মার্চ ২২, ২০১৭ ০৬:৫৯ Asia/Dhaka

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২২ মার্চ বুধবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বাংলাদেশ:

  • ৮২ ভাগ জঙ্গি সামাজিক মাধ্যম থেকে উদ্বুদ্ধ- দৈনিক প্রথম আলো
  • জঙ্গি অনুপ্রবেশ: দিল্লিকে সতর্ক করেছে ঢাকা- দৈনিক যায়যায়দিন
  • বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশ ধ্বংস হবে: প্রধানমন্ত্রী- দৈনিক মানবজমিন
  • খালেদা জিয়ার ৩২ মামলার ২১টিতে চার্জশিট- দৈনিক ইত্তেফাক
  • বেহাল শিশু হৃদরোগ চিকিৎসা: ৬ লাখ রোগীর জন্য ১৬ জন চিকিৎসক- দৈনিক সমকাল
  • মুসা বিন শমসেরের বিলাসবহুল গাড়ি আটক- দৈনিক নয়াদিগন্ত
  • আজ বিশ্ব পানি দিবস: ধনীর পানির অপচয়, গরিবের টানাটানি- দৈনিক প্রথম আলো

ভারত:

  • নারদকাণ্ডে সিবিআই বহাল- দৈনিক বর্তমান
  • ‘রায় ভাল হয়েছে, ইতিবাচক’! মমতার প্রত্যয়ে প্রশ্ন দলে- দৈনিক আনন্দবাজার
  • ‘মেগা ড্যাম’ প্রকল্পে আতঙ্কিত পাকিস্তান এবার দিল্লির দরবারে- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • গোমাংস গুজবে হোটেলে গন্ডগোল- দৈনিক আজকাল

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশ ধ্বংস হবে- দৈনিক মানবজমিন

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০০১ সালের মতো বিএনপি-জামায়াতের ন্যায় অপশক্তি আবারো ক্ষমতায় গেলে দেশ ধ্বংসের মুখে পড়বে। তাই দেশবাসীকে এই হুমকির ব্যাপারে সদা সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আগামী ২০১৯ সালের নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য মাগুরাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আওয়ামী লীগের লক্ষ্য উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়া। সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী গতকাল মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাংলার মাটিতে যারা গণহত্যা চালিয়েছে, মা-বোনের ইজ্জত লুটেছে, যারা হত্যা, খুন ও সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছে, তাদের স্থান বাংলার মাটিতে নেই। তাদের স্থান বাংলার মাটিতে হবে না। তিনি বলেন, ‘কাজেই আপনারা আওয়ামী লীগের পতাকা তলে সমবেত হয়ে আওয়ামী লীগের হাতকে শক্তিশালী করুন।’ আমি আশাকরি ২০১৯ সালের যে নির্বাচন হবে সে নির্বাচনেও আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন।

খালেদা জিয়ার ৩২ মামলার ২১টিতে চার্জশিট- দৈনিক ইত্তেফাক

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে এ পর্যন্ত দুর্নীতি, নাশকতা, মানহানি ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ৩২টি মামলা চলছে। ইতিমধ্যে তদন্ত শেষে চার্জশিট দেয়া হয়েছে ২১ মামলায়। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা শেষ পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। আসামিকে পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর আদালত সাফাই সাক্ষ্য গ্রহন করবে। পরে যুক্তি-তর্ক শেষে রায় ঘোষণা। মামলাগুলোর কোনটি চলছে দ্রুতগতিতে। কোনটির গতি মন্থর। খালেদা জিয়াকে প্রায় প্রতি সপ্তাহে আদালতে যেতে হচ্ছে। কোন কোন সপ্তাহে দুই বারও ডাক পড়ছে হাজিরার।

কয়েকদিন আগে বিএনপির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলাটি ঢাকা-৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালত থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ৬০ দিনের মধ্যে মামলার বিচারকাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সময়সীমাকে বিএনপির ওপর নতুন চাপ বলে কেউ কেউ মনে করলেও দলটির নেতা ও আইনজীবীরা চাপ মনে করছেন না।

৮২ ভাগ জঙ্গি সামাজিক মাধ্যম থেকে উদ্বুদ্ধ- দৈনিক প্রথম আলো

দেশে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়া তরুণদের ৮২ শতাংশই ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও তাঁরা এই মাধ্যম ব্যবহার করছেন।

