ব্রিটেনের নীতিতে নাটকীয় পরিবর্তন: বাশার আসাদে আপত্তি প্রত্যাহার
-
বরিস জনসন
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, সিরিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে পুনর্নির্বাচিত হতে দিতে তার দেশের আর কোনো আপত্তি থাকবে না। এর মাধ্যমে সিরিয়া সংকটের ব্যাপারে নিজের নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিল ব্রিটেন। ছয় বছর আগে সিরিয়ায় বিদেশি মদদে সহিংসতা শুরু হওয়ার পর থেকে লন্ডন বলে আসছিল, বাশার আল-আসাদকে অবশ্যই ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হবে।
বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দেয়া বক্তব্যে জনসন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের অর্থ হচ্ছে সিরিয়া বিষয়ে সব পক্ষকে তাদের নীতি সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আমেরিকা সফররত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র বৈঠকে আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনসন এসব কথা বলেন।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটিতে তিনি বলেন, “আমাদের দীর্ঘদিনের নীতি-অবস্থান ছিল বাশার আল-আসাদকে সরে যেতে হবে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় পরিস্থিতির পরিবর্তনকে মেনে নেয়ার মতো উদার দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের রয়েছে।”
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমন সময় এ বক্তব্য দিলেন যখন গত বছর জুলাইয়ে দায়িত্ব পাওয়ার পরও তিনি বলেছিলেন, বাশার আসাদকে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াতেই হবে।
কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার সেনাবাহিনীর হাতে দেশটির কৌশলগত নগরী আলেপ্পোর পতন, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রহ এবং মস্কোর সঙ্গে আঙ্কারার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক লন্ডনকে তার অবস্থানে নাটকীয় পরিবর্তন আনতে বাধ্য করেছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২৭