সিপিইসি’র নিরাপত্তায় এবারে ক্ষেপণাস্ত্রবাহী রণতরী বানাচ্ছে পাকিস্তান
https://parstoday.ir/bn/news/world-i30136-সিপিইসি’র_নিরাপত্তায়_এবারে_ক্ষেপণাস্ত্রবাহী_রণতরী_বানাচ্ছে_পাকিস্তান
পাকিস্তান এই প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রবাহী রণতরী নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর বা সিপিইসি’র পানি পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনুষ্ঠানিক ভাবে এ যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ শুরু করা হয়েছে। গত মাসের ২৯ তারিখে ইস্পাত কাটার মধ্য দিয়ে এর সূচনা হয়েছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জানুয়ারি ০৫, ২০১৭ ০৯:০১ Asia/Dhaka
  • মহড়ায় অংশ নিয়েছে পাকিস্তানের আজমাত শ্রেণির রণতরী(ফাইল ছবি)
    মহড়ায় অংশ নিয়েছে পাকিস্তানের আজমাত শ্রেণির রণতরী(ফাইল ছবি)

পাকিস্তান এই প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রবাহী রণতরী নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর বা সিপিইসি’র পানি পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনুষ্ঠানিক ভাবে এ যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ শুরু করা হয়েছে। গত মাসের ২৯ তারিখে ইস্পাত কাটার মধ্য দিয়ে এর সূচনা হয়েছে।

এটি নির্মাণে ইসলামাবাদকে আজমাত-শ্রেণির জাহাজ প্রযুক্তি যুগিয়েছে বেইজিং। পাশাপাশি উন্নত অস্ত্রসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম  দেয়া হচ্ছে বলে পাক সেনাবাহিনীর জন সংযোগ পরিদফতর আইএসপিআর জানিয়েছে।

নির্মাণাধীন রণতরীর যে ছবি প্রকাশ করা হয়েছে তা থেকে বোঝা যাচ্ছে এটি প্রচলিত আজমাত শ্রেণির  যুদ্ধজাহাজের মতো হবে না। বরং এতে বড় মাপের অধিক ক্ষমতার ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে। প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ডিফেন্স নিউজ বলছে, এতে অনেকেই ধারণা করছেন,  জাহাজে সি-৬০২ ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে। ইসলামাবাদের জাহাজ বিধ্বংসী অত্যাধুনিক বৃহৎ ক্ষেপণাস্ত্র জার্বের সাংকেতিক নাম সি-৬০২। ২৮০ কিলোমিটার পাল্লার এ ক্ষেপণাস্ত্র ৩০০ কেজির ওয়ারহেড বা বোমা বহন করতে পারে। নির্মাণাধীন রণতরীতে এ ধরণের ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম সুনির্দিষ্ট ভাবে পরিচালনা যোগ্য বোমা নির্মাণাধীন রণতরীতে মোতায়েন করা হবে। আকাশ এবং ডাঙ্গার সম্ভাব্য শত্রুর বিরুদ্ধে এটি মোতায়েন করবে পাক নৌবাহিনী।  ডাঙ্গায় বা স্থলভাগে আক্রমণে ব্যবহৃত বোমার উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা নির্মাণের কাজ গত বছর অসম্পূর্ণ ছিল বলে জানিয়েছে ডিফেন্স নিউজ।#

পার্সটুডে/মূসা রেজা/৫