'রেডিও তেহরান অতীতের যেকোনো সময়ের চাইতে বর্তমানে বেশি শ্রোতাবান্ধব'
আসসালামু আলাইকুম, আশা করি রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের সকলে ভালো ও সুস্থ আছেন। দীর্ঘদিন ধরে আপনাদের প্রচারিত বাংলা অনুষ্ঠানের শ্রোতা হিসেবে বলতে পারি যে, অতীতের যেকোনো সময়ের চাইতে বর্তমানে রেডিও তেহরান অনেক বেশি শ্রোতাবান্ধব যা আমাকে মুগ্ধ করেছে।
বৈচিত্র্যপূর্ণ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক নানা ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করে শ্রোতাদের যথার্থ মূল্যায়ন করছেন আপনারা। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিজয়ী শ্রোতা বন্ধুরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার হাতে পেলেও ভারতের শ্রোতারা কিন্তু বঞ্চিত থাকতে হচ্ছে ডাক যোগাযোগের সমস্যার কারণে। দীর্ঘদিন অপেক্ষায় থাকার কারণে অনেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।
প্রস্তাব:
এই সমস্যা সমাধানে ভারতের ইরানি দূতাবাসের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। অতীতে আমরা দেখেছি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের শ্রোতাদের জন্যে বিভিন্ন পুরস্কার তাদের দূতাবাসের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিত। এক্ষেত্রেও যদি সম্ভব হয়, নতুন দিল্লির ইরানি দূতাবাসের মাধ্যমে পুরস্কার পাঠানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তাহলে আর কোনো বাধাই থাকবে না।
শ্রোতাদের বাছাই করা মতামত, ও তথ্যপূর্ণ লেখাগুলো দিয়ে parstoday ওয়েব পেইজের মতামত বিভাগকে ভরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন আপনারা। এটা যেকোনো শ্রোতা ও লেখকদের একটি বড় পাওয়া; যা বিশ্বের আর কোনো বেতারের এমন দৃষ্টান্ত চোখে পড়েনি।
বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা ও তাতে পুরস্কার দেবার ব্যবস্থা রাখায় শ্রোতারা অনেক বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে। নতুন নতুন শ্রোতার পাশাপশি, পুরোনো শ্রোতারাও আবার নবউদ্যমে অনুষ্ঠান শোনা ও চিঠি লেখা শুরু করেছেন। প্রিয়জন অনুষ্ঠানে এ সকল শ্রোতাদের মতামতপূর্ণ চিঠির আসর যেন এক জমাটি আড্ডার মতো মনে হয়। অনুষ্ঠানের শেষে মাঝে মাঝেই ইসলামী সংগীতের মূর্ছনায় হারিয়ে যায় অন্য ভুবনে।
শুভেচ্ছান্তে,
মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বঙ্গ, ভারত।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৩
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।