ইসরাইলের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ইরাক ও লেবাননের প্রতিরোধ বাহিনীর হামলা
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i141932-ইসরাইলের_সামরিক_অবস্থান_লক্ষ্য_করে_ইরাক_ও_লেবাননের_প্রতিরোধ_বাহিনীর_হামলা
লেবানন ও ইরাকের প্রতিরোধকামী বাহিনী ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাডার সদর দপ্তর এবং এই দখলদার সরকারের গোলানি ব্রিগেডের ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
(last modified 2026-02-17T13:30:44+00:00 )
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪ ১৫:৪২ Asia/Dhaka
  • ইসরাইলের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ইরাক ও লেবাননের প্রতিরোধ বাহিনীর হামলা

লেবানন ও ইরাকের প্রতিরোধকামী বাহিনী ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাডার সদর দপ্তর এবং এই দখলদার সরকারের গোলানি ব্রিগেডের ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, লেবাননের হিজবুল্লাহ সোমবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছে, গাজা উপত্যকায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের বর্বরোচিত আগ্রাসনের শিকার ফিলিস্তিনি জাতিকে সমর্থন করার লক্ষ্যে প্রতিরোধ যোদ্ধারা একটি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে অধিকৃত ফিলিস্তিনের উত্তরে দখলদার সেনাবাহিনীর "আল-বাগদাদি" ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

লেবাননের হিজবুল্লাহ জোর দিয়ে বলেছে, এই ঘাঁটির দিকে ছোড়া রকেটগুলো লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে। হিজবুল্লাহর বিবৃতিতে বলা হয়েছে,লেবাননের অধিকৃত শেবা মাঠে রাডার সদর দফতর "মাইয়ান বারুচ" ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা,'জাল আল-আলম' ঘাঁটিতে ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর সৈন্যদের পর্যবেক্ষণ ও তাদেরকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা করা এবং  "আল মারাজ" ঘাঁটিতে মারকাবা  ট্যাঙ্ক ধ্বংস করা- হিজবুল্লাহর এসব অভিযান অন্যতম ছিল।  

অন্যদিকে, ইরাকের ইসলামি প্রতিরোধ ফ্রন্ট ঘোষণা করেছে যে তারা আজ সকালে ড্রোনের সাহায্যে অধিকৃত অঞ্চলে "গোলানি ব্রিগেড" ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

হিব্রু সূত্রগুলিও স্বীকার করেছে যে অধিকৃত "বিসান" অঞ্চলে অনুপ্রবেশ করার পরে দখলদার শাসক গোষ্ঠীর সেনাবাহিনীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই ড্রোনটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল কিন্তু তারা এটিকে গুলি করতে ব্যর্থ হয়। এখন পর্যন্, ইহুদি কর্তৃপক্ষ এই হামলার সম্ভাব্য হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে কোনো খবর প্রকাশ করেনি।

৭ই অক্টোবর গাজা উপত্যকায় ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর হামলা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে  লেবানন,ইরাক ও ইয়েমেনের প্রতিরোধ বাহিনী গাজার জনগণের ওপর চাপ কমানোর জন্য ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ভিতরে ইহুদিবাদী শাসক গোষ্ঠীর লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে প্রায় প্রতিদিন কামানের গোলা এবং  ভারী অস্ত্র দিয়ে অভিযান চালিয়ে আসছে।