জানুয়ারি ০৪, ২০১৭ ১৫:১০ Asia/Dhaka

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৪ জানুয়ারি বুধবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বাংলাদেশ:

  • সাংসদ হত্যা মেনে নেওয়া যায় না, বিচার হবেই: শেখ হাসিনা- দৈনিক প্রথম আলো
  • ভিআইপিদের নিরাপত্তায় আসছে প্রটেকশন পুলিশ- দৈনিক মানবজমিন
  • ষড়যন্ত্রের আগুনেপুড়ল ডিসিসি মার্কেট- দৈনিক যুগান্তরের শীর্ষ শিরোনাম
  • ২০১৬ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬ হাজার জন: যাত্রী কল্যাণ সমিতি- দৈনিক সমকাল
  • ভোটে আওয়ামী লীগকে আর পরাজিত করা যাবে না: ওবায়দুল কাদের- দৈনিক মানবজমিন
  • বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী বিএনপির বিক্ষোভ ও কালোব্যাজ ধারণ : রিজভী- দৈনিক নয়াদিগন্ত

ভারত:

  • ৫ হাজার কোটির অস্ত্র কিনছে দিল্লি- দৈনিক আজকাল
  • মোদীর বাসভবনে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক ৩৬ তৃণমূল সাংসদ-দৈনিক আনন্দবাজার
  • মোদি-অমিত শাহকেও গ্রেপ্তারের দাবি মমতার- দৈনিক বর্তমান

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

সাংসদ হত্যা মেনে নেওয়া যায় না, বিচার হবেই: শেখ হাসিনা- দৈনিক প্রথম আলো

গাইবান্ধা-১ আসনের সাংসদ মনজুরুল ইসলাম (লিটন) হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, একজন সংসদ সদস্যকে হত্যা কখনো মেনে নেওয়া যায় না। এর বিচার হবেই।

আজ বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবন থেকে রংপুর বিভাগের আট জেলার জনগণের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারাই এ ঘটনার (মনজুরুল হত্যাকাণ্ডে) সঙ্গে জড়িত, যেভাবেই হোক তাদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে। এদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও গাইবান্ধা জেলার জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

গত শনিবার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন সাংসদ মনজুরুল ইসলাম। আওয়ামী লীগ এ ঘটনায় জামায়াতকে দায়ী করছে।

ভিআইপিদের নিরাপত্তায় আসছে প্রটেকশন পুলিশ- দৈনিক মানবজমিন

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ভিআইপিদের নিরাপত্তায় আসছে গার্ড অ্যান্ড প্রটেকশন পুলিশ। বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দীর্ঘ ভ্রমণের সময় পুলিশের এ প্রস্তাবিত ইউনিট নিরবচ্ছিন্নভাবে সুরক্ষা দেবে। এ ইউনিটের গার্ড ব্যাটালিয়ন ভিআইপিদের হাউজগার্ডের নিরাপত্তা দেবে। কেন্দ্রীয়ভাবে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের নিরাপত্তা দিলে জেলা ও থানা পর্যায়ে খণ্ডে খণ্ডে দেয়া সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে না। পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে গার্ড অ্যান্ড প্রটেকশন পুলিশগঠনের একটি প্রস্তাব গত ১লা জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। এআইজি ফারুক আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রস্তাবে গার্ড অ্যান্ড প্রটেকশন পুলিশের জন্য তিন হাজার ১৮৮ জনের পদ সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ২৬০টি যানবাহন টিওএন্ডইভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব জনবল ও যানবাহনের জন্য বছরে ব্যয় হবে ১৬০ কোটি এক লাখ ২১ হাজার ৯৮৮ টাকা। পুলিশের প্রস্তাবিত এ ইউনিটের প্রধান হবেন একজন ডিআইজি।

ষড়যন্ত্রের আগুনেপুড়ল ডিসিসি মার্কেট- দৈনিক যুগান্তরের শীর্ষ শিরোনাম

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজ হাতে আমাদের দোকানের চাবি তুলে দিয়েছিলেন। আবার ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই আমরা সর্বস্বান্ত হয়ে গেলাম। ষড়যন্ত্রের আগুনে আমাদের সর্বস্ব পুড়িয়ে দেয়া হল। নিশ্চয় প্রধানমন্ত্রী এ অন্যায়ের বিচার করবেন।

