প্রমাণ করেছে, তাকে কোনোভাবেই বিশ্বাস করা যায় না।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২৭