মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেও ‘নির্বোধ এবং বিপজ্জনক’: উত্তর কোরিয়া
https://parstoday.ir/bn/news/world-i70031-মার্কিন_পররাষ্ট্রমন্ত্রী_পম্পেও_নির্বোধ_এবং_বিপজ্জনক’_উত্তর_কোরিয়া
উত্তর কোরিয়ার উপ পরাষ্ট্রমন্ত্রী চোয়ে সন হুই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’কে ‘নির্বোধ ও বিপজ্জনক’ ব্যক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। একইসঙ্গে তিনি পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের নীতিতে পরিবর্তন না আনলে যেকোনো ‘অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি’র জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী থাকতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
(last modified 2026-02-17T13:30:44+00:00 )
মে ০২, ২০১৯ ০৬:২৭ Asia/Dhaka
  • সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন উত্তর কোরিয়ার উপ পরাষ্ট্রমন্ত্রী চোয়ে সন হুই
    সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন উত্তর কোরিয়ার উপ পরাষ্ট্রমন্ত্রী চোয়ে সন হুই

উত্তর কোরিয়ার উপ পরাষ্ট্রমন্ত্রী চোয়ে সন হুই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’কে ‘নির্বোধ ও বিপজ্জনক’ ব্যক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। একইসঙ্গে তিনি পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের নীতিতে পরিবর্তন না আনলে যেকোনো ‘অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি’র জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী থাকতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

মাইক পম্পেও গত সপ্তাহে সিবিএস নিউজ নেটওয়ার্ককে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে হুমকি দিয়ে বলেন, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন তার দেশের পরমাণু অস্ত্র ধ্বংস করার ব্যাপারে আলোচনা করতে না চাইলে মার্কিন সরকার তার নীতি পরিবর্তন করবে।

এর প্রতিক্রিয়ায় পম্পেওর তীব্র সমালোচনা করে চোয়ে সন হুই বলেন, সামরিক উপায়ে উত্তর কোরিয়ার শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের যে হুমকি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিচ্ছেন তা ‘নির্বুদ্ধিতা ও বিপজ্জনক’ চিন্তাধারার পরিচায়ক।  

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও

উত্তর কোরিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারে আমাদের নীতি অপরিবর্তিত রয়েছে এবং উপযুক্ত সময়ে আমরা তা করব।  তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আমেরিকা যখন তার বর্তমান নীতিতে পরিবর্তন আনবে তখনই কেবল তা সম্ভব হবে।  চোয়ে সন হুই বলেন, আমেরিকা যদি চলতি বছরের শেষ নাগাদ তার নীতিতে পরিবর্তন না আনে তাহলে তাকে ‘অপ্রত্যাশিত পরিণতি’র মুখোমুখি হতে হবে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের হ্যানয় শীর্ষ বৈঠক ভেঙে যায়। কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার বিষয়ে ঐক্যমত্য না হওয়ায় ওই আলোচনা ভেঙে যায়।

বৈঠক শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিযোগ করেন, আলোচনায় উত্তর কোরিয়া পর্যায়ক্রমিক পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিনিময়ে এক দফায় সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার দাবি জানাচ্ছে যা ওয়াশিংটনের পক্ষে সম্ভব নয়। অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সে সময় বলেন, তার দেশ পর্যায়ক্রমিক নিরস্ত্রীকরণের বিনিময়ে পর্যায়ক্রমিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়েছে। তিনি আলোচনা ভেঙে যাওয়ার জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করেন।#

পার্সটুডে/ মো.মুজাহিদুল ইসলাম/২