ভস্মীভূত দোকানের সামনে আহাজারি আর বিলাপের সঙ্গে চিৎকার করে এসব কথা বলছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরে সম্মুখ সমরে অস্ত্র হাতে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল আজিজ সরকার। তিনি বলেন, ‘এই আগুন সাধারণ কোনো আগুন নয়। এটি ষড়যন্ত্রের আগুন। জমি দখলে ষড়যন্ত্রের আগুনে আমরা পুড়ে ছারখার হয়ে গেলাম। মেট্রো গ্রুপ যে আমাদের স্বপ্নের মার্কেট পুড়িয়ে দিয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

তবে এ আহাজারি শুধু আবদুল আজিজের একার নয়। সিটি কর্পোরেশন মার্কেটের কয়েকশব্যবসায়ীর। এভাবে তাদের চোখের সামনে সব স্বপ্ন পুড়ে যাবে, তা তারা কোনো দিন কল্পনাও করেননি। ক্ষোভের সঙ্গে তারা বলেন, জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করতে মানুষ এতটা নিষ্ঠুর হতে পারে, তা ভাবা যায় না। ক্ষতিগ্রস্ত বেশিরভাগ ব্যবসায়ীর কণ্ঠে ছিল এ ধরনের ক্ষোভের আওয়াজ।

ভোটে আওয়ামী লীগকে আর পরাজিত করা যাবে না: ওবায়দুল কাদের- দৈনিক মানবজমিন

জনগণের ভোটে আওয়ামী লীগকে আর পরাজিত করা যাবে না। তাই ষড়যন্ত্রকারীরা চক্রান্তের চোরাগলির পথ বেছে নিয়েছে। শেখ হাসিনার কিছু হলে সারা বাংলায় আগুন জ্বলবে। সেই আগুনে কেউ রেহাই পাবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গতকাল রাজধানীতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। আগামী ১০ই জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের জনসভা সফল করতে কাউন্সিলরদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভা হয়।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশে বলেন, ভুল করে পার পাওয়া যাবে না। ১৯৭৫ আর ২০১৭ সাল এক নয়। পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই, ৭৫র বঙ্গবন্ধুকে যে বুলেট খুন করেছে, রক্তাক্ত করেছে; ২০১৭ সালে সেই বঙ্গবন্ধু হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। তার রক্তের উত্তরসূরি শেখ হাসিনাও অনেক বেশি শক্তিশালী।

২০১৬ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬ হাজার জন: যাত্রী কল্যাণ সমিতি- দৈনিক সমকাল

বিদায়ী ২০১৬ সালে সারাদেশে চার হাজার ৩১২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ছয় হাজার ৭ জন। আহত হয়েছেন এক লাখ পাঁচ হাজার ৯১৪ জন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

তিনি জানান, গত বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের ১০টি জাতীয় দৈনিক, ৬টি অনলাইন, ৬টি স্থানীয় দৈনিক ও টেলিভিশন চ্যানেল সমূহে প্রচারিত সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ নিয়মিত মনিটরিং-এর মাধ্যমে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী বিএনপির বিক্ষোভ ও কালোব্যাজ ধারণ : রিজভী- দৈনিক নয়াদিগন্ত

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আগামীকাল ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস। এদিনে ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে জনগণকে করা হয়েছে পরাধীন।

আগামীকাল সরকারি দলের সকল হুমকি ধামকি উপেক্ষা করে সারা বাংলাদেশের জেলা ও মহানগরগুলোতে বিএনপির কালো পতাকা মিছিল ও কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচী সফল হবে।

আজ বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এ কথা বলেন। নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, মজিবর রহমান সারোয়ার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, বেলাল আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, আমরা ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আগেই কর্মসূচী ঘোষণা করেছি। এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে। কিন্তু ৭ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের ব্যাপারে গণপূর্ত অধিদফতর অনুমতি দিলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। আশা করি পুলিশ প্রশাসন আমাদেরকে সমাবেশের অনুমতি দেবেন।

এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বাছাই করা কয়েকটি খবর

৫ হাজার কোটির অস্ত্র কিনছে দিল্লি- দৈনিক আজকাল

প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ভ্রাম্যমাণ ভারী আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে চলেছে ভারত। দু’‌বছরে এই নিয়ে তৃতীয়বার এত বেশি অঙ্কের অস্ত্র কেনার পথে মোদি সরকার। কিছু দরাদরির পরে এই ব্যাপারে চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেতে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় পেশ করা হবে। সূত্রের খবর, ভারতীয় সংস্থা লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো দক্ষিণ কোরিয়ার হানওয়া টেকউইনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে দিল্লির দাবি মেনে দেশের কামানগুলির আধুনিকীকরণের কাজ করছে। দুই সংস্থা মিলে সরকারের কাছে কামান বিক্রির জন্য আবেদন করেছিল। বলা হচ্ছে, তাদের ১০০ কামানের অর্ডার দেওয়া প্রায় নিশ্চিত। প্রতিবেশী দুই দেশ পাকিস্তান এবং চীনের কাছ থেকে প্রায়ই প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত হুমকি ভেসে আসছে।

