সৌরমণ্ডলের বাইরে খোঁজ মিলল পৃথিবীর দুই দোসর: হয়ত জীবন আছে
https://parstoday.ir/bn/news/world-i59693-সৌরমণ্ডলের_বাইরে_খোঁজ_মিলল_পৃথিবীর_দুই_দোসর_হয়ত_জীবন_আছে
সৌরজগতের বাইরে দু'টি গ্রহের খোঁজ পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এ দুই গ্রহের সঙ্গে সৌরজগতের নিল গ্রহ পৃথিবীর অনেক মিল রয়েছে। এখানে থাকতে পারে বহির্জাগিতক প্রাণের অস্তিত্ব। এক্সোপ্ল্যানেট বা বহির্জাগিতক এই দুই গ্রহের একটি ৫০০ এবং অপরটি ১২০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুন ২৯, ২০১৮ ১৫:২৩ Asia/Dhaka
  • কেপলার১৮৬ এফ এবং কেপলার ৬২এফ
    কেপলার১৮৬ এফ এবং কেপলার ৬২এফ

সৌরজগতের বাইরে দু'টি গ্রহের খোঁজ পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এ দুই গ্রহের সঙ্গে সৌরজগতের নিল গ্রহ পৃথিবীর অনেক মিল রয়েছে। এখানে থাকতে পারে বহির্জাগিতক প্রাণের অস্তিত্ব। এক্সোপ্ল্যানেট বা বহির্জাগিতক এই দুই গ্রহের একটি ৫০০ এবং অপরটি ১২০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।

৫০০ আলোকবর্ষ দূরের গ্রহকে কেপলার-১৮৬এফ নামে চিহ্নিত করা হয়েছে। মহাজগতের যে অঞ্চলে জীবনের সম্ভাবনা রয়েছে সে অঞ্চলে এর অবস্থান। পৃথিবীর কাছাকাছি আকারের বহির্জাগতিক গ্রহ হিসেবে প্রথম চিহ্নিত হয়েছিল এই কেপলার-১৮৬এফ। একটি নক্ষত্রের চারপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে এটি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির চালানো নতুন গবেষণা সমীক্ষায় উঠে এসেছে ১২০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত কেপলার-৬২এফ গ্রহ  সম্পর্কে নতুন তথ্য। পৃথিবীর থেকে আকারে বড় এ গ্রহের সঙ্গে  খোদ পৃথিবীর বহু মিল খুঁজে পাওয়া গেছে। অক্ষের চারপাশে ঘুরপাক খাওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখেছে জর্জিয়া ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি। অক্ষের দিকে ঝুঁকে থাকা এবং ঘুরপাক খাওয়ার সঙ্গে গ্রহের জলবায়ু এবং ঋতু পরিবর্তনের সম্পর্ক আছে। কতোটা সূর্যালোক গ্রহে পৌঁছে তাও নির্ভর করে এর উপর। 

এ সমীক্ষায় সিমুলেশন নামে পরিচিত কৃত্রিম পরিস্থিতি এবং পরিবেশ কম্পিউটারের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।  এর ভিত্তিতে গবেষকরা বলছেন, কেপলার-১৮৬এফ খুবই স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বহির্জাগতিক গ্রহের সঙ্গে মিল রয়েছে পৃথিবীর। পৃথিবীর মতই স্থিতিশীল জলবায়ু এবং ঋতু এতে রয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, পৃথিবীর চেয়ে বড় বহির্জাগিতক গ্রহ কেপলার-৬২এফ সম্পর্কও একই কথা খাটে বলে মনে করছেন গবেষকরা।  

পার্সটুডে/মূসা রেজা/২৯