নিউইয়র্কে প্রধান বিচারপতি: বাংলাদেশে আর সামরিক শাসন আসবে না
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৮ অক্টোবর মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকের বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশ:
- দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের সাফল্য অভাবনীয়: কিম
- কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের উন্নয়নের গতি থামাতে পারবে না: নাসিম
- সংবাদ সম্মেলনে টিআই চেয়ারপারসন: আস্থা ফেরাতে বড় দুর্নীতিবাজদের ধরতে হবে
- নিউইয়র্কে প্রধান বিচারপতি: বাংলাদেশে আর সামরিক শাসন আসবে না
- আওয়ামী লীগের সম্মেলনে খাবার থাকবে মোরগ পোলাও, কাচ্চি
- অর্থ পাচার মামলায় তারেকের সাজার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
- শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন আজ
- জিরো পয়েন্টে বিজিবি ও বিএসএফ’র ব্যান্ড শো
- মুসলমানদের টার্গেট করছে মিয়ানমার সৈন্যরা
- শেরপুরে বন্যহাতির আক্রমণে বৃদ্ধ নিহত
- নদীর পলি বেচবে বাংলাদেশ!
ভারত:
- চীনের বাধায় আটকে গেল সন্ত্রাসের মদতদাতা হিসাবে পাকিস্তানকে চিহ্নিত করার মরিয়া প্রয়াস, ক্ষুব্ধ ভারত
- ভারতে চিনা দ্রব্য নিষিদ্ধ হোক, দাবি রামদেবের
- জাতীয় সড়কে যুদ্ধবিমান নামানোর প্রস্তুতি ভারতের, চিহ্নিত হয়েছে ২২ এলাকা
- দমকল আসার আগেই পুড়ে ছাই ১০টি ঘর
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের সাফল্য অভাবনীয়: কিম- দৈনিক যায়যায়দিন

বাংলাদেশের জন্য ঋণ সহায়তা ৫০ শতাংশ বাড়ানোর পাশাপাশি অপুষ্টি দূর করতে বাড়তি এক বিলিয়ন ডলার দেয়ার আশ্বাস দিয়ে ঢাকা সফররত বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বলেছেন, দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। সেটি সেলিব্রেট করতেই তিনি বাংলাদেশে এসেছেন। দারিদ্র্য বিমোচনের সাফল্যের জন্যই এবার 'বিশ্ব দারিদ্র্যমুক্ত' দিবস বাংলাদেশে পালন করছেন।
সোমবার সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে কিমের এই ঘোষণা আসে।
তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক বিভিন্ন দেশে ঋণ সহায়তা ৫০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার অংশ হিসেবে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশে বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ সহায়তাও ৫০ শতাংশ বাড়ানো হবে। এর বাইরে শিশু অপুষ্টি দূর করতে বাংলাদেশকে আগামী দুই বছরে বাড়তি এক বিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের উন্নয়নের গতি থামাতে পারবে না: নাসিম- দৈনিক ইত্তেফাক

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, কোনো ষড়যন্ত্রই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান দেশের উন্নয়নের গতি থামাতে পারবে না। উন্নয়নের ফসল ভোগ করছে দেশের মানুষ। আর আগামী জাতীয় নির্বাচনেও জনগণের রায়ে আওয়ামী লীগই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে। বর্তমান সরকার ও জনগণের মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক তারই ঈঙ্গিত বহন করে।
সোমবার রাজধানীর কেন্দ্রীয় ওষুধাগারে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত বিভিন্ন চিকিত্সা প্রতিষ্ঠানে এ্যাম্বুলেন্স বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য সেক্টরের বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের সেবা দেয়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। আর সেবার মনোভাব নিয়েই স্বাস্থ্য সেক্টরে একের পর এক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। এ সেক্টরের উন্নয়ন আজ জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত।
নিউইয়র্কে প্রধান বিচারপতি: বাংলাদেশে আর সামরিক শাসন আসবে না- দৈনিক যুগান্তর

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (এসকে সিনহা) বলেছেন, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারায় বাংলাদেশে আর কখনও সামরিক শাসন আসবে না। তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগ সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন বলেই মার্শাল ল’ আর কখনও বাংলাদেশের মানুষের ওপর চেপে বসার সুযোগ পাবে না। আইন বিভাগ মার্শাল ল’কে চিরতরে কবর দিতে সক্ষম হয়েছে।
বাংলাদেশের গণমাধ্যমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘এখন কোনো কিছুই চেপে রাখা সম্ভব নয়। মিডিয়াগুলো সোচ্চার থাকায় আমরাও সঠিকভাবে কাজ করে তৃপ্তি পাচ্ছি।’ প্রধান বিচারপতি বলেন, শাসন বিভাগের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ ছাড়াই বাংলাদেশে বিচার বিভাগ কাজ করছে।
রোববার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির এস্টোরিয়ায় ক্লাব সনমে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে টিআই চেয়ারপারসন: আস্থা ফেরাতে বড় দুর্নীতিবাজদের ধরতে হবে- দৈনিক প্রথম আলো

দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের প্রতি মানুষের আস্থা ফেরাতে ছোট ছোট দুর্নীতিবাজের পরিবর্তে বড় দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, এমনটাই মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) চেয়ারপারসন হোসে কার্লোস উগাস। গতকাল সোমবার রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দুই দিনের ঢাকা সফরের শেষ দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন বার্লিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা টিআইয়ের চেয়ারপারসন। তিনি বলেন, দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমকে কোনোভাবেই রাজনীতির সঙ্গে জড়ানো ঠিক নয়। মানুষের আস্থা ফেরাতে দৃশ্যমান ব্যবস্থা থাকতে হবে। এ সময় তিনি তাঁর নিজের জন্মস্থান পেরুর প্রেসিডেন্টসহ দেশটির উচ্চপর্যায়ের নেতাদের বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি ব্যবস্থার কথাও তুলে ধরেন।
আওয়ামী লীগের সম্মেলনে খাবার থাকবে মোরগ পোলাও, কাচ্চি- দৈনিক ইত্তেফাক

আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। রাজধানী ঢাকাজুড়ে আলোকসজ্জা, ব্যানার-ফেস্টুনসহ নানা সাজসজ্জায় বেশ আলোচিত আওয়ামী লীগের এবারের সম্মেলন। সম্মেলনকে স্মরণীয় করে রাখতে অতিথিদের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থায় কমতি রাখছে না দলটি। সম্মেলনে বিদেশি অতিথি, রাজনৈতিক কর্মী, অন্যান্য অতিথিসহ ৫০ হাজার লোকের জন্য খাবারের মেন্যু হিসেবে রাখা হয়েছে কাচ্চি বিরিয়ানি ও মোরগ পোলাও।
সোমবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির ২০তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত খাদ্য উপকমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
খাদ্য উপকমিটির আহ্বায়ক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, এ আয়োজনে আলাদা করে কোনো খাদ্যের ব্যবস্থা থাকবে না এবং বিদেশিদের জন্যও আলাদা করে কোনো খাবারের ব্যবস্থা করা হবে না।
অর্থ পাচার মামলায় তারেকের সাজার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ- দৈনিক ইত্তেফাক

অর্থ পাচারের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সাত বছরের সাজা প্রদানের হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পেয়েছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সাক্ষরের পর সোমবার ৮২ পৃষ্ঠার রায়টি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হয়।
রায়ে বলা হয়েছে, মানি লন্ডারিংয়ের মত আর্থিক অপরাধে তারেক রহমান সচেতনভাবেই জড়িয়ে পড়েছিলেন। যে কারনে তিনি ক্ষমা পাওয়ার দাবি রাখেন না। তিনি তার রাজনৈতিক উচ্চ শ্রেনীর অবস্থান ব্যবহার করে ‘পরামর্শক ফি’ এর নামে তার সহযোগীর (গিয়াসউদ্দিন আল মামুন) মাধ্যমে অবৈধ টাকা অর্জন করেছেন।
গত ২১ জুলাই হাইকোর্ট অর্থ পাঁচার মামলায় তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ কোটি টাকা জরিমানা করে। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আগে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত তাকে এই মামলার অভিযোগ থেকে তারেককে বেকসুর খালাস দেয়। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে দুদক। দুদকের আপিল গ্রহন করে হাইকোর্ট এ রায় দেয়।
মুসলমানদের টার্গেট করছে মিয়ানমার সৈন্যরা- দৈনিক নয়াদিগন্ত

