দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে পাক-ইরান বৈঠক
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i99706-দ্বিপাক্ষিক_বাণিজ্য_ও_অর্থনৈতিক_সম্পর্ক_জোরদারে_পাক_ইরান_বৈঠক
পাকিস্তান ও ইরানের যৌথ বাণিজ্য-কমিটি গতকাল (শনিবার) তেহরানে বৈঠক করেছে। এটি ছিল এই কমিটির নবম বৈঠক।
(last modified 2026-06-05T12:08:31+00:00 )
নভেম্বর ০৭, ২০২১ ১৬:৫৫ Asia/Dhaka
  • পাক-ইরান সীমান্ত
    পাক-ইরান সীমান্ত

পাকিস্তান ও ইরানের যৌথ বাণিজ্য-কমিটি গতকাল (শনিবার) তেহরানে বৈঠক করেছে। এটি ছিল এই কমিটির নবম বৈঠক।

ইরানের শিল্প, খনিজ ও বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী সাইয়্যেদ রেজা ফাতেমি আমিন এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্য ও পুঁজি বিষয়ক উপদেষ্টা আবদুর রাজ্জাক দাউদ এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। 

তেহরান ও ইসলামাবাদ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বিরাজমান বাধাগুলো দূর করতে চায়। আর এ জন্যই ব্যাংকিং যোগাযোগ, শুল্ক, সীমান্ত হাট, পণ্য বিনিময় ও বাণিজ্য বিষয়ক নানা কমিটি গঠনের বিষয় ছিল তেহরানে পাক-ইরান যৌথ বাণিজ্য-কমিটির বৈঠকের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।  

পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের ব্যাপক ক্ষেত্র ও সুযোগ রয়েছে। তবে ব্যাংকিং যোগাযোগ ও মুদ্রা বিনিময়সহ অবকাঠামোগত খাতে নানা সমস্যা থাকায় এক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় অগ্রগতি ঘটছে না। 

উভয় দেশ মুক্ত বাণিজ্যের বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও পণ্য-ট্রানজিটের প্রক্রিয়া আরও সহজ হতে পারে। ইরানের চ'বাহার বন্দর এক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

ইরানে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত রাহিম হায়াত কুরাইশি বলেছেন, জ্বালানী সম্পদে সমৃদ্ধ ইরানের প্রতিবেশী হওয়ার কারণে পাকিস্তানের উচিত এই সুবিধা ও সুযোগকে সর্বোচ্চ মাত্রায় কাজে লাগানো। ইরান ও পাকিস্তান উভয়ই ডি-এইট ও ইকোসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার সদস্য। তাই উভয় দেশই বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার সুযোগ রাখে। 

পাকিস্তান ইরানের সঙ্গে পণ্য-পরিবহন খাত ও ট্রানজিটসহ মুক্ত-বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের ব্যাপারে দৃঢ় ইচ্ছার কথা বলে আসছে। 

ইরান মনে করে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক আঞ্চলিক সম্পর্ককেও জোরদার করা সম্ভব। আর তা করা হলে গ্যাস পাইপ লাইনের মত দীর্ঘকাল ধরে ঝুলে থাকা বা অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো পরিপূর্ণ করা সম্ভব হবে। 

তেহরান ও ইসলামাবাদ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে যেভাবে সক্রিয় হয়ে উঠছে এবং দৃঢ় ইচ্ছা বাস্তবায়নের আগ্রহ দেখাচ্ছে তাতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিরাজমান সমস্যাগুলো দুর হবে বলে আশা করা যায়।   #

পার্সটুডে/এমএএইচ/৭