ভারতে চালু আগ্নেয়াস্ত্রের অনেকগুলোর বয়স ৩০ বছর পার হয়েছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে ২৫০ কোটি ডলার দিয়ে আধুনিকীকরণ করতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আমলাতান্ত্রিক দেরির কারণে বিদেশ থেকে অস্ত্র কেনার কাজ থমকে যায়। এই অবস্থায় মরিয়া মোদি সেনার চাহিদা মেটাতে ‘‌মেক ইন ইন্ডিয়া’র ব্যানারে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরিতে মন দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক কর্তা জানিয়েছেন, লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো থেকে ১০০ কামান কেনার চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত। নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে তার ছাড়পত্র দেওয়া হবে। দ্বিতীয় এক আধিকারিক বলছেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক চুক্তির ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছে।

মোদীর বাসভবনে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক ৩৬ তৃণমূল সাংসদ-দৈনিক আনন্দবাজার

দলীয় সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে যাচ্ছিলেন ৩৬ জন তৃণমূল সাংসদ। কিন্তু, ৭ নম্বর রেসকোর্স রোডের আগেই দিল্লি পুলিশ তাঁদের আটক করে তুঘলক রোড থানায় নিয়ে যায়। তৃণমূলের অভিযোগ, পুলিশ তাঁদের সাংসদদের চূড়ান্ত হেনস্থা করেছে। ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার দুপুর পৌনে দুটো নাগাদ সংসদে নিজেদের দলীয় কার্যলায়ে উপস্থিত হন তৃণমূলের সাংসদেরা। তার পরে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাবেন। সেই মতো তাঁরা গাড়ি নিয়ে ৭ নম্বর রেস কোর্সের উদ্দেশে রওনা দেন। ওই দলে মুকুল রায়, শতাব্দী রায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দিব্যেন্দু অধিকারি, ইদ্রিস আলি, ডেরেক ওব্রায়েন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অপরূপা পোদ্দার, সুখেন্দুশেখর রায়, দীনেশ ত্রিবেদীরা ছিলেন। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের আগেই তাঁদের আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। এর পর গাড়ি থেকে নেমে তাঁরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে হেঁটে এগনোর চেষ্টা করেন। তখন পুলিশ তাঁদের আটকায়। সেই সময় দুপক্ষের মধ্যে ধ্বস্তাধস্তি শুরু হয়। হাতাহাতি হতেও দেখা যায়। সাংসদেরা তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পদত্যাগ দাবি করে স্লোগান দিতে থাকেন।

মোদি-অমিত শাহকেও গ্রেপ্তারের দাবি মমতার- দৈনিক বর্তমান

মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়ার আগের মুহূর্তে দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এসএমএস করে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, বীরের মতোই এসেছি। মা-মাটি-মানুষ জিন্দাবাদ। মেদিনীপুর থেকে ফেরার পথে হেলিকপ্টার থেকে নামতেই নেত্রী জানতে পারেন, দলের লোকসভার নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। এই সংবাদে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডুমুরজলার হেলিপ্যাড থেকে সোজা নবান্নে এসে সাংবাদিকদের সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি।

মমতা বলেন, আপনারা শুনেছেন সুদীপদা গ্রেপ্তার হয়েছেন। তিনি সিনিয়র লিডার। আমি যখন কংগ্রেস করেছি, তখন প্রিয়দা, সুব্রতদা, সুদীপদা, সৌগতদা আমাদের লিডার ছিলেন। সুদীপদাকে যদি গ্রেপ্তার করতে হয়, তাহলে দাঙ্গাবাজ নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকেও গ্রেপ্তার করতে হবে। মোদি কী করে ১০ কোটি টাকার দামের কোট পরেন? বিদেশ সফরে সাংবাদিকদের নিয়ে যান না কেন? বাক্স করে কী নিয়ে যান? দিল্লিতে পার্ল নামে চিটফান্ড সংস্থা কী করে চলছে? আমরা গোধরা, গুজরাত দাঙ্গা ভুলিনি। কেন গ্রেপ্তার হবেন না মোদি, অমিত শাহ?

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/৪