হামাস বলছে- তাদের কাছে যুদ্ধবিরতির কোনো তথ্য নেই
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i129434-হামাস_বলছে_তাদের_কাছে_যুদ্ধবিরতির_কোনো_তথ্য_নেই
ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস বলেছে, গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স যে খবর দিয়েছে সে বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। সংগঠনটি বলেছে- আমেরিকা, ইসরাইল ও মিশর মিলে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে বলে রয়টার্স যে খবর দিয়েছে সেটি তাদের জানা নেই।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
অক্টোবর ১৬, ২০২৩ ১০:৪০ Asia/Dhaka
  • রাফাহ ক্রসিং পয়েন্ট
    রাফাহ ক্রসিং পয়েন্ট

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস বলেছে, গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স যে খবর দিয়েছে সে বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। সংগঠনটি বলেছে- আমেরিকা, ইসরাইল ও মিশর মিলে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে বলে রয়টার্স যে খবর দিয়েছে সেটি তাদের জানা নেই।

রয়টার্স বলেছিল- আজ (সোমবার) সকাল ৯টা থেকে ৫ ঘণ্টার জন্য গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হচ্ছে।

হামাসের গণমাধ্যম কার্যালয় থেকে আজ যুদ্ধবিরতির খবর অস্বীকার করা হয়েছে। রয়টার্সের ওই খবরে আরো বলা হয়েছিল যে, রাফা ক্রসিং খুলে দেবে মিশর।

মিশরের দুটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স দাবি করেছিল, গাজা উপত্যকার এই যুদ্ধবিরতি কয়েক ঘন্টা স্থায়ী হবে। খবরে দাবি করা হয়- ইসরাইল, আমেরিকা এবং মিশরের মধ্যে যে ঐকমত্য হয়েছে তাতে মিশর সীমান্তবর্তী রাফা ক্রসিং বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

এদিকে, ইহুদিবাদী ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিনে নেতানিয়াহুও এই যুদ্ধবিরতির খবর নাকচ করেছেন। তিনি বলেছেন, গাজা উপত্যকা থেকে বিদেশিদের মুক্তির বিনিময়ে যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানোর ব্যাপারে কোনো চুক্তি হয়নি।

গতকাল মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে, মানবিক ত্রাণ পাঠানোর জন্য রাফা ক্রসিং উন্মুক্ত করে দেয়া হচ্ছে।

ব্লিনকেন বলেন, “রাফা উন্মুক্ত হবে। এ বিষয়ে আমরা জাতিসংঘ, মিশর, ইসরাইল এবং অন্যান্য দেশকে যুক্ত রাখছি। আমরা এমন একটি ব্যবস্থা করছি যাতে গাজা উপত্যকার লোকজনের কাছে ত্রাণ সহায়তা পাঠানো যায়।”

ব্লিনকেনের এই বক্তব্যের পর ইসরাইলে মার্কিন দূতাবাস থেকে বলা হয়েছে, যদি রাফা ক্রসিং খুলে দেয়া হয় তাহলে গাজার লোকজন তা ব্যবহারের জন্য খুবই অল্প সময় পাবে।

গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের হামাস এবং জিহাদ আন্দোলন-সহ কয়েকটি সংগঠনের যোদ্ধারা ইহুদিবাদী ইসরাইলের অভ্যন্তরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালায়। তারা বলেছে, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে দখলদার ইসরাইলের লাগাতার হত্যাযজ্ঞ ও দমনপীড়ন এবং পবিত্র আল-আকসা মসজিদের অবমাননার অবসান ঘটানোর জন্য তারা এই অভিযান চালিয়েছে।#

পার্সটুডে/এসআইবি/এমএআর/১৬