দেশে দারিদ্র্য বলে কিছু থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৩ অক্টোবর রোববারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আজকের ঢাকার সবগুলো দৈনিক বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের প্রথম দিনের খবরাখবর গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে। প্রায় সবগুলো দৈনিকে এ খবর ব্যানার শিরোনাম হিসেবে ছাপা হয়েছে। সেইসঙ্গে আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও বিএনপির পক্ষ থেকে সম্মেলনে যোগ না দেয়ার খবরও লেখা হয়েছে দৈনিকগুলোতে।
বাংলাদেশ:
- দেশে দারিদ্র্য বলে কিছু থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী
- আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যায়নি বিএনপি
- যে কারণে আ.লীগের সম্মেলনে যায়নি বিএনপি
- খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনা প্রতিনিধিদল
- জাপা ক্ষমতায় থাকলে মানুষ ভালো থাকে: জিএম কাদের
- নভেম্বরে জোরেসোরে মাঠে নামবে বিএনপি
- নিউ জেএমবির আমীরের ল্যাপটপে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পাঁচ জেলায় ‘সেফজোন’ তৈরির পরিকল্পনা
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প: সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের হিসাব
ভারত:
- হাসিনার প্রতি আস্থা ভারতের সব নেতার
- বিজেপিকে ঠেকাতে নয়া কৌশল মমতার, ফের কাছাকাছি কংগ্রেস-তৃণমূল
- ডেবিট কার্ড জালিয়াতির শিকার গ্রাহকরা, আতঙ্ক শহরে
- জালনোট পাচারের অভিযোগে বর্ধমানে এবার এক সাধুবাবা গ্রেপ্তার
- ইরানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের হ্যাটট্রিক ভারতের
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
দেশে দারিদ্র্য বলে কিছু থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী- দৈনিক যুগান্তর

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীতকরণ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করার জন্য কাজ করছে বর্তমান সরকার। উন্নত বাংলাদেশে দারিদ্র্য বলে কিছু থাকবে না।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উন্নত রাষ্ট্রে করে তুলতে কাজ চলছে। এ লক্ষ্যে দেশে হতদরিদ্রের হার ১২ ভাগের নিচে নামিয়ে আনা হয়েছে। ২০৪১ সালে ৮ থেকে ১০ ভাগের ওপর প্রবৃদ্ধি নিয়ে যাবে সরকার। দেশের মানুষের খাবার, পুষ্টি, বিশুদ্ধ পানি ও শতভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
দেশের প্রতিটি মানুষ সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে। শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমসহ অন্যান্য বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেন তিনি।
'আ' লীগ তার কর্মকাণ্ডেই প্রমাণ করেছে তারা গণমানুষের দল'- দৈনিক সমকাল
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলের নেতারা বলেছেন, 'আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতির সবগুলো সূচক উর্ধ্বমূখী। শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া এই দল মানুষের জন্য কাজ করে। আওয়ামী লীগ তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই প্রমাণ করেছে তারা গণমানুষের রাজনৈতিক দল।'
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশকে এগিয়ে নেওয়ারও আহ্বান জানান তারা। শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে আমন্ত্রিত বিদেশি অতিথিরা বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন।
ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সহ-সভাপতি ড. বিনয় প্রভাকর সহস্রাবুদ্ধে এমপি বলেন, 'দুই দেশের মধ্যে অনেক ক্ষেত্রে মিল রয়েছে।'
আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যায়নি বিএনপি- দৈনিক ইত্তেফাক
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে আমন্ত্রণ পেলেও শেষ পর্যন্ত যায়নি বিএনপি। ‘আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বিএনপি যাবে’- আগেরদিন শুক্রবার দলের যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এক অনুষ্ঠানে সরাসরি একথা বললেও আজ শনিবার দলটির কোনো প্রতিনিধি সম্মেলনে যাননি।
