‘ধর্ম ও সংস্কৃতি বিস্তারে রেডিও তেহরান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে’
রেডিও তেহরানের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে 'আইআরআইবি ফ্যান ক্লাব বাংলাদেশ' আয়োজিত প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পাশাপাশি মানসম্মত লেখাগুলো ধারাবাহিকভাবে পার্সটুডে ডটকমে প্রকাশিত হচ্ছে। আজ প্রকাশিত হলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শ্রোতা জাকির হোসেনের লেখা।
গণমাধ্যমে আধুনিক সমাজের একটি অপরিহার্য অংশ। একই সঙ্গে ব্যাপক সংখ্যক জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমকে গণমাধ্যম বলা হয়। গণমাধ্যমকে জনসংযোগের উপায় হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।
বতমান বিশ্বে প্রচারিত গণমাধ্যমের মধ্যে জনপ্রিয় হলো রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্র ইত্যাদি। এছাড়াও মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ইন্টারনেটেরও গণমাধ্যম হিসেবে ভূমিকা রয়েছে। গণমাধ্যম ব্যবহার করে অনেক দূরের মানুষের কাছে খুব সহজেই বাতা পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।
গণমাধ্যম হিসাবে রেডিও তেহরানের ভূমিকা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। পাশ্চাত্যের দেশগুলোর নানা তথ্য তুলে ধরার দায়িত্ব পালনে রেডিও তেহরানের গুরুত্ব অপরিহার্য। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক শিক্ষার ক্ষেত্রে রেডিও তেহরানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজিতে একটি কথা আছে Religion and Calture are the two ideal power of a Nation. ধর্ম ও সংস্কৃতি ছাড়া কোনো জাতি বেঁচে থাকতে পারে না। শিক্ষার অন্যতম দিক হলো ধর্ম ও সংস্কৃতি চর্চা। ধর্ম ও সংস্কৃতি বিস্তারে রেডিও তেহরান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রেডিও তেহরান বিভিন্ন দেশ ও জাতির আচার আচরণ, কৃষ্টি, সভ্যতা, ধর্ম, সংস্কৃতি ইত্যাদি সচিত্র বিবরণ তুলে ধরে। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সুস্থ বিকাশের মাধ্যমে আদর্শ জাতি গঠন সম্ভব। তাই রেডিও তেহরান এ ব্যাপারে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করে থাকে।
১৯৪০ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে রেডিও অনুষ্ঠান সম্প্রচার শুরু হয়। আইআরআইবি বিশ্ব কাযক্রমের বাংলা অনুষ্ঠান ১৯৮২ সালের ১৭ এপ্রিল শুরু হয়। রেডিও তেহরানের অনলাইন সংস্করণ পাসটুডে ডটকম থেকে এক নজরে গোটা বিশ্বকে জানা যায়। সবশেষে আপনাদের সকলকে সালাম জানিয়ে শেষ করছি।
জাকির হোসেন
সভাপতি, ভি আর এল ক্লাব
নওপাড়া শিমুলিয়া, থানা: বহরমপুর
জেলা: মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৭
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।