ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তেহরান সফর: আঞ্চলিক বিষয়াদি গুরুত্ব পায়
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i76874-ওমানের_পররাষ্ট্রমন্ত্রীর_তেহরান_সফর_আঞ্চলিক_বিষয়াদি_গুরুত্ব_পায়
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ এবং ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউসুফ বিন আলাভি তেহরানে এক বৈঠকে এ অঞ্চলের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। গত দুই সপ্তাহে এটি ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিতীয় তেহরান সফর।
(last modified 2026-03-08T13:29:51+00:00 )
জানুয়ারি ২২, ২০২০ ১৯:১৩ Asia/Dhaka
  • ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তেহরান সফর: আঞ্চলিক বিষয়াদি গুরুত্ব পায়

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ এবং ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউসুফ বিন আলাভি তেহরানে এক বৈঠকে এ অঞ্চলের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। গত দুই সপ্তাহে এটি ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিতীয় তেহরান সফর।

এমন সময় এ সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়েছে যখন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত শুক্রবার ভারতে রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে ওমানে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেন এবং দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে মিলিত হয়েছিলেন। ভূরাজনৈতিক দিক থেকে এ অঞ্চলে ওমানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে এবং ইরানের সঙ্গে এ দেশটির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রয়েছে। পরমাণু সমঝোতার বিষয়ে ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের আলোচনা চলাকালে ওমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এরপরও আঞ্চলিক নানা বিষয়ে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক শলাপরামর্শ বজায় রেখেছে ওমান। অর্থাৎ দু'দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রয়েছে।

বর্তমানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তেহরান ও মাস্কাটের মধ্যে ঐকমত্য বজায় রয়েছে। প্রথমত, পশ্চিম এশিয়ায় বিরাজমান উত্তেজনা ও ইরাকে মার্কিন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এ দুই দেশের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান। আমেরিকা গত ৩ জানুয়ারি বাগদাদ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালিয়ে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসির কুদস ব্রিগেডের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও ইরাকের হাশদ আশ-শাবির উপপ্রধান আবু মাহদি আল মোহান্দেস শহীদ হন। আমেরিকা এমন সময় এ সন্ত্রাসী হামলা চালায় যখন সোলাইমানি ইরাক সরকারের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে সেদেশ সফরে গিয়েছিলেন। ওই হত্যাকাণ্ডের জবাবে ইরান ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে, আমেরিকার বেআইনি পদক্ষেপ ও ইউরোপের নিষ্ক্রিয় অবস্থানের কারণে পরমাণু সমঝোতা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। ইরান ও ওমান ইউরোপ ও আমেরিকার এ আচরণের তীব্র বিরোধী। আমেরিকা পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায় ওমান সরকার আমেরিকার এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে এবং আমরা চাই এ অঞ্চলে নিরাপত্তার স্বার্থে দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ওমান সরকার স্বাধীন নীতি মেনে চলে এ অঞ্চলে সৃষ্ট উত্তেজনা হ্রাসের  চেষ্টা করছে। তেহরান ও মাস্কাট এ অঞ্চলের সবার স্বার্থ রক্ষায় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।#  

পার্সটুডে/রেজওয়ান হোসেন/২২