রুশ নাগরিকদের ভিসা না দিতে কিয়েভের আবেদনে ইউরোপের 'না'
https://parstoday.ir/bn/news/world-i112296-রুশ_নাগরিকদের_ভিসা_না_দিতে_কিয়েভের_আবেদনে_ইউরোপের_'না'
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কর্মকর্তা রুশ নাগরিকদের ভিসা না দেয়ার ব্যাপারে কিয়েভের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
আগস্ট ২৩, ২০২২ ১৩:২৭ Asia/Dhaka

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কর্মকর্তা রুশ নাগরিকদের ভিসা না দেয়ার ব্যাপারে কিয়েভের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে।

জোসেফ বোরেল ইউক্রেনের ওপর যুদ্ধের অজুহাতে কিয়েভের করা ওই আবেদনে সাড়া দেয় নি। বোরেল স্পষ্ট করেই বলেছেন: সকল রুশ নাগরিকের ওপর ভিসা-নিষেধাজ্ঞার ইউক্রেনীয় ধারণা সর্থনযোগ্য নয়।

যুদ্ধকে অজুহাত করে কিয়েভের কর্মকর্তারা চেষ্টা করছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোকে আগের তুলনায় আরও বেশি ক্ষেপিয়ে তুলতে। বিশেষ করে পশ্চিমাদের মাধ্যমে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও বেশি নিষেধাজ্ঞা চাপাতে।

জোসেফ বোরেল

ইউক্রেনে যুদ্ধের শুরু থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকা রাশিয়ার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজ বাস্তবায়ন করে আসছে। ওইসব নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য ছিল অর্থনৈতিকভাবে রাশিয়াকে পঙ্গু করে দেওয়া এবং দেশটির ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করা। মজার বিষয় হলো, পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর ওইসব নিষেধাজ্ঞার ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পশ্চিমারা অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি তেল সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। তারপরও পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে তাদের শত্রুতামূলক নীতি চালিয়ে যাচ্ছে। গত কয়েক সপ্তায় ইউক্রেনের কর্মকর্তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের আরও বেশি সমর্থন ও সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে।

এ সম্পর্কে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন: রুশ আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে পশ্চিমা সরকারগুলোর উচিত অন্তত এক বছরের জন্য সকল রুশ নাগরিকের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া। জেলেনস্কির সমর্থনে সেদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেমিত্রো কুলেবাও বলেছেন: পশ্চিমা সরকারগুলোর উচিত ইউক্রেনে হামলার প্রতিবাদে এক বছরের জন্য রুশ নাগরিকদের ইউরোপে প্রবেশের ভিসা দেওয়া বন্ধ করা। কুলেবা রাশিয়ার সকল নাগরিককে দোনবাসে সামরিক অভিযানের জন্য দায়ী করে ওই প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন রাশিয়ার সকল নাগরিক ইউক্রেনের ওপর আক্রমণকে সর্বতোভাবে সমর্থন করে। সুতরাং তাদেরকে আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা ইউরোপ সে ধরনের কোনো পদক্ষেপ নেবে না। কেননা সেরকম কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে রাশিয়ার পুরো জাতি আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওঠার সম্ভাবনাই বেশি।#

পার্সটুডে/এনএম/২৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।