আইভীর সঙ্গে বিএনপির দুই নেতার আঁতাতের অভিযোগ
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২ ডিসেম্বর শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকের বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশ:
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বৈঠক: সশস্ত্র বাহিনীর সামর্থ্য বাড়ানোর উদ্যোগ- দৈনিক প্রথম আলো
- নাফ নদীতে রোহিঙ্গাদের ওপর বিজিপির গুলি- দৈনিক যুগান্তর
- রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিভক্ত দেশ: সরব বিএনপি ও ইসলামপন্থী দলগুলো: নীরব আ'লীগ- দৈনিক যায়যায়দিন
- রোহিঙ্গাদের পাশে এই সরকার দাঁড়াবে না এটাই স্বাভাবিক: বিএনপি- দৈনিক ইত্তেফাক
- আইভীর সঙ্গে বিএনপির দুই নেতার আঁতাতের অভিযোগ- দৈনিক যুগান্তর
- জেলা পরিষদ নির্বাচনেও বিদ্রোহীর ছড়াছড়ি- দৈনিক সমকাল
- লুই কানের মূল নকশা সংসদ সচিবালয়ে- দৈনিক নয়াদিগন্ত
- রুপির ঝামেলায় ঢাকায় চাঙ্গা ডলার- দৈনিক সমকাল
ভারত:
- সন্ত্রাস মোকাবিলায় ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস হাসিনার- দৈনিক আনন্দবাজার
- নোট পাঠানোয় পক্ষপাতিত্ব চলছে: মমতা- দৈনিক বর্তমান
- ইউ পি এ সরকার দুর্নীতির জন্যই পরিচিত: জেটলি- দৈনিক আজকাল
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বৈঠক: সশস্ত্র বাহিনীর সামর্থ্য বাড়ানোর উদ্যোগ- দৈনিক প্রথম আলো

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সামর্থ্য ও সক্ষমতা বাড়াতে নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর। দুই দিনের ঢাকা সফরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ প্রস্তাব দেন। দুই নিকট প্রতিবেশীর সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁর দুই দিনের সফর শেষে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। মনোহর পারিকর এদিন সন্ধ্যায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ বিমানে ঢাকা ছেড়ে গেছেন।
এদিকে বাসস জানায়, ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, কোনো দেশের বিরুদ্ধেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। গতকাল গণভবনে ওই আলোচনার পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিভক্ত দেশ: সরব বিএনপি ও ইসলামপন্থী দলগুলো: নীরব আ'লীগ- দৈনিক যায়যায়দিন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে দেশ। মিয়ানমারের জাতিগত বিদ্বেষের শিকার এ জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়দানে ইসলামপন্থী দলগুলোর পাশাপাশি বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো একাট্টা হলেও নীরব ভূমিকা পালন করছে শাসকদল। আর রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ বন্ধ এবং তাদের ফেরত পাঠাতে দল-মত নির্বিশেষ প্রতিরোধ ও প্রত্যাবাসন আন্দোলন কমিটি করেছে স্থানীয় জনগণ। যদিও ভেসে আসা এসব শরণার্থীদের জন্য সীমিত আকারের সাহায্য-সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে সরকার।
রাজনৈতিক দলগুলোর মতো ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান না দিলেও ইস্যুটিতে স্থায়ী সমাধানের পথ খোঁজার আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, মানবিকতার দিক বিবেচনা করে কিছুদিনের জন্য সীমান্ত শিথিলতা দেখানো স্থায়ী সমাধানের পথ হতে পারে না। এ জন্য ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করা উচিত। এটা মিয়ানমার সরকারের বিষয়। তাদের মাধ্যমেই সমাধানে যেতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন মনে করেন, রোহিঙ্গাদের পাঠিয়ে দেয়ার বিষয়টি মিয়ানমারের ইচ্ছাধীন হতে পারে না। আবার তাদের সাময়িক আশ্রয়দানও কোনো সমাধান নয়। অবৈধ এই অভিবাসন সংকটের স্থায়ী সমাধান দরকার। এ জন্য মিয়ানমারের ওপর একধরনের চাপ সৃষ্টি করতে হবে। তবেই ফল পাওয়া যেতে পারে।
নাফ নদীতে রোহিঙ্গাদের ওপর বিজিপির গুলি- দৈনিক যুগান্তর