'সৈন্যরা এসে রোহিঙ্গাদের প্রতিটি বাড়িতে তল্লাশি করছে। যদি সন্দেহ হয় তাদের কেউ রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের সাথে জড়িত - তাহলে সে বাড়ি পুড়িয়ে দিতে দ্বিধা করছে না সৈন্যরা। বাড়ি থেকে কাউকে বের হতে দেখলেই গুলি চলে। সৈন্যরা শুধু বাড়ি পুড়িয়ে ক্ষান্ত হচ্ছে না। বাড়ি পুড়িয়ে দেবার পর তাদের খোলা আকাশে তাদের বসিয়ে থাকতে বাধ্য করছে।'
গত এক সপ্তাহ ধরে বার্মার রাখাইন রাজ্যে যে সংঘাত চলছে, সেটিকে এভাবেই বর্ণনা করছেন বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা। তাদের সাথে কথা বলতে আমি গিয়েছিলাম টেকনাফের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায়।
বাংলাদেশের ভেতরে অবৈধভাবে যেসব রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী আছে তাদের অনেকের সাথেই সীমান্তের অপর পাড়ে রোহিঙ্গাদের যোগাযোগ আছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতে রোহিঙ্গা মুসলমান এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য সহ অন্তত ৪০ জন নিহত হবার খবর পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশ সীমান্তের কাছেই যেখানে সহিংসতা হচ্ছে, সে জায়গাটিতে মিয়ানমারে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে সে দেশের নিরাপত্তা বাহিনী।
জিরো পয়েন্টে বিজিবি ও বিএসএফ’র ব্যান্ড শো- দৈনিক মানবজমিন

দিনাজপুরের হিলি সীমান্তের শূন্যরেখায় অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান ব্যান্ড শো। বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে এ ব্যান্ড শো অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল সকাল ১০ থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত হিলি সীমান্তের শূন্যরেখায় ব্যতিক্রম ধর্মী এ অনুষ্ঠানটি সীমান্তে দু’পাড়ের শতশত মানুষ উপভোগ করেন। বিজিবি ও বিএসএফের কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তের দু’বাহিনীর মধ্যে সোহার্দ্য সম্প্রতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে স্ব স্ব অবস্থানে থেকে বাহিনী গুলি আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে পারে এজন্য তারা দু’বাহিনীর সমন্বয়ে সীমান্তে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করছেন। গত ২৭ ও ২৮শে সেপ্টেম্বরে হিলি এক্সপ্রেস নামে দু’বাহিনীর মধ্যে যৌথ সীমান্ত মহড়া অনষ্ঠিত হয়েছিল এরই ধারাবাহিকতায় দেশের প্রথমবারের মতো হিলি সীমান্তে এ ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হলো।
শেরপুরে বন্যহাতির আক্রমণে বৃদ্ধ নিহত-দৈনিক নয়াদিগন্ত
শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তে বন্যহাতির আক্রমণে ইয়ার আলী (৬০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার রাণীশিমুল ইউনিয়নের খাড়ামুরা গ্রামের মৃত ইটালু সেকের ছেলে। সোমবার রাতে বালিজুড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে একদল বন্যহাতি শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী বালিজুড়ী ও খাড়ামুরা গ্রামে অবস্থান করছিল। এ দলেরই একটি হাতি সোমবার রাত ১১টার দিকে বালিজুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন গ্রামে আক্রমণ করে। এসময় হাতিটি ইয়ার আলীকে পদপিষ্ট করে ছিন্নভিন্ন করে ফেলে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। বন বিভাগ, বালিজুড়ী রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ তারিকুল ইসলাম হাতির আক্রমণে ইয়ার আলীর মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে ওই এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
নদীর পলি বেচবে বাংলাদেশ!- দৈনিক যায়যায়দিন
নদীর পলি বিক্রি করবে বাংলাদেশ। এই পলি কিনতে ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে প্রস্তাবও দিয়েছে দু-একটি রাষ্ট্র। ফলে যা কিছুদিন আগে দেশের জন্য বোঝা ছিল তা এখন দুর্লভ বস্তুতে পরিণত হতে চলেছে।
নদী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে সচল হয়ে উঠবে নদীগুলো। ফিরে আসবে নদীতে জোয়ার-ভাটা। ক্ষেত্রবিশেষে অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে বিদেশিদের এই বিনিয়োগ।
এ প্রসঙ্গে পানি সম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, নদনদীর তলদেশে জমা পলিমাটি রপ্তানির বিষয়ে কয়েকটি দেশের সঙ্গে কথা চলছে। তারা এখানে এসে নদী খনন করে পলি নিয়ে যাবে। এর মাধ্যমে একদিকে নদী খননের কাজও হবে, আবার বিদেশি অর্থও আসবে। ইতোমধ্যে দেশের উর্বর পলিমাটি নিতে প্রস্তাব দিয়েছে কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপ রাষ্ট্র 'মালদ্বীপ' এবং আধুনিক শহর হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে স্থান করে নেয়া 'সিঙ্গাপুর' রয়েছে।
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বাছাই করা কয়েকটি খবর
চীনের বাধায় আটকে গেল সন্ত্রাসের মদতদাতা হিসাবে পাকিস্তানকে চিহ্নিত করার মরিয়া প্রয়াস, ক্ষুব্ধ ভারত- দৈনিক বর্তমান