গ্রেপ্তার হওয়া ২৫০ জন জঙ্গির ওপর চালানো এক সমীক্ষার ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে পুলিশ। এই ২৫০ জনের মধ্যে ৫৬ শতাংশ বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম থেকে আসা। ২২ শতাংশ মাদ্রাসায় লেখাপড়া করা। অন্যরা নানা জায়গা থেকে আসছেন। ১২ থেকে ১৪ মার্চ ঢাকায় অনুষ্ঠিত ১৪ দেশের পুলিশপ্রধানদের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাস প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করতে হবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে করা অপরাধ (সাইবার অপরাধ) মোকাবিলার জন্য। এ ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনকে মডেল বলে মনে করছে বাংলাদেশ পুলিশ। দেশ দুটি সাইবার অপরাধ মোকাবিলার ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে।

জঙ্গি অনুপ্রবেশ: দিল্লিকে সতর্ক করেছে ঢাকা- দৈনিক যায়যায়দিন

গত বছর সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গিদের ভারতে যাওয়ার প্রবণতা 'তিন গুণ বেড়েছে' বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সতর্ক করার খবর এসেছে ভারতীয় একটি পত্রিকায়। টাইমস অব ইন্ডিয়া মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে হরকাতুল জিহাদ আল ইসলাম (হুজি) ও জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) মতো জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় প্রবেশের প্রবণতা তিনগুণ বেড়েছে বলে ঢাকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দিলি্লকে।

তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

২০১৪ সালের অক্টোবরে বর্ধমান বিস্ফোরণের ঘটনায় জেএমবির সম্পৃক্ততা পাওয়ার পর ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএর কর্মকর্তারা বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করছেন। সেসব তথ্যের ভিত্তিতে দুই দেশে বেশ কয়েকজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।  বর্ধমান বিস্ফোরণের ওই ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই জঙ্গি নিহত হয়। এ মামলার অভিযোগপত্রেও জেএমবি সদস্যদের জড়িত থাকার কথা বলেছেন তদন্তকারীরা।

বেহাল শিশু হৃদরোগ চিকিৎসা: ৬ লাখ রোগীর জন্য ১৬ জন চিকিৎসক- দৈনিক সমকাল

ছোট্ট শিশুকে বুকে আঁকড়ে চিকিৎসকের কক্ষের সামনে অপেক্ষা করছেন মা-বাবা। সিরিয়াল জটে তাদের কেউ কেউ সন্তানকে মেঝেতে বিছানা পেতে শুইয়ে দিয়ে পাশে বসে আছেন। কেউবা বুকে আগলে রেখে কান্না থামানোর চেষ্টা করছেন। তাদের সবাই হৃদরোগে আক্রান্ত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শিশু হৃদরোগ বিভাগের সামনে আদরের সন্তানের চিকিৎসার জন্য উদ্বিগ্ন মা-বাবার অপেক্ষার এ চিত্র নিত্যদিনের।

শুধু বিএসএমএমইউতে নয়, রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (এনআইসিভিডি), ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও ঢাকা শিশু হাসপাতালের শিশু কার্ডিওলজি বিভাগের সামনের চিত্র অনেকটা অভিন্ন। সেখানে শিশু হৃদরোগীর উপচেপড়া ভিড়। এই যখন বাস্তবতা তখন দেশে পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজির (শিশু হৃদরোগ) পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা নেই। এনআইসিভিডি ছাড়া দেশের আর কোনো হাসপাতালে শিশু হৃদরোগীর চিকিৎসা নেই বললেই চলে। সেখানে যতটুকু সেবা দেওয়া হয়, তাও চলছে নানা অব্যবস্থাপনায়। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) ও ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে অল্পবিস্তর শিশু হৃদরোগের সেবা পাওয়া যায়। তবে পরিসংখ্যানে মিলছে অবাক করার মতো তথ্য। ছয় লাখ শিশু হৃদরোগীর জন্য সরকারি-বেসরকারিভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছেন মাত্র ১৬ জন। চিকিৎসা পাওয়া যায় মাত্র ছয়টি প্রতিষ্ঠানে।

ঋণ হাতিয়ে উধাও ৩ হাজার গার্মেন্ট- দৈনিক যুগান্তর

দুর্নীতির মাধ্যমে ঋণ নেয়া ৩ হাজার গার্মেন্ট এখন বন্ধ। এর বেশির ভাগ গার্মেন্টের কোনো অস্তিত্বই নেই। উধাও হয়ে গেছে। সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ না দিয়ে কয়েকশ’ উদ্যোক্তা সটকে পড়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা আদায় হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। বাধ্য হয়ে ইতিমধ্যে ৭ হাজার কোটি টাকা অবলোপন করতে হয়েছে। বাকি টাকার ভবিষ্যৎও একই পথে এগোচ্ছে। এর ফলে বিপাকে পড়েছে সরকারি ও বেসরকারি খাতের কম-বেশি সব ক’টি ব্যাংক। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় ৩৫টি ব্যাংক।

