বিএনপির আমলে দেশে জঙ্গি সংগঠনের সৃষ্টি হয়েছে: হানিফ
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৫ মার্চ শনিবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
মুহুর্মুহ গুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ, ভবন প্রাঙ্গণে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যান:ইত্তেফাক
সিলেট দক্ষিণ সুরমা উপজেলাধীন শিববাড়ি এলাকার ‘আতিয়া মহলের’ জঙ্গি আস্তানায় আটকে পড়া শতাধিক বাসিন্দাদের উদ্ধারের পর শুরু হয়েছে চূড়ান্ত অভিযান। শনিবার দুপুর সোয়া দুইটার দিকে ভবনের ভেতর থেকে মুহুর্মুহু গুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ ভেসে আসতে শোনা গেছে। এর আগে ভবন প্রাঙ্গণে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যান প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে অভিযানকে কেন্দ্র করে সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ওই এলাকায় যানচলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে আতিয়া মহলের ২৯টি ফ্ল্যাটে আটকে পড়া বাসিন্দাদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া শুরু করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তাদের সরিয়ে আনতে ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে। স্থানীয় বেশ কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ইতিমধ্যে শতাধিক বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া সম্ভব হয়েছে। এ অভিযানের নাম দেওয়া হয়ে ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’।
এর আগে সকাল পৌনে আটটার দিকে আতিয়া মহলের গ্যাস, বিদ্যুত্ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এছাড়া আতিয়া মহলের এক কিলোমিটারের মধ্যে সাংবাদিকসহ কাউকে অবস্থান করতে দিচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আশপাশে রাখা হয়েছে সাজোয়া যান, অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি।
বৃহস্পতিবার রাত তিনটা থেকে অভিযান শুরু হয়। দুটি ভবনের একটিতে জঙ্গিদের অবস্থানের তথ্য পেয়ে সিলেট নগর পুলিশ ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা এলাকাটি ঘিরে ফেললে শুরু হয় বোমাবাজি ও গুলি। পরে শুক্রবার বিকালে ঢাকা থেকে এসে পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় বিশেষ বাহিনী সোয়াতের একটি টিম।
জিয়া ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ কবে শুরু হতো বলা মুশকিল: ফখরুল / প্রথম আলো
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেছেন, ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ কবে শুরু হতো, তা বলা মুশকিল।
আজ শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জীবনীভিত্তিক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল এই দাবি করেন। বিএনপির অঙ্গ-সংগঠন যুবদল ওই প্রদর্শনীর আয়োজন করে।
জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একটা কথা খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই, ২৬ মার্চ যদি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, তাহলে স্বাধীনতাযুদ্ধ কবে শুরু হতো, এটা বলা মুশকিল। কারণ, তখন জাতি যেভাবে দিকনির্দেশনাহীন হয়ে পড়েছিল, জাতি যেভাবে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, তখন কিন্তু কোন রাজনীতিক নেতৃত্ব জাতিকে সেভাবে কোনো আহ্বান জানায়নি। এই আহ্বানের ফলেই পুরো জাতি সেদিন যুদ্ধে নেমে পড়েছিল।’
বিএনপির মহাসচিব আবারও অভিযোগ করেন, সরকার জঙ্গিবাদ জিইয়ে রেখে রাজনৈতিক উদ্দেশ হাসিল করতে চায়। গতকালের বিস্ফোরণে একজনের নিহত হওয়ার বিষয়ে ফখরুল বলেন, ‘প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, যে মানুষটি আত্মঘাতী বোমা দিয়ে নিহত হলো, সে কি তাকে নিহত করবার জন্যই আত্মঘাতী বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে? বিশ্বাসযোগ্য বক্তব্যগুলো না এলে জনগণের মধ্যে সেই সন্দেহ সৃষ্টি হবেই। যে কথাগুলো আমরা বারবার বলে আসছি যে সরকার এটাকে আসলে সমাধান করতে চায় না। সরকার চায় এটাকে জিইয়ে রেখে, এই সমস্যাকে জিইয়ে রেখে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়।’
জঙ্গিবাদ নির্মূলে সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য গড়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব।
ভারতীয় সেনাপ্রধান ঢাকায় আসছেন:প্রথম আলো
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের এক সপ্তাহ আগে দুই দিনের সফরে ঢাকায় যাচ্ছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। ৩০ মার্চ তিনি ঢাকায় পৌঁছাবেন। দিল্লি ফিরবেন পরের দিন। ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআই গতকাল শুক্রবার এই খবর জানিয়েছে।
দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও বাড়ানোই এই সফরের লক্ষ্য। ঢাকায় থাকাকালে জেনারেল রাওয়াত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেনাপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর জেনারেল রাওয়াতের এটাই প্রথম বাংলাদেশ সফর। বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের আমন্ত্রণেই তাঁর এই সফর।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অবশ্য এই সফর নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে সফর ঘিরে বিভিন্ন মহলে আগ্রহ দানা বেঁধেছে। মাত্র কিছুদিন আগে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর বাংলাদেশে যান। তারপর থেকেই শেখ হাসিনার ভারত সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার খবর শোনা যাচ্ছে। এটা সই হলে যৌথ উদ্যোগে প্রতিরক্ষা শিল্প উৎপাদন, প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ প্রযুক্তি, সামুদ্রিক অবকাঠামো নির্মাণে সহযোগিতা বাড়বে। এ ছাড়া দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের যৌথ মহড়া ও প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজনের মাধ্যমে যোগাযোগ আরও ঘনিষ্ঠ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তা ছাড়া দুই দেশকেই সন্ত্রাসের মোকাবিলা করতে হচ্ছে। জেনারেল রাওয়াতের সফর এই দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
জেনারেল রাওয়াত নেপাল হয়ে বাংলাদেশে যাবেন। ২৮ ও ২৯ মার্চ তিনি কাঠমান্ডু থাকবেন।
বিএনপির আমলে দেশে জঙ্গি সংগঠনের সৃষ্টি হয়েছে : হানিফ/ইত্তেফাক
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত জোটের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশে ১২৫টি সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও উগ্র মৌলবাদি সংগঠনের সৃষ্টি হয়েছে। বিগত জোট সরকারের সময়েই বাংলাদেশে জঙ্গি উত্থান হয়েছে।
বিএনপিকে ঘায়েল করতেই সরকার দলটির উপর জঙ্গিবাদের অপবাদ চাপাচ্ছে, বিএনপি মহাসচিবের এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকালে কুষ্টিয়া পিটিআই রোডস্থ নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
জঙ্গি দমনে আইনশৃংলা বাহিনী যখন কঠোর পদক্ষেপ নেয়, ঠিক তখনই বিএনপির পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য আসে উল্লেখ করে হানিফ বলেন, মূলত তারাই বিভিন্ন সময়ে দেশের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
‘গণহত্যা দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত এক ঐতিহাসিক মাইলফলক : রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত দেশ ও জাতির ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। আগামীকাল ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে আজ শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘গণহত্যা দিবস’ বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে ৩০ লাখ বাঙালির আত্মত্যাগের মহান স্বীকৃতির পাশাপাশি তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর গণহত্যার বিরুদ্ধেও চরম প্রতিবাদের প্রতীক।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরিচালিত গণহত্যা বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি বর্বরতম ও মর্মান্তিক ঘটনা।
একাত্তরের বীভৎস গণহত্যা শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বমানবতার ইতিহাসেও একটি কালো অধ্যায়- এ কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহতা কেউ কোনোদিন ভুলতে পারে না। এমন গণহত্যা আর কোথাও যাতে না ঘটে, ‘গণহত্যা দিবস’ পালনের মাধ্যমে সে দাবিই বিশ্বব্যাপী প্রতিফলিত হবে।
ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাই বড় প্রভাবশালী:মানব জমিন
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার চেয়ে বড় প্রভাবশালী আর কেউ নেই। তাঁর অধীনে থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আমার অর্ডার, কারও প্রতি শৈথিল্য দেখানো যাবে না। আজ শনিবার কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা মিলনায়তনে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সিইসির এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিইসি বলেন, ভোটকেন্দ্রে কোনো ব্যক্তি বা দলীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি অকারণে প্রবেশ করলে তাঁকে কঠোরভাবে দমন করতে হবে।
একের পর এক দুর্ঘটনাবাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন:নয়াদিগন্ত
বাংলাদেশ ব্যাংক হলো সব ব্যাংকের ব্যাংক। এ ব্যাংকে তফসিলি ব্যাংকগুলোর অর্থ জমা রাখে। আবার সঙ্কটে পড়লে তা উত্তোলন করে। দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র কেপিআই হিসেবে পরিচিত এ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটে যাচ্ছে।
