জাতিসংঘের বিবৃতি পছন্দ হয় নি মিয়ানমারের; সমস্যাকে দ্বিপক্ষীয় বললেন সু চি
https://parstoday.ir/bn/news/world-i48259-জাতিসংঘের_বিবৃতি_পছন্দ_হয়_নি_মিয়ানমারের_সমস্যাকে_দ্বিপক্ষীয়_বললেন_সু_চি
মিয়ানমার বলেছে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ যে বিবৃতি দিয়েছে, তারা তা দেখেছে। তারা মনে করছে, এ বিবৃতি বাংলাদেশের ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। গত সোমবার মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
নভেম্বর ০৮, ২০১৭ ১৪:১৩ Asia/Dhaka
  • অং সান সু চি
    অং সান সু চি

মিয়ানমার বলেছে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ যে বিবৃতি দিয়েছে, তারা তা দেখেছে। তারা মনে করছে, এ বিবৃতি বাংলাদেশের ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। গত সোমবার মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ

পরিষদের সভাপতির এক বিবৃতিতে রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর নৃশংস নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় আজ (বুধবার) মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সুচির দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির বিবৃতি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে চলমান আলোচনার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

সু চি তার বিবৃতিতে বলেছেন, সার্বভৌম রাষ্ট্রের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার’ বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে জোরালো অবস্থান নেওয়া রাষ্ট্রগুলোকে সাধুবাদ জানান তারা।

মিয়ানমারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার এখন বন্ধুত্বপূর্ণভাবে দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধান করতে পারে। সভাপতির বিবৃতিতে ওই বিষয়ের গুরুত্ব এড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে নির্ঝঞ্ঝাটে দ্রুতগতিতে যে আলোচনা চলছে, ওই বিবৃতিতে তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর বৈঠকে বসেছিলেন। তারা চুক্তিতে পৌঁছেছেন এবং দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাগজে সই করেছেন, যা ইতিবাচকভাবে দুই দেশের সীমান্ত নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলবে।"

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ ঘনিষ্ঠ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর মিয়ানমারে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তার ওই সফরে সন্তোষজনক চুক্তিতে পৌঁছানো যেতে পারে।

অবশ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, মিয়ানমার রোহিঙ্গা মুসলমানদের সমস্যা সমাধানে নানা কথা বললেও কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেয় নি। এখনও রাখাইনে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালানো হচ্ছে। এ কারণে সেখানকার মুসলমানরা জীবনের ঝুকি নিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছেন। এ অবস্থায়  মিয়ানমার সরকারের কোনো প্রতিশ্রুতির ওপর আস্থা রাখা ঠিক হবে না বলে তিনি জানান।#

পার্সটুডে/সোহেল আহম্মেদ/৮