যাওয়ার কথা বলেও বিএনপি কেন সম্মেলনে যায়নি, এনিয়েও শনিবার রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা-সমালোচনা হতে শোনা গেছে। যাবে বলে যিনি বলেছিলেন সেই আলালেরও পরিচিত মোবাইল ফোন নম্বরগুলো শনিবার সারাদিন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার এক ঘণিষ্ঠজন ইত্তেফাককে বলেন ‘আসলে লজ্জায় তিনি কারও সঙ্গে এনিয়ে আর কথা বলছেন না।’
অন্যদিকে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মোবাইল ফোন নম্বরও শনিবার সারাদিন বন্ধ পাওয়া গেছে।
নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য আজ সন্ধ্যায় ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপকালে বলেন ‘আওয়ামী লীগের সম্মেলনে আমাদের কারও যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বা হয়নি-এরকম কোনটিই আমার জানা নেই। তবে যেহেতু দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি, সেই কারণে মোয়াজ্জেম হোসেন আলালেরও উচিত হয়নি অন্য একটি অনুষ্ঠানে এভাবে দলীয় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দেয়া। তার বক্তব্য অবশ্যই বিএনপিকে বিব্রত করেছে।’
যে কারণে আ.লীগের সম্মেলনে যায়নি বিএনপি- দৈনিক নয়াদিগন্ত
দলের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে যোগদানের জন্য গত বৃহস্পতিবার বিএনপিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছিল আওয়ামী লীগ। বিএনপি সম্মেলনে ‘অংশ নিচ্ছে’ এমন খবর ওইদিন থেকেই চাউর হচ্ছিল। আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, ‘আমরা দলীয় সর্বোচ্চ ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’ এরপর গতকাল শুক্রবার সকালে বিএনপির যুগ্মমহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এক সভায় বলেছিলেন, ‘আমাদেরকে আমন্ত্রণ জানানোয় আমরা খুশি। ওরা আসেনি তো কি, আমরা যাবো। আমরা ওদের মতো হীনমণ্য নই।’
কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিএনপির কোনো নেতা বা প্রতিনিধি আজ আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যাননি। আগামীবাল সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনেও বিএনপি যাবে কি না তা অনিশ্চিত। কারণ সম্মেলনে যাওয়া না যাওয়ার ব্যাপারে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের কোনো নেতা স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাননি।
এদিকে ঠিক কী কারণে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বিএনপি অংশ নেয়নি সে নিয়ে কৌতুহলের অন্ত নেই মানুষের।
এ ব্যাপারে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের একাধিক নেতার সাথে কথা বলে ভিন্ন মত পাওয়া গেছে। তবে একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, সারাদেশে বিএনপির বহু নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ারে হত্যা, বিএনপিকে সম্মেলনের জায়গা দেয়া নিয়ে গড়িমসি এবং এখনো বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করাসহ বেশ কিছু কারণে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যায়নি বিএনপি। এ ছাড়া আমন্ত্রণ জানানোর পরও বিএনপির সম্মেলনে আওয়ামী লীগের অংশ না নেয়া এবং আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আগের রাতে অন্য কয়েকটি দলের না যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে বিএনপি অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনা প্রতিনিধিদল- দৈনিক মানবজমিন
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছে চীনের প্রতিনিধিদল। বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক হয়। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ঝেং জিয়াওসং এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বিএনপি’র পক্ষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান ও সাবিহ্ উদ্দিন আহমেদ। অন্যদিকে চীনা প্রতিনিধিদলে ছিলেন দেশটির ইন্টারন্যাশনাল ডিপার্টমেন্ট অব সিপিসি সেন্টার কমিটির পরিচালক ইয়ান জাহাবিন, ডেপুটি পরিচালক জিংপিং, কাও জিগান, স্টাফ অফিসার গো মিন ও তান উই। তবে বৈঠক সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
জাপা ক্ষমতায় থাকলে মানুষ ভালো থাকে: জিএম কাদের- দৈনিক সমকাল