পাকিস্তানের কার্যত গডফাদারে পরিণত হয়েছে চীন। ব্রাজিল, রাশিয়া, চীন, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা-এই পঞ্চশক্তির মঞ্চ ব্রিকস এর গোয়া সম্মেলনের সমাপ্তিতে প্রথামাফিক গৃহীত সর্বসম্মত প্রস্তাব তথা ঘোষণাপত্রে সন্ত্রাসের নিন্দা করে পাকিস্তানকে উগ্রপন্থার অন্যতম প্রধান মদতদাতা হিসাবে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠা করার মরিয়া প্রয়াস শেষ পর্যন্ত চীনের একক বাধায় আটকে যাওয়ায় ভারত প্রচন্ড ক্ষুব্ধ। এবং আগামীদিনে ভারত বনাম চীনের দ্বৈরথ যে বাড়বে তার ইঙ্গিতও মিলতে শুরু করেছে। কারণ গতকাল চীন যেমন পাকিস্তানের নামোল্লেখ আটকে দিতে সক্ষম হয়েছে, ঠিক তেমনই আবার বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী রাষ্ট্রগুলির গোষ্ঠী ব্রিমস্টেক সদস্যদের ভারত পালটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে কোনও রাষ্ট্রের একক দাদাগিরি ভারতও সমর্থন করে না। সর্বশক্তি নিয়ে ভারত এই রাষ্ট্রগুলির পাশে থাকবে।
ভারতে চিনা দ্রব্য নিষিদ্ধ হোক, দাবি রামদেবের- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

কূটনৈতিকভাবে চিন যেভাবে বারবার পাকিস্তানের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে, তাতে ক্ষুব্ধ ভারতবাসী৷ প্রশাসনিক তরফে সরাসরি চিনের উদ্দেশ্যে কিছু বলা না হলেও, চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ এবার সেই সুর শোনা গেল যোগগুরু রামদেবের কথাতেও৷ চিনা দ্রব্য বয়কটেরই ডাক দিলেন তিনি৷
চিনের বাধাতেই এলিট পরমাণু ক্লাব এনএসজি-তে প্রবেশ করতে পারেনি ভারত৷ সেবারও পাকিস্তানের তোলা অভিযোগে সায় দিয়েই ভারতের আশা কার্যত শেষ করেছিল চিন৷ এছাড়াও সন্ত্রাস প্রশ্নে বারবার পাকিস্তানের পাশে এসেই দাঁড়িয়েছে চিন৷ উরি পরবর্তী সময়ে জৈশ নেতা মাসুদ আজহারকে জঙ্গি ঘোষণার ক্ষেত্রেও বাধা দিয়েছে চিন৷ ব্রিকস সম্মেলনে নাম না করে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে যখন পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর হিসেবে তুলে ধরেছেন, তখনও পাকিস্তানের পিঠ বাঁচাতে আসরে নেমেছে চিন৷
জাতীয় সড়কে যুদ্ধবিমান নামানোর প্রস্তুতি ভারতের, চিহ্নিত হয়েছে ২২ এলাকা-দৈনিক আনন্দবাজার

দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন জাতীয় সড়কের উপর যুদ্ধবিমান নামানোর প্রস্তুতি নিতে শুরু করল ভারত। বিভিন্ন জাতীয় সড়কের উপর অন্তত ২২টি জায়গা ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক সূত্রের খবর।
সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গডকড়ী জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছ থেকে হাইওয়ে এয়ারস্ট্রিপ তৈরির প্রস্তাব এসেছে। প্রতরক্ষা মন্ত্রক চায়, জাতীয় সড়কগুলির কিছু কিছু অংশকে এমন ভাবে তৈরি করা হোক, যাতে প্রয়োজন অনুসারে সেগুলিকে বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
হাইওয়ের যে অংশকে এয়ারস্ট্রিপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়, সেই অংশকে একটু বিশেষ ভাবে তৈরি করতে হয়। সেই অংশে অ্যাসফল্টের আস্তরণ অন্যান্য অংশের চেয়ে পুরু হয়। তলায় কংক্রিটের ভিত থাকে। যে কোনও সময় যাতে ওই সব রানওয়েতে যুদ্ধবিমান অবতরণ করানো যায়, তার জন্য সিগন্যালিং এবং এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের পরিকাঠামোও তৈরি রাখা হয়। দেশের যে অংশে বিমানঘাঁটি নেই, যুদ্ধের সময় সেই সব এলাকা থেকেও যাতে বায়ুসেনা কাজ চালাতে পারে, তার জন্যই এই ধরনের পরিকাঠামো তৈরি করা হয়।
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১৮