তেল আবিবে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের বিক্ষোভ: নেতানিয়াহু সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদ
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i153836-তেল_আবিবে_ইহুদি_বসতি_স্থাপনকারীদের_বিক্ষোভ_নেতানিয়াহু_সরকারের_ব্যর্থতার_প্রতিবাদ
পার্সটুডে: ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর 'আল-আকসা তুফান' অভিযানের সময় ইহুদিবাদী ইসরায়েল তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হওয়ায় নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে। তারা একটি অফিসিয়াল তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানাচ্ছে, যাতে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের অভিযানে সংঘটিত নিরাপত্তা ব্যর্থতার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা যায়।
(last modified 2026-01-18T14:26:52+00:00 )
নভেম্বর ০৯, ২০২৫ ১৪:২২ Asia/Dhaka
  • তেল আবিবে বিশাল বিক্ষোভ
    তেল আবিবে বিশাল বিক্ষোভ

পার্সটুডে: ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর 'আল-আকসা তুফান' অভিযানের সময় ইহুদিবাদী ইসরায়েল তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হওয়ায় নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে। তারা একটি অফিসিয়াল তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানাচ্ছে, যাতে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের অভিযানে সংঘটিত নিরাপত্তা ব্যর্থতার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা যায়।

ইসরায়েলের বসতি স্থাপনকারীরা তেল আবিব ও নাহারিয়া শহরে বিক্ষোভ করেছে। বিক্ষোভের মূল উদ্দেশ্য ছিল- বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের কাজের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করা এবং একটি সরকারি তদন্ত কমিটি গঠন করা। তারা অভিযোগ করেছে, সরকার ও সেনাবাহিনীর চরম ব্যর্থতার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে।

ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা'র বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, বিক্ষোভগুলো তেল আবিব শহরের সরকারি ভবন ও প্রধান চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভে কিছু সক্রিয় বসতি স্থাপনকারী এবং নিহত ও বন্দি ইসরায়েলিদের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিক্ষোভকারীরা জোর দিয়ে বলেছেন, ৭ অক্টোবরের ঘটনাগুলো তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন কমিটি গঠন না করা- সেই দিনের মারাত্মক ভুলগুলো ঢাকার জন্য মন্ত্রিসভার চেষ্টারই ইঙ্গিত দেয়।

এই বিক্ষোভের সাথে তাল মিলিয়ে একইসময়ে কিছু ইহুদিবাদী আইনি গোষ্ঠীও ঘোষণা করেছে যে, তারা মন্ত্রিসভাকে একটি তদন্ত কমিটি গঠনে বাধ্য করার জন্য উচ্চ আদালতে একটি আনুষ্ঠানিক পিটিশন জমা দিয়েছে।

আল-শার্ক আল-আওসাত পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার ৩০ সদস্যের মধ্যে মাত্র তিন জন মন্ত্রী এই কমিটি গঠনের পক্ষে, বাকিরা বিরোধিতা করছেন।

ফিলিস্তিনি গণমাধ্যম এই বিক্ষোভকে ইসরায়েলের ভেতরের বিভিন্ন স্তরে গভীর বিভাজন এবং সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতার প্রতীক হিসেবে দেখছে।

এই বিক্ষোভগুলো এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা নিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দাবি করে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মন্ত্রিসভারের ওপর অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক চাপ বাড়ছে।

ইহুদিবাদী ইসরাইল ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছিল দুটি প্রধান লক্ষ্য নিয়ে: হামাস আন্দোলনকে নির্মূল করা এবং ইহুদিবাদী বন্দিদের মুক্ত করা। কিন্তু তারা দুটি লক্ষ্যই অর্জনে ব্যর্থ হয় এবং বন্দি বিনিময়ের জন্য হামাসের সাথে চুক্তিতে আসতে বাধ্য হয়।#

পার্সটুডে/এমএআর/৯