শ্রীলঙ্কার চিলো শহরে মসজিদ ও দোকানপাটে হামলা; মুসলমানরা আতঙ্কে
https://parstoday.ir/bn/news/world-i70340-শ্রীলঙ্কার_চিলো_শহরে_মসজিদ_ও_দোকানপাটে_হামলা_মুসলমানরা_আতঙ্কে
শ্রীলঙ্কার পশ্চিমাঞ্চলীয় চিলো শহরের মসজিদ ও দোকানপাটে হামলা হয়েছে। পুলিশের মুখপাত্র রুয়ান গুনাসেকেরা বলেছেন, গতকাল (সোমবার) শহরের মসজিদ ও মুসলমানদের দোকানপাটে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে মসজিদের বেশ ক্ষতি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ সকাল পর্যন্ত সেখানে কারফিউ জারি ছিল।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
মে ১৩, ২০১৯ ১১:৩৮ Asia/Dhaka
  • শ্রীলঙ্কার পুলিশ
    শ্রীলঙ্কার পুলিশ

শ্রীলঙ্কার পশ্চিমাঞ্চলীয় চিলো শহরের মসজিদ ও দোকানপাটে হামলা হয়েছে। পুলিশের মুখপাত্র রুয়ান গুনাসেকেরা বলেছেন, গতকাল (সোমবার) শহরের মসজিদ ও মুসলমানদের দোকানপাটে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে মসজিদের বেশ ক্ষতি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ সকাল পর্যন্ত সেখানে কারফিউ জারি ছিল।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী কিছু মানুষ দেশটির সেখানকার মসজিদ ও মুসলমানদের দোকানপাটে হামলা চালায়। এতে অন্তত একজন মুসলমান আহত হয়েছে।

ওই ঘটনার পর সেখানে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপের মতো জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফেইসবুকে একটি পোস্টকে কেন্দ্র করেই সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে বলে কেউ কেউ জানিয়েছে।

শ্রীলঙ্কার মুসলিম কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইস্টার সানডেতে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকেই সেদেশে মুসলমানদের ওপর হামলা বেড়ে গেছে। এ পর্যন্ত হামলায় মুসলমানদের অসংখ্য বাড়িঘর, মসজিদ ও দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মুসলমানরা এখন আতঙ্কের মধ্যে বাস করছেন বলে তারা জানিয়েছেন।

গত ২১ এপ্রিল ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার কলম্বো ও নেগম্বোর বেশ কয়েকটি হোটেল ও গির্জায় সিরিজ বোমা হামলা চালায় এক নারীসহ নয়জন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী। এতে ২৫৩ জন নিহত হন।

সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) ওই হামলার দায় স্বীকার করলেও শ্রীলঙ্কা সরকার স্থানীয় ইসলামী সংগঠন ন্যাশনাল তৌহিদ জামাতকেই (এনটিজে) দায়ী করছে। শ্রীলঙ্কা সরকার এ ঘটনার পর এনটিজেকে নিষিদ্ধ করেছে এবং এর শতাধিক লোককে গ্রেপ্তার করেছে।#

পার্সটুডে/১৩