জাতীয় পার্টি (জাপা) ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষ সুখে-শান্তিতে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের। শনিবার দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জাপার প্রার্থী আবুল কাশেম মিয়ার পক্ষে প্রচারে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় জিএম কাদের দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কয়েকটি উঠান বৈঠকও করেন।
তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজকল্যাণ বিষয়ক যুগ্ম সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা জাপার সদস্য সচিব রোকনউদ্দিন বাবুল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও হাতীবান্ধা উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আলহাজ এমজি মোস্তাফা, জেলা কমিটির সহসভাপতি এসকে খাজা মইনুদ্দিন, উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান মিলন, জাপা নেতা মহিউল আলম মহি, যুব সংহতি নেতা রেজাউল করিম ও জাহাঙ্গীর আলম প্রমূখ।
জাতীয় পার্টিকে ধ্বংসের চক্রান্তের কথা উল্লেখ করে জিএম কাদের বলেন, '১৯৯১ সাল থেকে শুরু করে পরবর্তী সরকারগুলো জাতীয় পার্টিকে বার বার ধ্বংসের চক্রান্ত করেছে; কিন্তু জনগণের ভালোবাসায় আজও দলটি টিকে আছে এবং থাকবে।'
নভেম্বরে জোরেশোরে মাঠে নামবে বিএনপি- দৈনিক যুগান্তর
আগামী নভেম্বরে জোরেশোরে মাঠে নামার পরিকল্পনা করছে বিএনপি। মূলত নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ইস্যুকে কেন্দ্র করেই রাজপথে নামতে চায় দলটি। এ ইস্যুতে জনমত তৈরিতে নভেম্বর-ডিসেম্বরজুড়ে বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করবেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এরপর জানুয়ারিতে ঢাকায় মহাসমাবেশ করার চিন্তা রয়েছে দলটির হাইকমান্ডের। বিএনপির নীতিনির্ধারকরা জানান, নতুন করে রাজপথে নামার মহড়া হিসেবে ৮ থেকে ১২ নভেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিশাল সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। বলছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে আন্দোলন কর্মসূচির নতুন রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে। হিলারি ক্লিনটন জয়ী হলে কর্মসূচির মেজাজ ভিন্ন রকম হতে পারে। তবে গোপন এ পরিকল্পনার বিষয়ে দলটির কোনো নীতিনির্ধারক পরিচয় প্রকাশ করে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প: সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের হিসাব- দৈনিক সমকাল
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ব্যয়ের হিসাব বা প্রাক্কলন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন। এ প্রকল্পে বেতন-ভাতার নামে কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৭০০ কোটি টাকা। ভূমি অধিগ্রহণ খরচসহ অনেক খাতে ধরা হয়েছে অস্বাভাবিক ব্যয়। প্রশ্ন উঠেছে, তিন হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ নিয়ে। সব মিলিয়ে ১২ খাতে সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের বিষয়ে সুস্পষ্ট জবাব চেয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। এসব প্রশ্নের জবাব না পেলে প্রকল্পটি ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।
গত সপ্তাহে পরিকল্পনা কমিশনে দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ (মূল পর্যায়) প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। নয় বছর মেয়াদি প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা। রাশিয়ান ফেডারেশনের স্টেট এক্সপোর্ট ক্রেডিট হিসেবে দেবে ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা। অবশিষ্ট ২২ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা দেওয়া হবে বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে।
নিউ জেএমবির আমীরের ল্যাপটপে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পাঁচ জেলায় ‘সেফজোন’ তৈরির পরিকল্পনা- দৈনিক যুগান্তর
