শ্রোতাদের মতামত
'এক বর্ষণমুখর রাতে রেডিও তেহরানের সাথে আমার পথচলা শুরু'
মহাশয়, স্কুল জীবনে পড়াশোনা করবার সময় আমার মনটা কোনো এক অজানা কারণেই দারুণ বেতারপ্রেমী হয়ে উঠেছিল। যার ফলে কোনো এক রাতে রেডিওর নব ঘোরাতে ঘোরাতে রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান আমার মনের আঙিনায় ধরা দেয়। সেদিনটা ছিল ১৯৮৩ অথবা ১৯৮৪ সালের এক বর্ষণমুখর রাত। তারপর থেকে রেডিও তেহরানের সাথে আমার পথচলা শুরু।
জ্ঞানের পরিধিকে বাড়াতে, ইরানকে জানতে আর ইসলামি সংস্কৃতিকে বুঝতে প্রতিদিন নিয়মিতভাবে শুনে চলেছি রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠানমালা। রেডিওতে বাংলা অনুষ্ঠানকে অনুভব করি আমার রন্ধ্রে রন্ধ্রে। এ যেন আপনাদের সুনিপুণ দক্ষতায় গড়ে ওঠা এক অপার শিল্পকলা। অনুষ্ঠানের প্রতি আপনাদের মমত্ববোধ ও সারল্যে ছন্দোবদ্ধতা, সমৃদ্ধ প্রাণবন্ত উপস্থাপনা আমাকে ভীষণভাবে আকৃষ্ট করে।
তেহরানের বাংলা বিভাগ থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠান আমার ভীষণ ভালো লাগে। প্রতিটি অনুষ্ঠানে আমাদের সঙ্গে ইরানের সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও মৈত্রীর অগ্রদূত হিসেবে কাজ করছে। অনুষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে ইরানের ইসলামি জীবনযাত্রা, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জীবন সম্বন্ধে সম্যক ধারণা পাচ্ছি। আর বিশ্বসংবাদ, দৃষ্টিপাত ও কথাবার্তা যেন খোলা এক জানালা, যেখানে উঁকি দিয়ে সমগ্র বিশ্বকে দেখা যায়।
অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আমরা পাচ্ছি পার্সটুডের মতো ওয়েবসাইট যার মানে খুবই উন্নত এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সাজানো। রেডিও তেহরান বাংলা যেমন ইরান, ইরানের মানুষ ও সংস্কৃতি সম্বন্ধে বেশি বেশি জানায় ও বোঝার সুযোগ করে দিচ্ছে তেমনি বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্বন্ধে প্রচার এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান এবং ক্রমবর্ধমান সার্বিক সহযোগিতাভিত্তিক বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করতে প্রতিদিন মূল্যবান অবদান রাখছে।
রেডিও তেহরানের কার্যক্রম ও অনুষ্ঠানমালার নিয়ত নতুন নতুন উৎকর্ষ ও শ্রীবৃদ্ধি ঘটুক এই শুভ কামনা রইল। সত্যিই রেডিও তেহরান আমার পূর্বদিকে সূর্য ওঠা ভোরের সকাল, বসন্তের কোকিলের কুহু কুহু তান, যতদিন রবে এ দেহ মন ততদিন যাব শুনে রেডিও তেহরানকে সুখে, দুখে ভেবে আপন।
ধন্যবাদান্তে
বিধান চন্দ্র সান্যাল
ঢাকা কলোনী, বালুরঘাট
দক্ষিণ দিনাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৮
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।