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেদেশের সেনাবাহিনী ও পুলিশের নির্যাতনের মুখে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে নাফ নদী হয়ে পালাতে গিয়েও রেহাই পাচ্ছেন না নির্যাতিত মুসলিম
রোহিঙ্গারা। দেশ ছেড়ে পালাতে গিয়ে রোহিঙ্গা বোঝাই একটি নৌকা বুধবার রাতে সে দেশের বর্ডার গার্ড পুলিশ- বিজিপির টার্গেটে পড়ে। ৪২ জন রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকায় গুলি চালায় বিজিপি। এতে নারী ও শিশুসহ বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন। তবে কতজন মারা গেছে সে খবর জানা যায়নি। আহত একজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় নাফ নদীর পানিতে ভাসতে দেখে বাংলাদেশের জেলেরা উদ্ধার করে টেকনাফের লেদা অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়ে আসে। বুধবার রাতে নৌকাযোগে দুই ছেলেকে নিয়ে পালানোর সময় আহত হয়ে কোনো মতে বেঁচে আসা ওই রোহিঙ্গার নাম ইমান হোসেন। জেলেরা তাকে উদ্ধার করলেও তার দুই ছেলের ভাগ্যে কি ঘটেছে জানেন না ইমান।
রোহিঙ্গাদের পাশে এই সরকার দাঁড়াবে না এটাই স্বাভাবিক: বিএনপি- দৈনিক ইত্তেফাক

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘নিজ দেশে গুম খুন করা সরকার অন্য দেশের নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে না। সরকার নিজ দেশে গুম খুন অপহরণ ও নিরীহ মানুষকে অত্যাচার করছে। তারা মিয়ানমারের নির্যাতিত অসহায় নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাইবে না এটাই স্বাভাবিক।’
জাতীয় প্রেসক্লাবে বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল আয়োজিত মিয়ানমারে মুসলিম নির্যাতন ও গণহত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন। নজরুল ইসলাম বলেন, ‘জাতিসংঘ, ওআইসি, শক্তিমান দেশগুলো চাইলেই মিয়ানমারের মুসলিম অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে ক্ষমতাসীন সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতে পারে, কিন্ত তারা সেটা না করে নির্বাকের ভূমিকা পালন করছে।’
সরকারের সমালোচনা করে স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘মিয়ানমারের নির্যাতিত অসহায় রোহিঙ্গারা সে দেশে আশ্রয় না পেয়ে যখন বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে তখন তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে। অথচ বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় দিয়ে মিয়ানমারকে সরকারকে কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতে পারে।’
আইভীর সঙ্গে বিএনপির দুই নেতার আঁতাতের অভিযোগ- দৈনিক যুগান্তর

নারায়ণগঞ্জ বিএনপির দু’জন সাবেক সংসদ সদস্যকে ঘিরে সরকারি দলের সঙ্গে গোপন আঁতাতের গুঞ্জনে চলছে সমালোচনার ঝড়। এরা হলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন। এদের মধ্যে একজন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভীর ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হওয়ায় গুঞ্জন শেষ পর্যন্ত সত্য বলে ধারণা করছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
জানা গেছে, দলের চেয়ারপারসনের পক্ষ থেকে বারবার প্রস্তাব পাওয়ার পরও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির এই দু’জন সাবেক সংসদ সদস্যের মেয়র পদে প্রার্থী না হওয়ায় এর নেপথ্য কারণ নিয়ে শুরু হয় নানা গুঞ্জন। বিশেষ করে সিটি কর্পোরেশনের ২টি নির্বাচনী এলাকায় (বন্দর, শহর ও সিদ্ধিরগঞ্জ) তাদের নিজস্ব ভোট ব্যাংক থাকার পরও নানা অজুহাতে তারা মেয়র প্রার্থী হতে অনীহা প্রকাশ করায় শুরুতেই সন্দেহ দেখা দেয়। অথচ তারা মেয়র পদে নির্বাচন না করলেও ছেলেদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে নমিনেশন দিয়েছেন। ছেলেদের পক্ষে নিজেরা মাঠ চষে বেড়ালেও এই দু’জন সাবেক সংসদ সদস্য এখন পর্যন্ত বিএনপির মেয়র প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেনের পক্ষে মাঠে নামেননি।
জেলা পরিষদ নির্বাচনেও বিদ্রোহীর ছড়াছড়ি- দৈনিক সমকাল