একের পর এক আস্তানায় আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানের কারণে উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় ‘সেফজোন’ তৈরির পরিকল্পনা করে নিউ জেএমবি। একই সঙ্গে ঢাকার আশপাশে ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় আস্তানা গড়ে তোলারও লক্ষ্য ছিল। এসব বিষয়ে একটি সম্ভাব্য ছক করে নিউ জেএমবির আমীর আবদুর রহমান ওরফে সারোয়ার জাহান ওরফে শায়খ আবু ইব্রাহিম আল হানিফ। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অর্থের অভাব না থাকলেও একাধিক সদস্য আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে নিহত হওয়ায় নিউ জেএমবির জনবল কমছিল। ফলে অন্য তিন জঙ্গি সংগঠন থেকে নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা চালায় নিউ জেএমবির আমীর। আবদুর রহমান ওরফে সারোয়ার জাহানের ল্যাপটপে এসব তথ্য ও পরিকল্পনার ছক পাওয়া গেছে বলে র্যাবের তদন্ত ও অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
যে পাঁচ জেলায় ‘সেফজোন’ করার পরিকল্পনা করা হয় সেগুলো হল : রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর ও আবদুর রহমানের নিজ জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এসব জেলায় গোপনে বসবাস করে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিয়ে জঙ্গিরা নতুন করে হামলার শক্তি সঞ্চার করবে। পরে তাদের নেয়া হবে ঢাকার আশপাশের আস্তানায় এবং হামলা করা হবে বিদেশী ও ভিন্ন ধর্মের নাগরিকদের ওপর।
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বাছাই করা কয়েকটি খবর
হাসিনার প্রতি আস্থা ভারতের সব নেতার - দৈনিক আজকাল
আওয়ামি লিগের কাউন্সিলে অংশ নিয়েছেন ১৬টি দেশের ৫৫ জন রাজনীতিক। ভারত থেকেই এসেছেন ১৩ জন। ক্ষমতাসীন বিজেপি, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল–সহ বেশ কয়েকটি দল থেকে প্রতিনিধিরা অংশ নেন আওয়ামি লিগের সম্মেলনে। ভারতের সব দলের রাজনীতিকই শেখ হাসিনাতে আস্থা রেখেছেন। কেউ বলেছেন, হাসিনা বিরল নেত্রী, কেউ বলেছেন, সত্যিকারের জননেত্রী। শনিবার সকালে ঢাকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে দেশের অন্যতম পুরনো ও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দলটির ২০তম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে ভারত ছাড়াও চীন, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র–সহ ১৬টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সম্মেলনে দল ও সরকারের পক্ষ থেকে বক্তব্য পেশ করেন বিজেপি সহসভাপতি ড. বিনয় প্রভাকর সহস্রবুদ্ধে। তিনি হাসিনাকে উপমহাদেশের বিরল নেতা আখ্যা দেন। বলেন, ‘সে সব বিরল নেতাদের অন্যতম আপনি, যাঁকে সত্যিকার অর্থে জননেত্রী বলা যায়। আপনি সত্যিকারের জননেত্রী; শুধু আপনার দেশের নয়, বরং পুরো উপমহাদেশের ও বিশ্বের মানুষের।’
বিজেপিকে ঠেকাতে নয়া কৌশল মমতার, ফের কাছাকাছি কংগ্রেস-তৃণমূল- দৈনিক আনন্দবাজার
অল্প সময়ের জন্য হলেও বাংলায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক তিক্ততা তৈরি হয়েছিল দুই শিবিরেই। কিন্তু অচিরে তার অবসান ঘটিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে ফের কাছাকাছি আসতে পারে কংগ্রেস-তৃণমূল। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকার তথা বিজেপি-কে ঠেকাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে পাওয়ার আগ্রহ বরাবরই ছিল সনিয়া-রাহুলের। এ বার সেই একই স্বার্থে প্রতি আগ্রহ দেখানোর ইঙ্গিত দিলেন তৃণমূল নেত্রীও।
শনিবার তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে দলের নেতাদের বৈঠকে ডেকেছিলেন মমতা। সূত্রের খবর, সেখানেই দিদি বলেন, শুধু বাংলায় নয়, বিজেপি-র মোকাবিলা করতে হবে দিল্লিতেও। সে জন্য একটি ফ্রন্ট গড়ে তুলতে হবে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে। কীভাবে সেই ফ্রন্ট গড়ে তোলা যাবে তার কৌশল ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এর পরই মমতা বলেন, আগের তুলনায় কংগ্রেস এখন দুর্বল ঠিকই। কিন্তু তাদের বাদ দিয়ে কোনও শক্তিশালী ধর্মনিরপেক্ষ জোট গঠন করা সম্ভব নয়। তাই সমন্বয় করে চলতে হবে কংগ্রেসের সঙ্গেও। সংসদের ভিতরে ও বাইরে কংগ্রেস এবং অন্য ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলির সঙ্গে সমন্বয় রাখার সেই দায়িত্ব তৃণমূলের লোকসভার নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়ার কথাও এ দিন ঘোষণা করেন মমতা।
