ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০১৭ ০৬:৪৯ Asia/Dhaka

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বাংলাদেশ:

  • যার যার অবস্থানে থেকে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী- দৈনিক মানবজমিন
  • বিটিভির অনুষ্ঠান ভারতে সম্প্রচার হবে: তথ্যমন্ত্রী- দৈনিক ইত্তেফাক
  • ১৪ দলের তালিকায় সিইসিসহ ৪ জন পরিকল্পিত না কাকতালীয়- দৈনিক যুগান্তর
  • ইসিতে জনমতের প্রতিফলন ঘটেছে: ওবায়দুল কাদের- দৈনিক যুগান্তর
  • ক্ষমতার জন্যই বিতর্কিত ব্যক্তিকে সিইসি নিয়োগ : নোমান- দৈনিক নয়াদিগন্ত
  • 'লীগ থেকে বহিষ্কার মেয়র মিরু- দৈনিক সমকাল
  • ভয়ঙ্কর অপকর্মে ৩০ গ্যাং- দৈনিক মানবজমিন

ভারত:

  • বিধানসভায় তুলকালাম, বিল ঘিরে ধস্তাধস্তি, অসুস্থ মান্নান বেরোলেন স্ট্রেচারে
  • মুসলিমদেরও ‘ভারত মাতা’র পুজো করা উচিত: মোহন ভাগবত- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক হলেন আরিজ আফতাব- দৈনিক বর্তমান

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

যার যার অবস্থানে থেকে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী- দৈনিক মানবজমিন

সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যার যার অবস্থানে থেকে ভূমিকা রাখতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে সরকার জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও এই গণসচেতনতা সৃষ্টির কাজে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীরও এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী সমাজের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তারা যেন নিজ নিজ সন্তান সন্ততির দিকে ঠিকমতো খেয়াল রাখেন যাতে করে কেউ আর এই সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ এবং মাদকাসক্তির পথে পা বাড়াতে না পারে। প্রধানমন্ত্রী গতকাল ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) ২০১৬-২০১৭ কোর্সের গ্র্যাজুয়েশন প্রদান উপলক্ষে মিরপুর সেনানিবাসের শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।

বিটিভির অনুষ্ঠান ভারতে সম্প্রচার হবে: তথ্যমন্ত্রী- দৈনিক ইত্তেফাক

ভারতের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দূরদর্শনের মাধ্যমে দেশটিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা বিটিভির অনুষ্ঠান প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জাতীয় পার্টির সালমা ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের সময় দূরদর্শনের একটি চ্যানেলে ডিটিএইচ প্রযুক্তির মাধ্যমে বিটিভির অনুষ্ঠান প্রচারের বিষয়ে তাঁর সম্মতি পাওয়া যায়। সে অনুযায়ী দূরদর্শন ও বিটিভির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলের বিষয়ে ভারতীয় দর্শকদের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। তবে ডাউনলিংক ফি বেশি হওয়ায় ভারতীয় কেবল অপারেটররা এ বিষয়ে আগ্রহী হচ্ছেন না। এ ছাড়া বাংলাদেশসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর টিভি চ্যানেলগুলো যাতে সহজে ভারতে সম্প্রচার করা যায়, সে জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিষয়টি সার্ক ফোরামে উত্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

১৪ দলের তালিকায় সিইসিসহ ৪ জন পরিকল্পিত না কাকতালীয়- দৈনিক যুগান্তর

আওয়ামী লীগ কি শরিকদের দিয়ে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে? নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনের পর এ প্রশ্নটিই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সচেতন রাজনৈতিক মহলে। কারণ ৫ সদস্যের ইসিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) চারজনই মনোনীত হয়েছেন সার্চ কমিটির কাছে জমা দেয়া আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিকদের তালিকা থেকে। অবশ্য এর মধ্যে একজন কমিশনারের নাম ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের তালিকায়ও ছিল। আর বিএনপির দেয়া তালিকা থেকে এসেছে বাকি একজনের নাম।

তাই প্রশ্ন উঠেছে, নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকারি দল পরিকল্পিতভাবে তার মিত্রদের কাজে লাগিয়েছে নাকি এটা কাকতালীয় ঘটনা?

জবাবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- কমিশন গঠনের বিষয়টিতে প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। কয়েকজনের পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে মনোনীত হয়েছেন তারা। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট দলগুলোর দায়িত্বশীল নেতারা। তারা বলছেন, এটা তাদের সুচিন্তিত কর্মকৌশলের অংশ। অবশ্য সিইসির নাম প্রস্তাব করে আলোচনায় আসা গণতন্ত্রী পার্টির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নাম জমা দেয়ার আগে ১৪ দলের শরিকদের কারও কারও সঙ্গে এ বিষয়ে ফোনে তাদের কথাবার্তা হয়েছে।

ইসিতে জনমতের প্রতিফলন ঘটেছে: ওবায়দুল কাদের- দৈনিক যুগান্তর

শুধু প্রধানমন্ত্রীই নয়, নতুন ইসিতে জনমতের প্রতিফলন ঘটেছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। নব গঠিত নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের প্রতিফলন ঘটেছে- বিএনপির এমন বক্তব্যের জবাবে বুধবার দুপুরে তিনি এ কথা বলেন।

এদিন রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর নির্মাণকাজের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে অংশ নেন ওবায়দুল কাদের। সেখানে তিনি বলেন, বিএনপির মনোভাবই হলো- মানি না, মানব না। বিএনপি সবকিছুতেই সন্দেহ করে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজে একতরফা কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। সার্চ কমিটি হয়েছে, তারা আলাপ-আলোচনা করেছেন। বিভিন্ন দলের সঙ্গে তাদের সংলাপ হয়েছে। সার্চ কমিটি দেশের বিশিষ্টজনদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেছে। প্রথমে বারজনের সঙ্গে এবং আবার পাঁচজনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন যাতে কোনো খুঁত না থাকে। এরপরেও আমার মনে হয় এটি নিয়ে কোনো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকা উচিত নয়।

ক্ষমতার জন্যই বিতর্কিত ব্যক্তিকে সিইসি নিয়োগ : নোমান- দৈনিক নয়াদিগন্ত

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান অভিযোগ করেছেন, ক্ষমতা না ছাড়ার লক্ষ্যেই বিতর্কিত ব্যক্তি কে এম নুরুল হুদাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, কে এম নুরুল হুদা কে ছিলেন? ১৯৭৩ সালে তিনি কী রাজনীতি করেছেন? আমরা কি আরো ভালো এবং সবার গ্রহণযোগ্য একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঠিক করতে পারতাম না? কিন্তু সেটা করা হয়নি। তা না হওয়ার কারণ হচ্ছে একটিই- বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকা ও ক্ষমতা না ছাড়া । আমি মনে করি, আমার ভোট আমি দেবো, যাকে খুশি তাকে দেবো- এটার ভিত্তিতে আমাদেরকে নতুন করে আন্দোলন করতে হবে। সেই আন্দোলন রাস্তায় করতে না পারি, সেই আন্দোলন টেলিভিশনে করবো, সেই আন্দোলন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে করব, সেই আন্দোলন ১০ জনকে নিয়ে সত্য কথাটা বলবো। এই সত্য কথা বলার অভাব আজকে অনুভব করছি। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে বলেন নোমান।

‘৫ জানুয়ারির নির্বাচন ছাড়া কোনো পথ খোলা ছিল না’- দৈনিক ইত্তেফাক

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন আয়োজন ছাড়া গণতান্ত্রিক কোনো গণতান্ত্রিক পথ খোলা ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন বিদায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।  

তিনি বলেছেন, ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে একদিকে একটি বড় রাজনৈতিক দলসহ কয়েকটি দলের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন চলছিল, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছিল যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। এ কঠিন পরিস্থিতিতে দেশে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো বিকল্প ছিল না।  

বুধবার বিকালে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিদায়ী বক্তব্যে কাজী রকিব এ কথা বলেন। তিনি বলেন, রাজনীতিতে মাঠে না নামলে ফাঁকা মাঠে গোল হবেই। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন না হলে দেশে অরাজক ও সাংবিধানিক সংকটময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো।

'লীগ থেকে বহিষ্কার মেয়র মিরু- দৈনিক সমকাল

দৈনিক সমকালের শাহজাদপুর প্রতিনিধি আবদুল হাকিম শিমুল গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় শাহজাদপুরের পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা হালিমুল হক মিরুকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এ.কে.এম নাসির উদ্দিনকেও দল থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়।

মেয়র মিরু সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বুধবার রাতে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. কে এম হোসেন আলী হাসান বলেন, 'দলের কেন্দ্রীয় কমিটির দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি হাতে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, 'দলের গঠনতন্ত্রের ৪৬(ক) ধারা মতে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হালিমুল হক মিরুকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি মেয়র মিরুকে কারণ দর্শানোর নোটিসও দেওয়া হয়েছে এবং ১৫ কার্যদিবসে জবাব পাঠাতে বলা হয়েছে।'

ভয়ঙ্কর অপকর্মে ৩০ গ্যাং- দৈনিক মানবজমিন

গ্যাং গ্রুপ। একটি, দুটি না। রাজধানীর শুধু উত্তরা এলাকাতেই রয়েছে কিশোর-তরুণদের অন্তত ৩০টি গ্রুপ। প্রতিটি গ্রুপে ২৫ থেকে ৩০ জন সদস্য রয়েছে। প্রায় ১৫ বছর আগ থেকে এসব গ্রুপের জন্ম হলেও আলোচনায় আসেনি। সর্বশেষ উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরে স্কুলছাত্র আদনান কবির হত্যার পর একে একে প্রকাশ পাচ্ছে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য। গ্যাং গ্রুপের ওপর নির্মিত  

