শেখ হাসিনা না থাকলে এই দেশ আবার পাকিস্তান হতো
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৫ অক্টোবর বুধবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকের বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশ:
- অস্ত্রোপচার শেষে নিবিড় পরিচর্যায় খাদিজা
- শেখ হাসিনা না থাকলে এই দেশ আবার পাকিস্তান হতো
- পাকিস্তানকে এড়িয়ে 'সার্ক-টু' করতে চায় নয়াদিল্লি
- বিএনপি বিষধর সাপ : হাছান মাহমুদ
- খালেদা জিয়া কি আসল নকল চিনতে পেরেছেন: গয়েশ্বর
- ফের জীবিত নবজাতককে মৃত ঘোষণায় তোলপাড়
- পিইসি-জেএসসি পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধ রাখার সুপারিশ
- বিদেশে বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশির সংখ্যা বাড়ছে
- মার্কিন সেনা হত্যার পরিকল্পনায় অভিযুক্ত বাংলাদেশি
- বিএসএফের প্রস্তাবে বিজিবির সম্মতি: সীমান্তে দেড় শ গজের মধ্যে বেড়া দেবে ভারত
ভারত:
- ভাঁড়ে টান, সিপিএমের হাতে ফের চাঁদার রসিদ
- আক্রান্ত হলে ভারতের পক্ষে থাকবে বাংলাদেশ
- সীমান্ত অগ্নিগর্ভ, জবাব দিতে আমরা তৈরি: বায়ুসেনা প্রধান
- ভারত-পাক ইস্যুতে আলোচনা নয়, পাক দাবি খারিজ রাশিয়ার
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
অস্ত্রোপচার শেষে নিবিড় পরিচর্যায় খাদিজা-দৈনিক যুগান্তর

সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে শাবি ছাত্রলীগ নেতার চাপাতির আঘাতে গুরুতর আহত খাদিজা আক্তার নার্গিসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে খাদিজাকে বাঁচানোর সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে এ অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয় বলে জানান তার চাচা আব্দুল কুদ্দুস। অস্ত্রোপচার শেষে তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।
স্কয়ার হাসপাতালের নিউরো সার্জন ডা. রেজাউস সাত্তারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল খাদিজার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করেন। এদিকে হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খাদিজার শারীরিক অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। তাকে বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। অস্ত্রোপচার করা হয়েছে, তবে ৭২ ঘন্টা পর্যবেক্ষণের পরই এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে।
শেখ হাসিনা না থাকলে এই দেশ আবার পাকিস্তান হতো-দৈনিক ইত্তেফাক
নারী-পুরষের সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘প্লানেট ফিফটি ফিফটি চ্যাম্পিয়ন’ এবং ‘এজেন্ট অব চেইঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ প্রাপ্তির মাধ্যমে দেশ ও জাতির জন্য বিরল সম্মান অর্জন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে জাতীয় সংসদ। গতকাল মঙ্গলবার সংসদে মাগরিবের বিরতির পর আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধি অনুযায়ী ধন্যবাদ প্রস্তাবটি আনলে এর ওপর বিশেষ আলোচনা শেষে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এসময় সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান। উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী এ দুটি পুরস্কার পান।
ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বলেছেন, শেখ হাসিনা না থাকলে বাংলাদেশ আবার পাকিস্তান হয়ে যেত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত মোকাবিলা করে দেশকে উন্নয়ন-অগ্রগতির মহাসড়কে তুলে এনে অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। তিনি হচ্ছেন একজন দুঃসাহসী অভিযানের সফল নেত্রী। নিজের যোগ্যতা, সাহসিকতা, দূরদৃষ্টি ও প্রাজ্ঞতায় দেশের গন্ডি পেরিয়ে শেখ হাসিনা আজ বিশ্বনেতায় পরিণত হয়েছেন। সারাবিশ্বের সামনে বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। তাই দেশের ১৬ কোটি মানুষের গর্ব ও একমাত্র ঠিকানা হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। দেশের জন্য তিনি হচ্ছেন আশীর্বাদ।
মার্কিন সেনা হত্যার পরিকল্পনায় অভিযুক্ত বাংলাদেশি- দৈনিক মানবজমিন
আইএসকে সমর্থন ও এক সেনা সদস্যকে হত্যা পরিকল্পনায় জড়িত থাকার দায়ে যুক্তরাষ্ট্রে এক বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। মেরিল্যান্ডের হায়াতসভিলে বসবাসকারী ২৪ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম নীলাশ মোহাম্মেদ দাস। শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে হাজির করা হয়েছিল সোমবার। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে আবারও শুনানির কথা রয়েছে। সে পর্যন্ত তাকে আটক রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এফবিআইয়ের এক এজেন্টের পাতা ফাঁদে পা দেয় সে। ওই এজেন্টকে জানায়, সে মার্কিন সেনা সদস্যকে হত্যা করতে চায়। এক্ষেত্রে কবে, কোথায় ওই সেনা সদস্যের ওপর হামলা চালানো যাবে সে তথ্য দেয় ওই এজেন্ট। নীলাশ গুলি ভর্তি অস্ত্র নিয়ে সেখানে গেলে তাকে আটক করা হয়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ওয়াশিংটন পোস্ট, বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
পাকিস্তানকে এড়িয়ে 'সার্ক-টু' করতে চায় নয়াদিল্লি- দৈনিক মানবজমিন

