মার্কিন অবিস্ফোরিত অত্যাধুনিক বোমার প্রযুক্তি এখন ইরানের হাতে: আল-মাসিরাহ
https://parstoday.ir/bn/news/world-i154824-মার্কিন_অবিস্ফোরিত_অত্যাধুনিক_বোমার_প্রযুক্তি_এখন_ইরানের_হাতে_আল_মাসিরাহ
পার্সটুডে- এই অঞ্চলের কিছু গণমাধ্যম সূত্র জানিয়েছে যে লেবাননের হিজবুল্লাহ ইরানকে আমেরিকান GBU-39B বোমার ছবি এবং অবিস্ফোরিত বোমা সরবরাহ করেছে আর ইরান তার কিছু হাইপারসনিক ফাতাহ ক্ষেপণাস্ত্রে এই প্রযুক্তির বোমা স্থাপন করতে চায়।
(last modified 2025-12-08T11:26:11+00:00 )
ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫ ১৭:২৬ Asia/Dhaka
  • • আমেরিকান GBU-39B বোমা
    • আমেরিকান GBU-39B বোমা

পার্সটুডে- এই অঞ্চলের কিছু গণমাধ্যম সূত্র জানিয়েছে যে লেবাননের হিজবুল্লাহ ইরানকে আমেরিকান GBU-39B বোমার ছবি এবং অবিস্ফোরিত বোমা সরবরাহ করেছে আর ইরান তার কিছু হাইপারসনিক ফাতাহ ক্ষেপণাস্ত্রে এই প্রযুক্তির বোমা স্থাপন করতে চায়।

ইয়েমেনি আনসারুল্লাহ আন্দোলনের সাথে যুক্ত আল-মাসিরাহ নেটওয়ার্ক সম্প্রতি রিপোর্ট করেছে: গত মাসে ইসরায়েল কর্তৃক লেবাননের হিজবুল্লাহর একজন সিনিয়র সদস্য হাইথাম আল-তাবাতাবাইয়ের ব্যর্থ হত্যা প্রচেষ্টা চালায় আমেরিকা। কিন্তু আমেরিকান ছোট ব্যাসের একটি GBU-39B স্মার্ট বোমা যা বিস্ফোরিত হয়নি, তার তাৎক্ষণিকভাবে ছবি তুলে সেটাকে নিষ্ক্রিয় করা হয় এবং এর গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ হিজবুল্লাহর নিরাপত্তা ইউনিট ইরানে পাঠায়। এই ঘটনা ওয়াশিংটনকে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ করেছে ‌এবং তারা লেবানন থেকে বোমার ধ্বংসাবশেষ ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছে!

গত জুনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি পারমাণবিক স্থাপনায় আক্রমণ চালায় এবং ১৩ টন ওজনের ভারী পাথর ভাঙা বোমা GBU-57 ব্যবহার করে, যা বোমার মা হিসেবে পরিচিত। এই বোমাগুলির মধ্যে একটি ব্যর্থ হয় এবং ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞদের হাতে পড়ে; এটি নিশ্চিত করা হয়েছে যে তেহরান ১৩ টনের এই বিশাল বোমার হুবহু তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। যদিও ইরান GBU-57 ভারী বোমার অনুরূপ বোমা তৈরি করেছে, কিন্তু তা ১৩ টনের ওজন ব্যবহারের মধ্যে সীমিত রেখেছে। তবে হিজবুল্লাহর পাঠানো প্রায় ১০০ কিলোগ্রাম ওজনের হালকা GBU-39B বোমা পাওয়া ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে আরো শক্তিশালী করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আল-মাসিরাহ আরও জানায়: ইরান তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওয়ারহেডে মার্কিন প্রযুক্তির এই হাল্কা বোমা স্থাপন করতে চায়। ইরানের সামরিক প্রকৌশলীরা ইতিমধ্যেই GBU-57 বোমার অনুরূপ একটি ওয়ারহেড ডিজাইন করতে সফল হয়েছেন, যা ফাতাহ হাইপারসনিক/ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে স্থাপন করা যেতে পারে এবং এর পাল্লা ১,৪০০ কিলোমিটার।

খোররামশাহর-৪ ক্ষেপণাস্ত্রে স্থাপনের জন্য আরও উন্নত সংস্করণের কাজও চলছে, যার পাল্লা ২০০০ কিলোমিটার; মাঠ পরীক্ষায় দেখা গেছে যে ইরানি ওয়ারহেড বর্তমানে কমপক্ষে ২০ মিটার রিইনফোর্সড কংক্রিট এবং ভূগর্ভস্থ দুর্গে প্রবেশ করতে পারে, যদিও মূল আমেরিকান সংস্করণটি ৬০ মিটার পর্যন্ত ভেদ করতে পারে।

উল্লেখ্য যে হারেৎজ সংবাদপত্র পূর্বে রিপোর্ট করেছিল যে ইরান নতুন প্রজন্মের বাঙ্কার-বাস্টিং ক্ষেপণাস্ত্রের প্রযুক্তি অর্জন করেছে যা রিইনফোর্সড কংক্রিটে ১০ মিটার পর্যন্ত ভেদ করতে পারে।#

পার্সটুডে/এমআরএইচ/৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।