ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন অস্ত্র সহযোগিতার চেয়ে বেশি কিছু হতে পারে: ফ্রান্স
https://parstoday.ir/bn/news/world-i135888-ইউক্রেনের_প্রতি_সমর্থন_অস্ত্র_সহযোগিতার_চেয়ে_বেশি_কিছু_হতে_পারে_ফ্রান্স
ফ্রান্সের সেনাপ্রধান জেনারেল থিয়েরি বার্খার্ড রাশিয়াকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, পাশ্চাত্য ইউক্রেনকে শুধুমাত্র অস্ত্র সরবরাহ করে বসে থাকবে এমনটি ভাবা মস্কোর উচিত হবে না। তিনি গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাজনৈতিক ইস্যুতে এই বিরল মন্তব্য করেছেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মার্চ ২২, ২০২৪ ১৫:৩৭ Asia/Dhaka
  • ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন অস্ত্র সহযোগিতার চেয়ে বেশি কিছু হতে পারে: ফ্রান্স

ফ্রান্সের সেনাপ্রধান জেনারেল থিয়েরি বার্খার্ড রাশিয়াকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, পাশ্চাত্য ইউক্রেনকে শুধুমাত্র অস্ত্র সরবরাহ করে বসে থাকবে এমনটি ভাবা মস্কোর উচিত হবে না। তিনি গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাজনৈতিক ইস্যুতে এই বিরল মন্তব্য করেছেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফরাসি সেনাপ্রধান বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ কেবল তখনই বন্ধ হবে যখন রাশিয়া হামলা বন্ধ করবে। জেনারেল বার্খার্ড বলেন, “ইউক্রেন যুদ্ধের পরিণতির সঙ্গে আমাদের স্বার্থ জড়িত বলেই আমরা এ যুদ্ধে জড়িয়েছি। কাজেই আগামী দশকে ইউরোপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো প্রয়োজনীয় ঝুঁকি নেয়ার সক্ষমতা ইউরোপীয়দের থাকতে হবে।”

এর আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন বলেছিলেন, “রাশিয়া যাতে ইউক্রেন যুদ্ধে কোনো অবস্থায় জয়লাভ করতে না পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে ফ্রান্স প্রস্তুত রয়েছে। এ সম্পর্কে জেনারেল বার্খার্ড বলেন, ম্যাকরন আসলে পুতিনকে একথা বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন যে, ইউক্রেনে কীরকম ঝুঁকি রয়েছে আমরা সে সম্পর্কে সচেতন।

চলতি মাসের গোড়ার দিকে ম্যাকরন বলেছিলেন, ইউক্রেনের প্রতি ফ্রান্সের সমর্থনের কোনো সীমা-পরিসীমা থাকবে না। তিনি ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর বিষয়টি নাকচ করে দিতেও অস্বীকৃতি জানান।

তার ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সাবেক রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছিলেন, “ফ্রান্সের জন্য রাশিয়ার পক্ষ থেকে আর কোনো রেডলাইন অবশিষ্ট নেই।”

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ইউক্রেনে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান চলছে। পূর্ব দিকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর বিস্তার বিশেষ করে ন্যাটোতে ইউক্রেনের অন্তর্ভুক্তি ঠেকাতে মূলত রাশিয়া ওই অভিযান শুরু করে। যুদ্ধ শুরুর পরপরই আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলো ইউক্রেনে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র সরবরাহ শুরু করে যা এখনও  চলছে।#

পার্সটুডে/এমএমআই/২২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।