গত বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি হয়। এর পরের সপ্তাহেই অর্থাৎ ৭ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কয়েকটি ব্যাংকের এটিএম কার্ড জালিয়াতি হয়। এতে ৪০ জন গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ লাখ ৫৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্র। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সবচেয়ে নিরাপত্তাবলয় ভল্টের কাছ থেকে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার দীপক চন্দ্র দাশ নামক এক কর্মকর্তা পাঁচ লাখ টাকা চুরি করে। যদিও তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ না করে ছেড়ে দেয়া হয়। এর পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের মেইল হ্যাকড হয়। সর্বশেষ গত ২৩ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিভাগে আগুন লাগে। এসব ঘটনা থেকে স্বাভাবিকভাবেই দেশের এ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিরাপত্তা সুরক্ষিত না হলে আর কোথায় সুরক্ষা আছে তা নিয়েও প্রশ্ন করেছেন বিশ্লেষকেরা। বিশ্লেষকদের মতে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ এ স্থাপনায় একের পর এক দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
এবারে ভারতের পত্রপত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ কিছু খবর বিস্তারিত
টুইটারে যোগীর সমালোচনা করায় এফআইআর, ক্ষমা চাইলেন শিরিষ:আনন্দবাজার পত্রিকা
উত্তরপ্রদেশের নয়া মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনায় বিঁধেছিলেন বলি ফিল্মমেকার শিরিষ কুন্দর। তাঁকে ‘গুন্ডা বলে আঙুল তুলেছিলেন শিরিষ। রাতেই যোগীকে নিয়ে অপ্রীতিকর মন্তব্য করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। লখনউয়ের ঠাকুরদ্বারা ট্রাস্টের সচিব অমিতকুমার তিওয়ারি শিরিষের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আর তারপরই সোশ্যাল মিডিয়াতে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন শিরিষ। তিনি লিখেছেন, ‘‘আমি নিঃশর্ত ক্ষমা চাইছি। আমি কারও আবেগ, অনুভূতিতে আঘাত দিতে চাইনি।’’
তৃণমূলের সবাইকে জেলে পুরলেও সিবিআই আমাকে থামাতে পারবে না, চ্যালেঞ্জ মমতার: বর্তমান পত্রিকা
নারদকাণ্ডে কার্যত সিবিআইকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দুপুরে ঠাকুরপুকুরের শীলপাড়ায় ধানুকা গার্লস আবাসিক হস্টেলের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সিবিআই তৃণমূলের সবাইকে জেলে পুরলেও আমাকে থামাতে পারবে না। আমি সিবিআইকে ভয় পাই না। নারদকাণ্ডে দলের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক মন্ত্রী, সংসদ সদস্যদের মাথায় সিবিআইয়ের খাঁড়া ঝুলছে। তার জেরে যে কোনও দিন তাঁদের তুলে নিতে পারে সিবিআই। তা বুঝতে পেরেও তিনি যে মোটেই ভীত নন, তা এদিন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন। মুখ্যমন্ত্রী চ্যালেঞ্জের সুরে বলেন, কী ভেবেছে ওরা! আমাদের দলের কাউকে ধরে নিয়ে গেলে ভয় পেয়ে যাব! সিবিআইকে দেখিয়ে আমাকে দমানো যাবে না। দলের কাউকে ধরলে ফের সেই মাপের একডজন নেতা তৈরি করব। সেই ক্ষমতা আমার আছে। সেইভাবে দলের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। তাঁর দল ছাড়া বাকি সমস্ত রাজনৈতিক দল হাজার হাজার কোটি টাকা তুললেও সেদিকে কেউ ফিরে তাকায় না বলে তিনি একহাত নেন সিবিআইকে। মমতার দাবি, ওই দলগুলিকে না ধরে কেবল তৃণমূলের বিরুদ্ধে যাবতীয় অভিযোগ তোলা হচ্ছে। তবে নারদা ইস্যুতে অভিযোগগুলি যে শেষ পর্যন্ত ধোপে টিকবে না, তাও জানিয়ে দেন তিনি।
এবার যোগী আদিত্যনাথকে প্রধানমন্ত্রী করার দাবি উঠল: সংবাদ প্রতিদিন
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের নয়া মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে এবার দেশের প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুললেন তাঁর সমর্থকরা৷ মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথগ্রহণের পর আজ দু’দিনের গোরখপুর সফরে যাচ্ছেন যোগী আদিত্যনাথ৷ এদিন সেখানেই তাঁর সমর্থকরা ২০২৪-এ তাঁকে প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুললেন৷ এই গোরখপুর থেকেই পাঁচবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ৷
এদিন সকাল থেকেই গোরখপুরে সাজ সাজ রব৷ ভোর থেকেই আদিত্যনাথের হাজার হাজার সমর্থক তাঁর বাসভবনে ভিড় জমিয়েছেন৷ গোরখপুর মন্দিরের সামনে জমায়েত থেকে দাবি উঠেছে, ২০২৪-এ যোগী আদিত্যনাথকেই দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে প্রার্থী করুক বিজেপি৷ রাজ্যের প্রধান প্রশাসনিক পদে বসেই যেভাবে একের পর এক কড়া ও উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ করেছেন যোগী, তাতে খুশি রাজ্যের আম জনতা৷ নরেন্দ্র মোদির পর তিনিই দেশের হাল ধরতে পারবেন বলে মনে করছেন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দারা৷
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#
পার্সটুডে/নাসির মাহমুদ/২৫