ইসরাইলের বিরুদ্ধে ৬৭০টি হামলা চালানোর খবর দিলেন হিজবুল্লাহ প্রধান
-
সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ
লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেছেন, তার সংগঠনের যোদ্ধারা দক্ষিণ লেবানন সীমান্তে ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে ‘ব্যাপক হামলা’ চালিয়ে যাচ্ছে; ফলে ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে ‘ভয়ঙ্কর ক্ষয়ক্ষতির’ শিকার হচ্ছে দখলদার সরকার। তিনি শুক্রবার রাতে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে একথা জানান।
বৈরুতে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় হামাস নেতা সালেহ আল-আরুরির শাহাদাত এবং ইরানের কেরমান শহরে শক্তিশালী জোড়া বোমা হামলায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন সাইয়্যেদ নাসরুল্লাহ।
তিনি বলেন, শেখ সালেহ আল-আরুরির হত্যাকাণ্ডের অবশ্যই জবাব দেয়া হবে। এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং তা নিঃসন্দেহে বাস্তবায়িত হবে।” হিজবুল্লাহ নেতা বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিকার না করলে লেবাননে এরপর এরকম হামলা একের পর এক হতে থাকবে।
দক্ষিণ লেবানন সীমান্তে ইসরাইলি অবস্থানে শত শত হামলা চালানোর কথা উল্লেখ করে সাইয়্যেদ নাসরুল্লাহ বলেন, “৮ অক্টোবর থেকে আমরা ১০০ কিলোমিটারের চেয়ে দীর্ঘ ফ্রন্টে ইসরাইলি শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাচ্ছি। গত তিন মাসে আমরা ইসরাইলের ৪৮টি সীমান্ত চৌকিতে ৬৭০টির বেশি হামলা চালিয়েছি।”
লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনের এই নেতা বলেন, তার বাহিনীর যোদ্ধারা লেবানন-ইসরাইল সীমান্তে শত্রু বাহিনীর শত শত কারিগরি ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিতে আঘাত হেনে সেগুলো ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দিয়েছে।
হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের হামলায় ইসরাইলের বিপুল সংখ্যক ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে জানিয়ে সাইয়্যেদ নাসরুল্লাহ বলেন, ইসরাইলের হাসপাতাল সূত্রগুলো যা বলছে, তাতে চলমান যুদ্ধে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা তেল আবিবের ঘোষিত সংখ্যার অন্তত তিন গুণ।
চলমান যুদ্ধে লেবাননের সকল ভূমি ইসরাইলের দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করার ‘ঐতিহাসিক’ সুযোগ এনে দিয়েছে বলে হিজবুল্লাহ নেতা মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইসরাইলের দখলদারিত্ব থেকে লেবাননের শেবা কৃষি খামার মুক্ত করার সময় এসেছে। #
পার্সটুডে/এমএমআই/এমএআর/৬