ডেবিট কার্ড জালিয়াতির শিকার গ্রাহকরা, আতঙ্ক শহরে- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
ডেবিট কার্ড জালিয়াতির শিকার হচ্ছেন একের পর এক শহরবাসী৷ তেঘড়িয়া থেকে যাদবপুর, স্কুল শিক্ষিকা থেকে ব্যবসায়ী, সকলেই শিকার প্রতারণা চক্রের৷ যা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে শহর জুড়ে৷
সূত্রের খবর, গত দু’দিনে সুস্মিতা দাস নামে তেঘড়িয়ার এক স্কুল শিক্ষিকার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে খোয়া গিয়েছে ৮২ হাজার টাকা৷ ব্যাঙ্ক থেকে কোনওরকম মেসেজ তিনি পাননি৷ সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশ হওয়ার পর নিজের অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখেন, কেউ তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিয়েছে৷ তেঘড়িয়া থানায় এই মর্মে অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি৷
একই ধরনের প্রতারণার শিকার যাদবপুরের সন্তোষপুর এলাকার এক ব্যবসায়ী৷ তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকেও চুপিসাড়ে উধাও হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা৷ তাঁর অভিযোগ, কেউ তাঁকে ফোন করে তাঁর থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কিছু গোপন তথ্য জানতে চান৷ তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন৷ এরপর নিজের অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স চেক করে দেখেন খোয়া গিয়েছে টাকা৷ তথ্য না জানানো সত্ত্বেও কীভাবে টাকা খোয়া গেল, তা নিয়ে তাজ্জব ওই ব্যবসায়ী৷
জালনোট পাচারের অভিযোগে বর্ধমানে এবার এক সাধুবাবা গ্রেপ্তার-দৈনিক বর্তমান
জালনোট মামলায় নয়া মোড় নিল। জালনোট পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে মাহিনগরের এক সাধুবাবাকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। বুধবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তারপর তাকে দফায় দফায় জালনোটের কারবারের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। শুক্রবার তাকে পুলিশি হেপাজতে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী জগন্নাথ দে-র মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করেন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক(সদর) সৌমিক সেনগুপ্ত। আইসি শান্তনু মিত্রও সাধুবাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। টানা জিজ্ঞাসাবাদে ভেঙে পড়ে জালনোটের কারবারে জড়িত থাকার কথা সাধুবাবা কবুল করে বলে পুলিশের দাবি। বিহার এবং আশপাশের কয়েকটি জেলা থেকে জালনোট সংগ্রহ করে তা সাধুবাবার শ্মশানকালীর মন্দিরের আশ্রমে মজুত করা হত। সেখান থেকেই তা জেলার বিভিন্ন জায়গায় ছড়ানো হয়েছে বলে সাধুবাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে জালনোটের কারবারে সাধুবাবার জড়িত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত সাধুবাবার নাম শ্যামাপ্রসাদ চক্রবর্তী।
ইরানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের হ্যাটট্রিক ভারতের- দৈনিক আজকাল
আবার একটা বিশ্বকাপ৷ আবার চ্যাম্পিয়ন৷ কবাডিতে ভারতকে টেক্কা দেওয়ার মতো যে এখনও কোনও দল তৈরি হয়নি, তা ফের বুঝিয়ে দিল অনুপ কুমার অ্যান্ড কোম্পানি৷ শনিবার ফাইনালে ইরানের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে জয় ছিনিয়ে নিল ভারত৷ মেন ইন ব্লুয়ের পক্ষে খেলার ফল ৩৮-২৯৷
আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, তাইল্যান্ডের মতো দলগুলিকে হারানোর পর ফাইনালে ভারত কী করে, সেদিকেই নজর ছিল ক্রীড়াপ্রেমীদের৷ দেশবাসীকে হতাশ করেননি বলবন্ত সিংয়ের ছেলেরা৷ এদিন দাপটের সঙ্গে খেলে দল৷ ইরানকে একবার অল-আউটও করে দেন ভারতীয় তারকারা৷ তবে জোর লড়াই দেয় ইরানও৷ কিন্তু শেষ হাসি হাসল সেই ভারতই৷
২০০৪, ২০০৭ ও ২০১৬ মিলিয়ে মোট তিনবার কবাডি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ যার মধ্যে তিনবারই চ্যাম্পিয়ন ভারত এবং তিনবারই রানার্স-আপ হয়েছে ইরান৷ অজয় ঠাকুররা জিততেই টুইটারে শুভেচ্ছার বন্যা বইতে শুরু করে৷ জোয়ালা গুট্টা থেকে ভিভিএস লক্ষ্মণ, চ্যাম্পিয়ন ভারতকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সকলেই৷
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২৩