ইরাক, ইস্তাম্বুল থেকে সোমালিয়া; যেন রক্তের হোলি খেলা
-
মিশরের গির্জায় বোমা হামলা
সন্ত্রাসবাদের যেন ‘সুনামি’ বয়ে গেল বিশ্বের ওপর দিয়ে। শনি ও রোববার এ ‘সুনামি’ যেমন আঘাত হেনেছে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে তেমনি আঘাত হেনেছে ইরাক, মিশর আর সোমালিয়ায়। নাইজেরিয়ার গির্জার ছাদ ধসে মারা গেছে দেড় শতাধিক বনি আদম।
সন্ত্রাসবাদের ভয়াবহ আঘাতে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের কাছে একটি স্টেডিয়ামে মারা গেছে কমপক্ষে ৩৮ জন এবং আহত হয়েছে ১৫০ জনের মতো। এর মধ্যে ৩০ জন পুলিশ ও ৮ জন বেসামরিক ব্যক্তি। কুর্দি গেরিলারা এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
এদিকে, মিশরের রাজধানী কায়রোর একটি কপ্টিক খ্রিস্টান গির্জায় বিস্ফোরণে অন্তত ২৫ জন নিহত ও ৪৯ জন আহত হয়েছে। তবে এ হামলার দায়িত্ব কেউ স্বীকার করে নি।
সোমালিয়ার প্রধান বন্দরের প্রবেশপথে ভয়াবহ এক বিস্ফোরণে ২৫ জন নিহত ও ৪৮ জন আহত হয়েছে। উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আশ-শাবাব হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। সন্ত্রাসবাদের ঢেউ আঘাত হেনেছে ইরাকের ফালুজা শহরেও। সেখানে উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশ বোমা চালিয়ে আটজনকে হত্যা করেছে।
অন্যদিকে, নাইজেরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আকওয়া ইবোম প্রদেশের উয়িও শহরে একটি গির্জার ছাদ ধসে পড়ে অন্তত ১৬০ ব্যক্তি নিহত হয়েছে। দেশটির হাসপাতাল সূত্র এ খবর নিশ্চিত করেছে। শনিবার একজন বিশপের অভিষেক অনুষ্ঠান চলার সময় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।#
পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/১১