শেষ পর্যন্ত জেলা পরিষদ নির্বাচনেও বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকাতে পারল না আওয়ামী লীগ। ৬১টি জেলা পরিষদ নির্বাচনের ৪১টিতেই বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। দলসমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ৮২ জন বিদ্রোহী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। বিদ্রোহী প্রার্থীদের এই অবস্থান ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের ভাবিয়ে তুলেছে। ১২টি জেলায় অবশ্য একক প্রার্থী থাকায় ক্ষমতাসীন দল থেকেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বৈঠক করেছেন। বিকেল থেকে তারা দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে জেলা নেতাদের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে কথা বলে দিয়েছেন প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা। দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে এই বৈঠকে কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাও উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা গত রাতে সমকালকে জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত বিদ্রোহী প্রার্থীদের মোট সংখ্যা কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে না থাকলেও ১৩ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগে এই সংখ্যা কমে আসবে বলেই তারা মনে করছেন।
লুই কানের মূল নকশা সংসদ সচিবালয়ে- দৈনিক নয়াদিগন্ত

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসালভেনিয়া ইউনির্ভাসিটির আর্কাইভ থেকে পাঠানো জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা বাংলাদেশে আনা হয়েছে। বিশ্বখ্যাত স্থপতি লুই আই কানের করা সংসদ এলাকাসহ পুরো আগারগাঁওয়ের নকশাটি সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছেছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঠানো ৪১টি বাক্সে লুইকানের নকশাগুলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে নকশাগুলো জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, লুই কানের নকশা ভেঙে সংসদ ভবন এলাকায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা বিভিন্ন সময়ে নির্মিত হয়। মূল নকশা পাওয়ার পর সেগুলো সরানো হবে বলে জানিয়েছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।
রুপির ঝামেলায় ঢাকায় চাঙ্গা ডলার- দৈনিক সমকাল

ভারতের বড় দুটি নোট বাতিলের প্রভাব পড়েছে ঢাকার নগদ ডলারের বাজারে। প্রতিবেশী দেশটিতে ভ্রমণকারীদের প্রায় সবাই ডলার নিয়ে যাচ্ছেন। মূলত এ কারণে নগদ ডলারের চাহিদা বেড়েছে। এতে ব্যাংক ও খোলাবাজারে দাম বেড়েছে ডলারের। গত ১৫ দিনের ব্যবধানে প্রতি ডলারের দাম ব্যাংকগুলোতে দেড় থেকে দুই টাকা ও খোলাবাজারে তিন টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে বিভিন্ন ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ৮১ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৮৩ টাকা ৫০ পয়সা দরে নগদ ডলার বিক্রি করছে ব্যাংক ও কিনছে ৮০ থেকে ৮২ টাকা দরে। খোলাবাজারে এ দর ছিল আরও বেশি। খোলাবাজারে প্রতি ডলার কিনতে হয়েছে ৮৪ দশমিক ৫০ থেকে ৮৫ দশমিক ৫০ টাকায়। অন্যদিকে বিক্রি করতে গিয়েও বেশি দাম পেয়েছেন গ্রাহক। সেখানে সর্বোচ্চ ৮৩ টাকা ৫০ পয়সা দরেও বিক্রি হয়েছে ডলার।
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বাছাই করা কয়েকটি খবর
সন্ত্রাস মোকাবিলায় ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস হাসিনার- দৈনিক আনন্দবাজার