অথচ গোপন কমিশন ভাগাভাগির মাধ্যমে যারা চরম অনিয়ম করে এসব ঋণ দিয়েছেন তাদের কিছুই হয়নি। খেলাপিরাও আছেন বহাল তবিয়তে। অনেকে যে প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ নিয়েছেন সেখানে ঋণের ১০ শতাংশ টাকাও বিনিয়োগ করেননি। ঋণের টাকায় অন্যত্র ভিন্ন নামে শিল্প গড়ে তুলেছেন কিংবা বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু ব্যাংকের টাকা দিচ্ছেন না। এভাবে মুষ্টিমেয় কিছু দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তির কারণে ব্যাংক ও গার্মেন্ট খাতে ব্যাপক ক্ষতি বয়ে এনেছে। যুগান্তরের তথ্যানুসন্ধানে গার্মেন্ট খাতের এ রকম বেহালচিত্র বেরিয়ে এসেছে।

মুসা বিন শমসেরের বিলাসবহুল গাড়ি আটক- দৈনিক নয়াদিগন্ত

রহস্যময় ধনকুবের মুসা বিন শমসেরের একটি দামী গাড়ি আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। শুল্ক ফাঁকি দেয়ার অভিযোগে মঙ্গলবার বিকেলে ধানমন্ডি থেকে গাড়িটি আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ মঙ্গলবার মুসা বিন শমসেরের গুলশানের বাড়িতে হানা দেন শুল্ক কর্মকর্তারা। কিন্তু তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির লোকজন গাড়িটি অন্যত্র সরিয়ে ফেলেন। পরে বিকেলে ধানমন্ডি এলাকা থেকে গাড়িটি আটক করা হয়। শুল্ক গোয়েন্দা দফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে।

শুল্ক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়েছে, কালো রঙের এই রেঞ্জ রোভার গাড়িটি ভুয়া আমদানি দলিল দিয়ে অন্য একটি নম্বর দিয়ে ভোলা থেকে রেজিস্ট্রেশন করা হয় অন্য এক ব্যক্তির নামে। রেজিস্ট্রেশনের সময় গাড়িটির রঙ সাদা থাকলেও উদ্ধারকৃত গাড়িটি হচ্ছে কালো রঙের। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে এই গাড়ির শুল্ক পরিশোধের প্রমাণ হিসেবে যে বিল অব এন্ট্রি দেখানো হয়েছে, সেটি ভূয়া বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

আজ বিশ্ব পানি দিবস: ধনীর পানির অপচয়, গরিবের টানাটানি- দৈনিক প্রথম আলো

ঢাকায় সচ্ছল একটি পরিবার শুধু টয়লেটের কমোড ফ্ল্যাশ করে দিনে যতটা পানি খরচ করে, তা দিয়ে বস্তির একটি পরিবার খাবার-রান্না-গোসলসহ সব কাজ চালায়।

অথচ দুটি পরিবারকে একই দামে সরকারের কাছ থেকে পানি কিনতে হয়। ওয়াসার এই পানিতে ধনী ও নিম্নবিত্ত পরিবার ভেদে সরকারের ভর্তুকিতে কোনো বেশি-কম নেই। ধনী পরিবারটি ফেলে-ছড়িয়ে পানির অপচয় করার সুযোগ পায়। বস্তির পরিবারটি অনেক হিসাব করে প্রয়োজন মেটায়।

ঢাকার পানি সরবরাহকারী একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান ঢাকা ওয়াসার তথ্য এবং নগরবাসীর পানি ব্যবহারের মানদণ্ড বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

আজ ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য বর্জ্য পানির পুনর্ব্যবহার। মানে অপচয় প্রতিরোধ।

এবারে কোলকাতার কয়েকটি দৈনিকের বিস্তারিত খবর

নারদকাণ্ডে সিবিআই বহাল- দৈনিক বর্তমান

নারদ কাণ্ডে সিবিআ‌ই তদন্তই বহাল রইল। প্রায় দেড় ঘণ্টার শুনানির শেষে আজ স্পষ্ট ভাষায় একথা জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূল নেতাদের উদ্দেশ্যে সর্বোচ্চ আদালতের প্রশ্ন, সিবিআইকে এত ভয় কীসের? একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি জে এস খেহরের বেঞ্চ জানিয়ে দিল, কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে কোনও ক্রটি নেই। সেই মতো হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে নারদ স্টিং অপারেশনে যাঁদের টাকার লেনদেন করতে দেখা গিয়েছে, তাঁদের আবেদন (এসএলপি) সরাসরি খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। কেবল সিবিআই তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশই নয়। কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআইকে যে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে বলেছিল, সেই ‘সময়সীমা’ও বাড়িয়ে দিল সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি খেহরের নির্দেশ, হাইকোর্ট যেদিন রায় দিয়েছে, তার থেকে এক মাসের মধ্যে সিবিআই প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দেবে।

