‘দু’সপ্তাহের মধ্যে শুরু হতে পারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কার্যক্রম’
https://parstoday.ir/bn/news/world-i53445-দু’সপ্তাহের_মধ্যে_শুরু_হতে_পারে_রোহিঙ্গা_প্রত্যাবাসন_কার্যক্রম’
বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নেয়ার কার্যক্রম আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক মন্ত্রী ইউ উইন মিয়াত আই।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮ ০৯:১৫ Asia/Dhaka
  • মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যবর্তী \'নো ম্যানস ল্যান্ডে\' এক খাল পার হচ্ছেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা
    মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যবর্তী \'নো ম্যানস ল্যান্ডে\' এক খাল পার হচ্ছেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা

বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নেয়ার কার্যক্রম আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক মন্ত্রী ইউ উইন মিয়াত আই।

মন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে মিয়ানমার টাইমস জানিয়েছে, বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি ৮ হাজার ৩২ জন রোহিঙ্গার যে তালিকা মিয়ানমারকে দিয়েছে, তা যাচাই-বাছাই করতে দুসপ্তাহের মতো সময় লাগবে। এরপরই শুরু হতে পারে প্রত্যাবর্তন।

মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক মন্ত্রী ইউ উইন মিয়াত আই

ইউ উইন মিয়াত আই আরও বলেন, যাচাই-বাছাই শেষ হলে স্থল ও নৌরুটে প্রতিদিন ৩০০ শরণার্থীকে নিতে প্রস্তুত মিয়ানমার।

তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই করা তালিকা আমরা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করব এবং বাংলাদেশ সবুজ সংকেত দিলেই প্রত্যাবর্তন শুরু করা হবে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী

এ বিষয়ে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট অফিসের মুখপাত্র ইউ জ হতাই বলেন, “অভিবাসন-বিষয়ক কর্মকর্তারা এখন ৮ হাজারের বেশি শরণার্থী প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে যাচাই-বাছাই করছেন। যেসব শরণার্থীর সঙ্গে ডকুমেন্ট আছে, তাদের গ্রহণ করবে মিয়ানমার। যতটা দ্রুত সম্ভব এ বিষয়ে কাজ করছি আমরা।

মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় সফরকারের মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লে. জে. কিউ সির হাতে ৮ হাজার ৩২ জন রোহিঙ্গার তালিকা তুলে দেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

গত বছরের আগস্ট মাস থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসতে শুরু করে। বান্দরবান ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা ১০ লাখেরও বেশি। কক্সবাজারের উখিয়া ও বালুখালীতে দুইটি আশ্রয়কেন্দ্রে বাস করছে এসব রোহিঙ্গা।# 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৩