সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ‘চুপ’ থাকতে বলল ইরান
-
শুক্রবার ওমান উপসাগরে রহস্যজনক হামলায় তেল ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যেসব দেশ স্বাধীনতা, গ্রহণযোগ্যতা ও শক্তিমত্তার অধিকারী নয় সেব দেশ যেন ইরানের শক্তিমান কর্মকর্তাদের ব্যাপারে কথা না বলে নীরব থাকে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনোয়ার গারগাশ সম্প্রতি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ সম্পর্কে যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন তার জবাবে এ প্রতিক্রিয়া জানাল তেহরান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি শুক্রবার তেহরানে বলেছেন, পাশ্চাত্যের কাছ থেকে কৃত্রিম নিরাপত্তা আমদানি করে যারা তৃপ্তির ঢেকুর তোলে এবং যাদেরকে পাশ্চাত্য দুগ্ধদানকারী গাভী মনে করে তারা ইরানের ক্ষমতাধর কর্মকর্তাদের ব্যাপারে চুপ থাকলে ভালো হয় কারণ ইরানের এসব কর্মকর্তার একটি টুইটার বার্তাও পাশ্চাত্যে প্রবল ঝড় তুলতে সক্ষম।
সম্প্রতি আরব আমিরাতের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক টুইটার বার্তায় দাবি করেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে এবং তিনি ‘বি-টিম’ সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন তা হাস্যকর।

গত বৃহস্পতিবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে যখন ইরান সফর করছিলেন তখন ওমান উপসাগরে দু’টি তেল ট্যাংকারে হামলা হয়। শিনজো অ্যাবের সফরের একই সময়ে এ হামলাকে ইরান রহস্যজনক বলে উল্লেখ করলেও ওই হামলার জন্য আমেরিকা ইরানকে দায়ী করেছে।
আমেরিকার এ অভিযোগের জবাবে মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ তার অফিসিয়াল টুইটার পেজে লিখেছেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের জন্য ইরান সফর করছিলেন তখন ‘বি-টিম’ নাশকতামূলক কূটনীতির মাধ্যমে ইরান বিরোধী অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ ধামাচাপা দিয়ে রাখার চেষ্টা করছে।
এর আগে ইংরেজি ‘বি’ আদ্যাক্ষরের চার ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে জারিফ তাদেরকে ‘বি-টিম’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। জারিফের ভাষায় টিম-বি’র ওই চার সদস্য হলেন, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, সৌদি যুবরাজ বিন সালমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ বিন জায়েদ।#
পার্সটুডে/মো. মুজাহিদুল ইসলাম/১৫