 ভারতীয় বিভিন্ন ফিল্ম অনুসরণ করে গ্রুপের সদস্যরা। নিজেদের এলাকার সম্রাট ভাবতেই স্বাচ্ছন্দবোধ করে। কাউকেই তোয়াক্কা করে না এই বিপথগামী কিশোর-তরুণরা। এসব গ্রুপের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানা গেছে, এলাকার আধিপত্য বিস্তার, স্কুল কলেজে র‌্যাগিং, ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা, মাদক সেবন, উচ্চ শব্দ করে মোটরসাইকেল, গাড়ি চালিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করাই তাদের কাজ। কখনও কখনও ছিনতাইয়ে জড়িয়ে যায় গ্রুপের সদস্যরা। মাদক ও শিসা সেবন করার ছবি, অশ্লীল ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করে তারা। এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী কাউকে মেনে নিতে পারে না।

এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বাছাই করা কয়েকটি খবর

বিধানসভায় তুলকালাম, বিল ঘিরে ধস্তাধস্তি, অসুস্থ মান্নান বেরোলেন স্ট্রেচারে- দৈনিক আনন্দবাজার

অসুস্থ বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নানকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে

সম্পত্তি ভাঙচুরে কড়া শাস্তির বিধান দিতে বিল পেশ করল রাজ্য সরকার। আর সেই বিল পেশের দিনেই ধুন্ধুমার বাধল বিধানসভায়! সরকারি নিরাপত্তারক্ষী ও বিরোধী পক্ষের বিধায়কদের ধস্তাধস্তিতে অসুস্থ বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নানকে হাসপাতালে পাঠাতে হল। সভার মধ্যেই তাঁদের আক্রমণ ও শ্লীলতাহানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনলেন বিরোধী শিবিরের অন্তত দু’জন মহিলা বিধায়ক। এই কুরুক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বিধানসভার আসবাবের মূল্য নির্ধারণের নির্দেশ দিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভাঙচুর ঠেকানোর নামে রাজ্য সরকার প্রতিবাদ-আন্দোলনের কণ্ঠ রোধ করতে চাইছে বলে অভিযোগ তুলে গোড়া থেকেই বিলের বিরোধিতা করছিল কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট। তাদের অভিযোগ, ২০০৬ সালের ৩০ নভেম্বর তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে বিধানসভায় ভাঙচুর চালিয়েছিলেন তৃণমূলের বিধায়কেরা। কাজেই এমন বিল তৈরির নৈতিক অধিকার তৃণমূলের আছে কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন বিরোধীরা। ২০০৬-এর সেই ভাঙচুরের ঘটনার ছবি সংবলিত অ্যাপ্রন গলায় পরেই বুধবার সভাকক্ষে ঢুকেছিলেন কংগ্রেস ও বাম বিধায়কেরা। উত্তেজনার সূত্রপাত সেই ছবি থেকেই।

মুসলিমদেরও ‘ভারত মাতা’র পুজো করা উচিত: মোহন ভাগবত- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

মুসলিমরা ভারত মাতার পুজো করলে ক্ষতি কী? বুধবার হিন্দু মহাসম্মেলনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে এমনই সওয়াল করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। তাঁর বক্তব্য, ধর্মীয় রীতি-নীতি আলাদা হতেই পারে, কিন্তু আদতে প্রত্যেকেই যখন এই ভারতভূমির সন্তান তখন জন্মভূমির স্তুতি করতে অসুবিধা কোথায়?

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক হলেন আরিজ আফতাব- দৈনিক বর্তমান

রাজ্যের নতুন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা সিইও হলেন আরিজ আফতাব। তিনি স্বনির্ভর গোষ্ঠী দপ্তরের প্রধান সচিব ছিলেন। বর্তমান সিইও সুনীল গুপ্তার জায়গায় এলেন। সুনীলবাবু সাড়ে ছ’বছর ধরে রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে ছিলেন। গত বিধানসভা ভোটে তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। সেই দাবি মানায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ‘অতি সক্রিয়তায়’ রাজ্যে শাসক দলের কর্তাব্যক্তিরাও অসন্তুষ্ট হন। ভোট শেষ হওয়ার পর তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন একই পদে থাকার পর তিনিও সেখান থেকে চলে যেতে চাইছিলেন। তাছাড়া আগামী দু’বছর রাজ্যে বড় নির্বাচন নেই। ফলে কমিশনেরও কাজ কম। তাই সুনীলবাবুও সরকারের যে কোনও দপ্তরে ফিরে আসতে চাইছিলেন।

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/৯