মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্মান ও অবস্থান বেড়েছে: হিজবুল্লাহ মহাসচিব
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i72806-মার্কিন_নিষেধাজ্ঞায়_ইরানি_পররাষ্ট্রমন্ত্রীর_সম্মান_ও_অবস্থান_বেড়েছে_হিজবুল্লাহ_মহাসচিব
লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ’র মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফের অবস্থান ও মর্যাদা আগের চেয়ে বেড়েছে। গতকাল (বুধবার) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফের কাছে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
আগস্ট ১৫, ২০১৯ ০৪:১২ Asia/Dhaka
  • জারিফ (বামে) ও নাসরুল্লাহ (ডানে)
    জারিফ (বামে) ও নাসরুল্লাহ (ডানে)

লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ’র মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফের অবস্থান ও মর্যাদা আগের চেয়ে বেড়েছে। গতকাল (বুধবার) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফের কাছে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওই বার্তায় হাসান নাসরুল্লাহ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়ে বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জারিফের সম্মান ও মর্যাদা বেড়েছে এবং তিনি আরো বেশি শক্তি নিয়ে বিশ্বের নির্যাতিতদের পাশে থাকবেন।

জারিফকে লেখা বার্তায় হাসান নাসরুল্লাহ বলেছেন, “মার্কিন শাসকগোষ্ঠী যখন আপনার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং আপনাকে সম্মানিতদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে তখনি আমরা আপনার প্রতি সংহতি ও সম্মান জানিয়ে বার্তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু আমি এই বার্তা দেওয়ার জন্য ১৪ আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করেছি। কারণ এ দিনেই লেবাননের প্রতিরোধ যোদ্ধারা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পরিপূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতায় আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরাইলকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়।"

লেবাননের হিজবুল্লাহ মহাসচিব বলেন, ওই অন্যায় যুদ্ধের পরিকল্পনাকারী এবং সিদ্ধান্তগ্রহণকারী ছিল আমেরিকা। ইসরাইলি সেনারা কেবল ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তখন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মার্কিন প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করছিলেন জন বোল্টন। তিনি আরব বিশ্বের একজন আরব কর্মকর্তাকে তখন বলেছিলেন, এই যুদ্ধে কূটনৈতিক তৎপরতার কোন স্থান নেই, কারণ এই যুদ্ধ হিজবুল্লাহর ধ্বংস বা আত্মসমর্পণ ছাড়া আর কোনোভাবেই শেষ হবে না, কিন্তু এর কয়েক সপ্তাহ পরই বোল্টন ওই আরব কর্মকর্তাকে বলেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে।

সে সময় ওই আরব কর্মকর্তা বলেছিলেন, আপনারা কি হিজবুল্লাহকে ধ্বংস করে দিয়েছেন? উত্তরে বোল্টন বলেছিলেন, না। আরব কর্মকর্তা আবারও প্রশ্ন করেন, আপনারা কি হিজবুল্লাহকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করেছেন? বোল্টন উত্তরে বলেন, না। আরব কর্মকর্তা জানতে চান, তাহলে আপনারা কেন যুদ্ধের ইতি টানছেন? এর জবাবে বোল্টন বলেছিলেন, এর কারণ হলো যদি যুদ্ধ অব্যাহত থাকে তাহলে ইসরাইলের জন্য মহা বিপর্যয় নেমে আসবে।

হিজবুল্লাহ মহাসচিব ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে আরো লিখেছেন, এই হচ্ছে জন বোল্টন যিনি এখন ইরানের ইসলামী ব্যবস্থার পতন ঘটানোর কথা বলছেন, কিন্তু তিনি তার জীবনে কোনো বিজয় ও সাফল্য অর্জন করতে পারেন নি।

আন্তর্জাতিক সব মহলে প্রকৃত সত্য ফাঁস করে ন্যায়ের কথা বলার জন্য ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান লেবাননের হিজবুল্লাহ মহাসচিব।#

পার্সটুডে/এসএ/১৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।