‘রায় ভাল হয়েছে, ইতিবাচক’! মমতার প্রত্যয়ে প্রশ্ন দলে- দৈনিক আনন্দবাজার

নারদ কাণ্ডে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ক্ষমা চাইতে হয়েছে রাজ্য সরকারকে। কিন্তু সেই অস্বস্তি যেন গায়েই মাখতে চাইলেন না মুখ্যমন্ত্রী। উল্টে এ দিন সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে বেরনোর সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাহসী মুখ দেখিয়ে বলেন, ‘‘রায় ভাল হয়েছে। ইতিবাচক।’’

সুপ্রিম কোর্টের ঘটনাপ্রবাহ দেখে মঙ্গলবার প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি তৃণমূলের কোনও নেতাই। দলের অন্দরে ছিল উদ্বেগের স্রোত। সন্ধ্যায় মমতার মন্তব্য শুনে একান্তে নেতাদের অনেকেরই বিস্ময়মাখা প্রশ্ন, এই রায়ে ইতিবাচক কী দেখলেন দিদি! হাইকোর্টে আগেই মুখ পুড়েছিল সরকারের। সুপ্রিম কোর্টে আরও বেইজ্জতি হল। কিছু নেতার ব্যক্তিগত দুর্নীতি আড়াল করতে সরকার কেন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল— এই প্রশ্ন উঠেছে তৃণমূলের অন্দরে।

‘মেগা ড্যাম’ প্রকল্পে আতঙ্কিত পাকিস্তান এবার দিল্লির দরবারে- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

কাশ্মীর উপত্যকায় ‘মেগা ড্যাম’ গড়ে তোলার ভারতের পরিকল্পনায় চরম আতঙ্কিত পাকিস্তান৷ তাই এবার নয়াদিল্লির কাছে প্রকল্পটির বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চেয়ে আবেদন করেছে ইসলামাবাদ৷ এছাড়াও একটি পাক প্রতিনিধি দলকে কাশ্মীরের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হোক বলেও দাবি জানিয়েছে পাক সরকার৷

প্রায় দু’বছর পর সোমবার, ইসলামাবাদে শুরু হয় ‘ইন্ডাস ওয়াটার কমিশন’-এর বৈঠক৷ ওই বৈঠক চলাকালীন সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি নিয়ে দু’দেশের মধ্যে বিস্তর আলোচনা হয়৷ ওই বৈঠকে কাশ্মীর উপত্যকায় নির্মীয়মাণ তিনটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিষয়ে জানতে চায় পাকিস্তান৷ চন্দ্রভাগা নদীর উপর ওই প্রকল্পগুলি হচ্ছে, পাকাল দুল, লোয়ার কালনাই ও মিয়ার৷ ইতিমধ্যে ভারতের বিরুদ্ধে সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে পাকিস্তান৷ এনিয়ে বিশ্বব্যাঙ্কের কাছেও নালিশ করেছে পাকিস্তান৷

গোমাংস গুজবে হোটেলে গন্ডগোল- দৈনিক আজকাল

গোমাংস নিয়ে গুজব। আর তার জেরে বন্ধ করে দেওয়া হল জয়পুরের একটি হোটেল। গ্রেপ্তার করা হয়েছে হোটেলের ম্যানেজার এবং এক কর্মীকে। পরে অবশ্য তাঁরা জামিনে ছাড়া পান। যদিও হোটেলে কোনও গোমাংস পাওয়া যায়নি। একইসঙ্গে জানা গেছে, হোটেলটি চালানোর কোনও অনুমতিও ছিল না। রাজস্থানে গোহত্যা নিষিদ্ধ। গোমাংসের ব্যবসা করলে এখানে ১০ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা ১০ বছরের জেল অথবা দুই–ই হতে পারে।

হোটেলের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, সেখানে দীর্ঘদিন ধরেই গোমাংসের ব্যবসা চলছিল। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে মাংসের টুকরো হোটেলের বাইরে ছুড়ে পরিবেশ নোংরা করারও অভিযোগ আছে। যদিও হোটেলের কর্মীরা বাইরে মাংসের টুকরো ছোড়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। এই ঘটনা ঘিরে হোটেলের কর্মী ও গোরক্ষক দলের সদস্যদের মধ্যে বচসা বেঁধে যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, হোটেল গোমাংস রান্না হয় বলে গুজব ছড়ালেও হোটেলে কোনও গোমাংস পাওয়া যায়নি।

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২২