উত্তেজনা ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টিই বাইডেনের সাম্প্রতিক সফরের লক্ষ্য
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i110640-উত্তেজনা_ও_নিরাপত্তাহীনতা_সৃষ্টিই_বাইডেনের_সাম্প্রতিক_সফরের_লক্ষ্য
ইহুদিবাদী ইসরাইল ট্রাম্পকে যেভাবে ফাঁদে ফেলে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি থেকে তাকে বের করতে উস্কানি  দিয়েছিল ঠিক একইভাবে বাইডেনকে আবারও ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের চেষ্টা করছে। 
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুলাই ১৬, ২০২২ ১৬:৫৪ Asia/Dhaka

ইহুদিবাদী ইসরাইল ট্রাম্পকে যেভাবে ফাঁদে ফেলে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি থেকে তাকে বের করতে উস্কানি  দিয়েছিল ঠিক একইভাবে বাইডেনকে আবারও ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের চেষ্টা করছে। 

সম্প্রতি বাইডেন ইসরাইল সফর করে ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি-ধমকি দিয়েছেন ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু তৎপরতার অগ্রগতি লক্ষ্য করে । অন্যদিকে ইসরাইল চায় না যে আমেরিকা ইরানের সঙ্গে আবারও পরমাণু সমঝোতা চালু করুক।

ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতায় ফেরার পথে যে বড় বাধা ছিল তা হল ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে বাদ দেয়া। ইসরাইলি চাপের মুখে বাইডেনের মার্কিন সরকার এই বাহিনীকে সন্ত্রাসের তালিকা থেকে বাদ দিতে রাজি হয়নি। মার্কিন সরকার এ জন্য ইরানের পরমাণু সমঝোতায় ফিরতে চেয়েও ফিরতে পারছে না।

কিন্তু মার্কিন সরকার আপাতত ইসরাইলের মন রক্ষা করে কিছু বলতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত হয়তো এই অবস্থানে অবিচল থাকবেনা। ওদিকে ইসরাইলের একটি টেলিভিশনও জানিয়েছে যে ইসরাইল গত এক বছরে ইরানের ভেতরে অনেক অভিযান চালিয়েছে।  

ইসরাইল এ অঞ্চলে কয়েকটি আরব দেশকে নিয়ে ইরান বিরোধী জোট গঠনে মার্কিন সরকারকে ব্যবহার করতে চাইলেও মার্কিন সরকার বাস্তবে চীন ও রাশিয়ার প্রভাব ঠেকানো এবং জ্বালানির ব্যাপক ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা নিয়েই বেশি ব্যস্ত। বাইডেনের সফরের একটা বড় লক্ষ্য এটা হলেও বাস্তবে তাতেও কোনো সুফল আসবে বলে মনে হয় না। অন্যদিকে মার্কিন সরকারও আর কতকাল দেশটির জনগণের অর্থ খরচ করে ইহুদিবাদী ইসরাইল ও তার সহযোগীদের নিরাপত্তা যোগানোর জন্য ইরানের মত শক্তিশালী দেশের সঙ্গে সংঘাতের ঝুঁকি নেবে তা দেখার বিষয়!  

আবার এটাও একটি বাস্তবতা যে মার্কিন সরকার কেবল সংঘাত ও উত্তেজনা সৃষ্টি করেই বন্ধু রাষ্ট্র বা সহযোগী রাষ্ট্রগুলো থেকে তার স্বার্থ আদায় করতে অভ্যস্ত। মোটকথা এটা স্পষ্ট যে এ অঞ্চলে বাইডেনের সাম্প্রতিক সফরের একটা বড় লক্ষ্যই হল উত্তেজনা ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা।   #

পার্সটুডে/এমএএইচ/১৬