সার্ক-টু! শুনতে বিস্ময়কর লাগলেও উরি-পরবর্তী কূটনীতিতে এই 'মেকানিজম'কেই আগামী মাসে বাস্তব চেহারা দিতে চাইছে ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই তৈরি হয়েছিল সার্ক। কিন্তু পাকিস্তানের কারণে সেই সহযোগিতা ভেস্তে যেতে বসেছে। ইসলামাবাদে সার্ক সম্মেলন ভণ্ডুল হয়ে গিয়েছে এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে। আয়োজক দেশ পাকিস্তান ছাড়া জোটের বাকি সাতটি দেশই সন্ত্রাস প্রশ্নে ইসলামাবাদের দিকে আঙুল তুলে বয়কট করছে সম্মেলন। সন্দেহ নেই, এই গোটা বয়কট-পর্বের পেছনে রয়েছে ভারতের প্রত্যক্ষ কূটনীতি।
ফের জীবিত নবজাতককে মৃত ঘোষণায় তোলপাড়- দৈনিক যায়যায়দিন

চট্টগ্রামে খোদ এক চিকিৎসক দম্পতির জীবিত নবজাতককে মৃত্যু সনদ দিয়ে হাসপাতাল থেকে ফেরত পাঠানোর ঘটনায় তোলপাড় চলছে। মঙ্গলবার নগরীর বেসরকারি সিএসসিআর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটেছে।
মৃত্যু সনদ দিয়ে ফেরত পাঠানো ওই নবজাতক জীবিত আছে। তাকে ম্যাক্স নামে আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই নবজাতক ম্যাক্স হাসপাতালের এনআইসিইউতে পর্যবেক্ষেণে ছিল।
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. নুরুল আজমের স্ত্রী বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডেন্টাল সার্জন ডা. রিদওয়ানা কাউসার দম্পতির নবজাতককে নিয়ে এমন নির্মম ঘটনাটি ঘটেছে। ফরিদপুরে জীবিত নবজাতককে মৃত ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ওঠা আলোচনা-সমালোচনার রেশ না কাটতেই চট্টগ্রামেও একই ঘটনা ঘটল।
বিএসএফের প্রস্তাবে বিজিবির সম্মতি: সীমান্তে দেড় শ গজের মধ্যে বেড়া দেবে ভারত- দৈনিক প্রথম আলো
সীমান্তের শূন্য রেখা থেকে দেড় শ গজের মধ্যে বেড়া দেওয়ার বিষয়ে ভারতের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ৪৩তম সম্মেলনে ভারতের পক্ষে এ সহযোগিতা চায় বিএসএফ।
সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিজিবি-বিএসএফ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যাবতীয় সীমান্ত সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। সীমান্তে চোরাচালান, তা রুখতে গুলি চালনা, সেই নিয়ে বিতর্ক এই দুই দেশের নিত্যসীমান্ত সমস্যা। সীমান্ত অপরাধ ও হত্যা কীভাবে কমানো যায়, প্রতি বৈঠকে সেটাই থাকে মূল বিষয়। এবারের বৈঠকে সীমান্তে ‘সিঙ্গেল রো ফেন্স’ বসানো নিয়ে। সাধারণত আন্তর্জাতিক সীমান্তের শূন্য রেখা থেকে ১৫০ গজের মধ্যে যেকোনো স্থাপনা তৈরি নিষিদ্ধ। কিন্তু বিএসএফ সেই সুযোগ চেয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নিজের দিকে ১৫০ গজের মধ্যে এক স্তরের কাঁটাতারের বেড়া (সিঙ্গেল ফেন্সিং) দেবে বিএসএফ।
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বাছাই করা কয়েকটি খবর
ভারত-পাক ইস্যুতে আলোচনা নয়, পাক দাবি খারিজ রাশিয়ার- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

