'ইসরাইলের নৃশংস অপরাধযজ্ঞ পাশ্চাত্যে মানবতাবোধকে জাগিয়ে তুলেছে'
কেবল অন্ধ হৃদয়ের অধিকারীরা ইসরাইলি অপরাধযজ্ঞ উপেক্ষা করছে: হিজবুল্লাহ-প্রধান
-
ইসরাইলের নৃশংস অপরাধযজ্ঞ পাশ্চাত্যে মানবতাবোধকে জাগিয়ে তুলেছে: হিজবুল্লাহ প্রধান
লেবাননের জনপ্রিয় ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেছেন: গাজায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের নৃশংস অপরাধযজ্ঞ পাশ্চাত্যে মানবতাবোধকে জাগিয়ে তুলেছে।
গতকাল শোকাবহ মহররম তথা মহানবীর দৌহিত্র ইমাম হুসাইনের (আ) শাহাদাত-বার্ষিকীর স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানাদির অংশ হিসেবে এক বক্তৃতায় তিনি এই মন্তব্য করেছেন। হিজবুল্লাহর মহাসচিব বলেছেন, যারা এই অপরাধযজ্ঞকে উপেক্ষা করছে তারা অন্ধ হৃদয়ের অধিকারী।
পার্সটুডে জানিয়েছে, জনাব নাসরুল্লাহ গাজা ও ফিলিস্তিনি জাতির প্রতি সহায়তায় হিজবুল্লাহর দৃঢ় সংকল্পের কথা জানিয়ে বলেছেন, এ ব্যাপারে হিজবুল্লাহ অত্যন্ত উচ্চ মনোবল ও সংকল্প নিয়ে আল-আকসা তুফানের যুদ্ধে শরিক হয়েছে।
ইমাম হুসাইন ও তাঁর সঙ্গীদের শাহাদাতের স্মরণে শোকাবহ মহররমের শোক-পালনের মানসিক ও আধ্যাত্মিক প্রভাবের কথা তুলে ধরে তিনি বলেছেন,
আমরা কারবালায় রয়েছি, আমরা শহীদদের পক্ষ থেকে কথা বলছি, আমরা আরও শহীদ উপহার দেব, আমরা কারবালার ঘটনা-প্রবাহের কেন্দ্রস্থলে রয়েছি।
ইহুদিবাদী ইসরাইল গত বছরের (২০০৩) ৭ অক্টোবর থেকে গাজা ও পশ্চিম তীরে মজলুম ও প্রতিরক্ষাহীন ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরাইলি বর্বরতায় এ পর্যন্ত গাজায় ৩৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ ও ৮৭ হাজারেরও বেশি আহত হয়েছে।
ইসরাইলের অস্তিত্ব গড়ে ওঠে ১৯১৭ সালে উপনিবেশবাদী ব্রিটেনের ব্যালফোর নামক ঘোষণার আলোকে এবং বিশ্বের নানা অঞ্চল থেকে ইহুদিদেরকে ফিলিস্তিনে অভিবাসন করতে উৎসাহ যুগিয়ে। ১৯৪৮ সালে ইসরাইল তার অস্তিত্ব ঘোষণা করে। সেই থেকে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যার এবং গোটা ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডগুলোকে দখলে নেয়ার নানা ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
বিশ্বের কয়েকটি সরকার ইসলামী জনশাসনতান্ত্রিক সরকার ইরানের দাবির সঙ্গে সুর মিলিয়ে ইসরাইলি উপনিবেশবাদী শাসন বিলুপ্ত করার ও ইহুদিদেরকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার জোরালো দাবি জানাচ্ছে। #
পার্সটুডে/এমএএইচ/০৮
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।