নিজের দেশের মাটিকে বিদেশি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কিছুতেই ব্যবহার করতে দেবেন না তিনি। বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পর্রীকরকে এ কথা জানালেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর সরকার যে কড়া হাতে সন্ত্রাসের মোকাবিলা করবে, সেই প্রতিশ্রুতির কথাও জানিয়েছেন তিনি। সন্ত্রাস মোকাবিলায় ভারতের পাশে বাংলাদেশ থাকবে বলেও আশ্বাস দেন হাসিনা। দারিদ্র মোকাবিলা ও মহিলাদের ক্ষমতায়নে ঢাকার সাফল্যের উল্লেখ করে হাসিনা সরকারের প্রশংসা করেন মনোহর পর্রীকর।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী সে দেশে গিয়েছেন। বুধবার ঢাকা পৌঁছান মনোহর পর্রীকর। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাড়িতে যান। প্রায় ৩০ মিনিট কথা হয় দু’জনের। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তরফে হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানান পর্রীকর। তিনি বলেন, ‘‘শেখ হাসিনার ভারত সফরের জন্য নরেন্দ্র মোদী অপেক্ষায় আছেন।’’ ১৯৭১-এর যুদ্ধে ব্যবহৃত একটি ভারতীয় হেলিকপ্টারের স্মারক ও ছত্রী বাহিনীর তোলা বাংলাদেশের কিছু দুর্লভ ছবি হাসিনার হাতে তুলে দেন পর্রীকর।
ইউ পি এ সরকার দুর্নীতির জন্যই পরিচিত: জেটলি- দৈনিক আজকাল

‘আড়াই বছর পার করেছে মোদি সরকার। কিন্তু দুর্নীতির কথা উঠলে আজও ইউ পি এ সরকারকেই মনে করেন মানুষ।’ মন্তব্য কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির। ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ওড়িশায় আয়োজিত একটি সভায় যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই ইউ পি এ সরকারকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, ‘মোদি সরকার অর্ধেক মেয়াদ পূর্ণ করেছে। দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা হলে, আজও মানুষের মুখে ইউ পি এ সরকারের নামই উঠে আসে। এন ডি এ সরকারের বিরুদ্ধে কিন্তু একটিও দুর্নীতির অভিযোগ নেই। এই সরকারের কাজকর্ম নিয়ে মানুষ অনেক বেশি কৌতুহলী।’ মোদি সরকারের নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলি একজোট হয়েছেন। রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই সরকারি সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা হচ্ছে বলে দাবি জেটলির।
নোট পাঠানোয় পক্ষপাতিত্ব চলছে: মমতা- দৈনিক বর্তমান

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর আরও চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাক-বিধানসভা নির্বাচন পর্বে উত্তরপ্রদেশের লখনউ এবং বিহারের পাটনাতে গিয়ে সদ্য কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে এসেছেন তিনি। কলকাতায় ফিরে বৃহস্পতিবার এক ট্যুইটবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী এবার অভিযোগ করেন, বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে নতুন নোট ভাগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত বৈষম্য হচ্ছে। এ বিষয়ে কেন্দ্র তথা রিজার্ভ ব্যাংকের কোনও পরিকল্পনা নেই। পক্ষপাতমূলক আচরণ করা হচ্ছে।
তাঁর দাবি, কোন রাজ্যকে কত নোট দেওয়া হচ্ছে, আরবিআই অবিলম্বে তার হিসাব প্রকাশ করুক। ওই ট্যুইটবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় নোটের আকালের খবর আমাদের কাছে এসে পৌঁছাচ্ছে। নাগরিকরা তাঁদের নিজেদের বেতন তুলতে পারছেন না। সংগঠিত ক্ষেত্রের যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে দেশের অসংগঠিত ক্ষেত্রের অবস্থা কতটা শোচনীয়, সেটা ভেবে দেখা উচিত।
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২