তুরস্কে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়াল: চলছে ৪ দিনের কারফিউ
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i79321-তুরস্কে_করোনা_আক্রান্তের_সংখ্যা_এক_লাখ_ছাড়াল_চলছে_৪_দিনের_কারফিউ
তুরস্কে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আরও তিন হাজার ১১৬ ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশটিতে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এক লাখ এক হাজার ৭৯০ জনে পৌঁছল। এছাড়া, নতুন করে ১১৫ জন মারা যাওয়ায় দেশটিতে মোট মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ৪৯১ জনের।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
এপ্রিল ২৩, ২০২০ ২০:১০ Asia/Dhaka
  • তুরস্কে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়াল: চলছে ৪ দিনের কারফিউ

তুরস্কে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আরও তিন হাজার ১১৬ ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশটিতে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এক লাখ এক হাজার ৭৯০ জনে পৌঁছল। এছাড়া, নতুন করে ১১৫ জন মারা যাওয়ায় দেশটিতে মোট মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ৪৯১ জনের।

তুরস্কের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহরেত্তিন কোকা আজ (বৃহস্পতিবার) এক টুইটার বার্তায় এসব তথ্য জানান। তিনি আরও জানান, গত ১০ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর থেকে এ পর্যন্ত ৭ লাখ ৯১ হাজার ৯০৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বর্তমানে ৮৯ হাজার ৮০৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে এক হাজার ৮১৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আক্রান্তদের মধ্য থেকে ১৮ হাজার ৪৯১ জন সুস্থ হয়েছেন বলে ফাহরেত্তিন কোকা জানান।

তুরস্কের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহরেত্তিন

তুরস্কে গত ১০ মার্চ প্রথম এক করোনা রোগী শনাক্ত হন। এর প্রায় এক মাস পর অর্থাৎ ৮ এপ্রিল আক্রান্ত হন চার হাজার ১১৭ জন। ১১ এপ্রিল শনাক্ত হন ৫ হাজার ১৩৮ জন। এর পর আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমলেও প্রায় প্রতিদিনই অন্তত চার হাজার মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছিলেন। গত দুদিন ধরে আক্রান্তের সংখ্যা তিন হাজারে দাঁড়িয়েছে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক থেকে তুরস্কের অবস্থান বিশ্বে সপ্তম।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর অংশ হিসেবে আজ (বৃস্পতিবার) তুরস্কের ইস্তাম্বুলসহ প্রধান ৩১টি নগরীতে চারদিনের কারফিউ শুরু হয়েছে। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান সোমবার জাতির উদ্দেশে দেয়া টেলিভিশন ভাষণে ২৩ থেকে ২৬ এপ্রিল ৩১টি নগরীতে কারফিউ বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন।

রজব তাইয়্যেব এরদোগান ৪ দিনের কারফিউ ঘোষণা করেন

এর আগে গত ১০ এপ্রিল তুরস্কের ৩১ প্রদেশে ৪৮ ঘণ্টার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি, ২০ বছরের কম ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সী সব নাগরিকদের বাধ্যতামূলকভাবে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। আর অন্যরা সবাই বাইরে যেতে পারছেন। তবে, ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করা হয়েছে। রেস্তোরাগুলোতে কেবল ‘হোম ডেলিভারি’ চালু করা হয়েছে। সীমিত সময়ের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থাও চালু রাখা হয়েছে।

আংশিক লকডাউন করোনা মহামারির অর্থনৈতিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে বলে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ মনে করছেন।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।