নিরাপত্তা পরিষদে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলতি উত্তেজনা নিয়ে কোনও আলোচনা হচ্ছে না বলে সাফ জানালেন রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার দূত ভিতালি চুরকিন৷ উল্লেখ্য, রোটেশন পতিতে অক্টোবর মাসে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি হচ্ছে রাশিয়া৷ সেই সূত্রে চুরকিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বারবার জানান, “না, না, দুঃখিত৷ এখন নয়৷ কিছুতেই নয়৷ আমরা ওই আলোচনাতেই যাচ্ছি না৷” সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, কাশ্মীর এবং ভারত-পাক উত্তেজনা নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা চাইছে পাকিস্তান৷ কারণ ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রতিবাদে রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ দাবি করছে পাকিস্তান৷ তাই পাকিস্তানের দাবি মেনে কোনও প্রস্তাব আনা হচ্ছে বা আলোচনা হচ্ছে কি না? জবাবে পাকিস্তানের দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে রুশ দূত চুরকিন ওই কথাগুলি বলেন৷
আক্রান্ত হলে ভারতের পক্ষে থাকবে বাংলাদেশ- দৈনিক আজকাল

কাশ্মীরে উরি, বরামুল্লায় জঙ্গি হামলার পর দুদেশের উত্তেজনার মধ্যে স্পষ্ট ও সরাসরিভাবে হাসিনা সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বললেন, আক্রান্ত হলে ভারতের পক্ষে থাকবে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার ঢাকায় সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমেরিকা, কানাডা সফর করে ফেরার পর গত ২ অক্টোবর ঢাকায় সাংবাদিক সম্মেলনেও উঠেছিল কাশ্মীর সীমান্তে ভারত- পাক সামরিক উত্তেজনার বিষয়টি। হাসিনা বলেছিলেন,বিষয়টি দুদেশের হলেও, সংঘাত ঘটলে বাংলাদেশ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন। ইসলামাবাদে যে সার্ক সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল, ভারতের পর বাংলাদেশও তা বয়কট করায় হাসিনাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এরপর কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করবে বাংলাদেশ? এর জবাবে শেখ হাসিনা খোঁচা দিয়েছিলেন বিএনপি-জামাতকে। হাসিনা বলেছিলেন, আগে বাংলাদেশে যারা পাকিস্তানের বন্ধু ,তাদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করি! ১৯৭১এ যারা পাকবাহিনীকে মদত দিয়েছিল, গণহত্যা, গণধর্ষণ করেছিল, সেই ঘাতকদের যারা মন্ত্রী বানিয়েছিল, তাদের সঙ্গে আগে সম্পর্কচ্ছেদ করি! এরপরই হাসিনা বলেছিলেন, পাকিস্তান ১৯৭১এর পরাজিত শক্তি। পাকিস্তানের সঙ্গে নরমে গরমে চলবে বাংলাদেশ।
ভাঁড়ে টান, সিপিএমের হাতে ফের চাঁদার রসিদ- দৈনিক আনন্দবাজার

রাজ্যপাট গিয়েছে। খাজনাতেও টান। সাড়ে তিন দশকের দোর্দণ্ডপ্রতাপ শাসক দলকে এখন তাই আবার দুয়ারে দুয়ারে ফিরতে হচ্ছে চাঁদার রসিদ হাতে!
দলের মোট তহবিলের যা লক্ষ্যমাত্রা, তার ৭০%-ই এখন থেকে পাড়ায় পাড়ায়, বাড়ি বাড়ি গিয়ে আদায় করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে সিপিএমের রাজ্য প্লেনামে। গণসংগ্রহ থেকে যে ৭০% তহবিল আসবে, তার বাইরের ৩০% জোগাড় করতে হবে দলীয় সদস্যদের লেভি থেকে। ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার পরে আয়ের উৎস যখন শুকিয়ে গিয়েছে, সেই সময়ে পুরনো পথেই আবার ফিরতে চাইছে আলিমুদ্দিন। লেভি বাকি রাখলে সদস্যপদ বাতিলের কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে, বাড়ি বাড়ি চাঁদা নিতে যাওয়ার কথাও বলতে হচ্ছে।
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/৫