ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে সৌদির ভিত্তিহীন প্রচারণা
-
ফাইল ফটো
ইয়েমেনের বিপ্লবী বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বৃদ্ধি সৌদি আরবকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এর ফলে রিয়াদ দাবি করছে, ইরানই ইয়েমেনে সামরিক সাহায্য পাঠাচ্ছে।
এদিকে, ইয়েমেনের বিপ্লবী বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা পরিবেশিত সংবাদকে বিকৃত করেছে সৌদি গণমfধ্যম। এর মধ্যে রয়েছে সৌদি নিউজ চ্যানেল আল-আরাবিয়া ও দৈনিক পত্রিকা আল-ওয়াতান। এসব গণমাধ্যম ভিত্তিহীন ও মিথ্যে সংবাদে বলছে- ইরানই ইয়েমেনের বিপ্লবী বাহিনীকে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে।
এসব গণমাধ্যম আরো দাবি করেছে, “ইয়েমেনে সামরিক সাহায্য দেয়ার বিষয়টি ইরানি কর্মকর্তারা অস্বীকার করলেও তাদের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এর বিপরীত ঘোষণা দিয়েছে।” সৌদি গণমাধ্যম দাবি করেছে, “সৌদি আরবের নাজরান অঞ্চলে হুতি শিয়াদের নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরানের তৈরি ‘জিলজাল-৩’ ক্ষেপণাস্ত্র।”
ইরনার রোববারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, “ইয়েমেনি বিপ্লবীরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিরাট সাফল্য অর্জন করেছে এবং আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বৃহৎ ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে পরিণত হতে যাচ্ছে। কিন্তু সৌদি আরব ইয়েমেনি বিপ্লবীদের নতুন কোন সাফল্য দেখতে চায় না বরং তারা দেখাতে চায়- ইরানই বিপ্লবীদের অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে সজ্জিত করেছে। কারণ মিনা ট্র্যাজেডির পর থেকে ইরানের সঙ্গে রিয়াদের শত্রুতা বেড়েছে।” গত বছর হজের সময় মিনা ট্র্যাজেডিতে ৪৬১ জন ইরানিসহ পাঁচহাজার হাজি নিহত হন।
ইরনার প্রতিবেদন অনুসারে, সৌদি আরব মনে করে, ইয়েমেনি বিপ্লবীদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বৃদ্ধির এই সাফল্য তাদের জন্য হুমকিস্বরূপ।#
পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/২১