দায়েশ বিরোধী লড়াইয়ে ইরান এবং কাসেম সুলাইমানিকে প্রয়োজন: ইরাক
তাকফিরি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সাহায্যের প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইব্রাহিম আল-জাফারি। ইরাকের ব্যাপারে ইরানের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকা যে প্রশ্ন তুলেছে তা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।
গত শনিবার রাতে লেবাননের আল-মায়াদিন টেলিভিশনকে দেয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে জাফারি বলেন, আমেরিকা তার নীতি ইরাকের ওপর চাপিয়ে দিতে পারে না। তিনি বলেন, রাশিয়া, সিরিয়া ইরান এবং ইরাকের মধ্যে সমন্বয় রয়েছে। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এসব দেশের অভিজ্ঞতা এবং তথ্য ব্যবহার করতে চায় ইরাক।
ইরাকি সেনাবাহিনী বর্তমানে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত শহর ফালুজা পুনর্দখলে নিতে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তীব্র লড়াইয়ে ব্যস্ত রয়েছে এবং মসুল থেকেও তাদেরকে বিতাড়িত করতে সেনাবাহিনী প্রস্তুতি নিয়েছে।এদিকে, আজ (রোববার) ইরাকি সেনারা মসুলের দক্ষিণে অবস্থিত একটি গ্রাম পুনর্দখলে নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
সেনাবাহিনীর এসব অভিযানে ইরাকের জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী হাশদ আস-শাবি সহযোগিতা দিচ্ছে। তবে গণবাহিনীর এই সম্পৃক্ততা নিয়ে সমালোচনায় নেমেছে সৌদি আরব এবং আমেরিকাসহ আরো কিছু দেশ।
ফালুজা পুনর্দখলে নিতে স্বেচ্ছাসেবী এই গণবাহিনীর ভূমিকার পাশাপাশি চলমান লড়াইয়ে তাদের অবদানের প্রতি সরকারের সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করেন জাফারি। ইরাকে হাশদ আস-শাবি বাহিনীর কর্মতৎপরতা নিয়ে আমেরিকার অবস্থান নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, আমেরিকার অবস্থান আমেরিকার স্বার্থকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং কোনোভাবেই তা ইরাকের স্বার্থ নয়। হাশদ আস- শাবি ইরাকের জাতীয় স্বার্থেরই অংশ বলেও মন্তব্য করেন জাফারি।
গতকালের সাক্ষাৎকারে জাফারি দায়েশ বিরোধী লড়াইয়ে ইরানের আইআরজিসির কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সুলাইমানির ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, দায়েশ বিরোধী লড়াইয়ে ইরাকে তার উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।#
পার্সটুডে/বাবুল আখতার/১২