এপ্রিল ০২, ২০১৭ ০৬:৫১ Asia/Dhaka

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২ এপ্রিল রোববারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বাংলাদেশ:

  • জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করতে না পারলে অন্ধকার যুগে ফিরে যাব: প্রধানমন্ত্রী- দৈনিক ইত্তেফাক
  • ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর আন্দোলন স্থগিত করা ভুল ছিল: খালেদা- দৈনিক প্রথম আলো
  • রাজনীতিতেও প্রতিবন্ধী আছে: নাসিম- দৈনিক যুগান্তর
  • স্বাস্থ্য বিভাগের কৃমিনাশক ট্যাবলেট খেয়ে হাসপাতালে ৩৫০ শিক্ষার্থী- দৈনিক যায়যায়দিন
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনে কঠোর হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়- দৈনিক মানবজমিন
  • শিশুদের মাঝখানে বসিয়ে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ- দৈনিক নয়াদিগন্ত
  • অটিজম সচেতনতায় 'চ্যাম্পিয়ন' সায়মা ওয়াজেদ- দৈনিক সমকাল
  • মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬২- দৈনিক মানবজমিন

ভারত:

  • গরু কাটলেই ফাঁসি দেব, হুঁশিয়ারি ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহের- দৈনিক আনন্দবাজার
  • ২০১৮ সালে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার হবে ৭.৭ শতাংশ: জেটলি- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • প্রবীণদের সরাতে চাইছেন রাহুল, দলে শুরু বিতর্ক- দৈনিক আজকাল

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করতে না পারলে অন্ধকার যুগে ফিরে যাব: প্রধানমন্ত্রী- দৈনিক ইত্তেফাক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্ব এখন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের নতুন এক উপদ্রবের মুখোমুখি। এই উপদ্রব নিরীহ মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে, মানুষের শান্তি বিনষ্ট করছে। জঙ্গিবাদ আজ কোনো নির্দিষ্ট দেশের সমস্যা নয়, এটা বৈশ্বিক সমস্যা। আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। তা না হলে আমরা আবার অন্ধকার যুগে ফিরে যাব। গতকাল শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন-আইপিইউ’র ১৩৬তম সম্মেলনের বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়ে শুরু হয় সামরিক ও স্বৈরশাসন। প্রবাসে থাকাবস্থাতেই ১৯৭৯ সালে আমি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই। ছয় বছর নির্বাসিত জীবন কাাটিয়ে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সংগ্রাম শুরু করি। ১৯৮৬ সালে আমি প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হই। সেসময় বিরোধী দলের নেতা হিসেবে প্রথম আইপিইউ সম্মেলনে যোগ দিই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র অর্জনের পথ কখনই মসৃণ ছিল না। অনেক পথ পাড়ি দিয়ে আমরা গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পেরেছি। জনগণের শাসন ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে আমাকেও কম নির্যাতন সহ্য করতে হয়নি। গৃহবন্দী, জেলখানায় আটক থেকে শুরু করে আমার জীবনাশের প্রচেষ্টা হয়েছে বারবার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইপিইউ’র সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে আমরা গভীরভাবে সম্মান করি। আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত। আমরা গণতন্ত্রকে শুধু একটি ব্যবস্থা হিসেবে দেখি না, বরং গণতন্ত্রকে মানুষের সমৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বাহন হিসেবে গণ্য করি। তাছাড়া গণতন্ত্র জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পথ।

৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর আন্দোলন স্থগিত করা ভুল ছিল: খালেদা- দৈনিক প্রথম আলো

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর বিএনপি জোটের সরকারবিরোধী আন্দোলন স্থগিত করা ভুল ছিল। গতকাল শনিবার রাতে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউেজ) একাংশের প্রতিনিধি দল খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে গেলে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।

গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই মতবিনিময় হয়। উপস্থিত একাধিক সাংবাদিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ইঙ্গিত করে খালেদা জিয়া বলেন, নির্বাচনের কোনো খবর নেই-উনি বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ভোট চাচ্ছেন। হয়ত পরিস্থিতি নিজেদের অনুকূলে দেখলে নির্বাচন দিয়ে দেবেন। কিন্তু সে নির্বাচনে আমরা কেন যাব, গিয়ে কী লাভ? লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই, আকাশ-পাতাল অবস্থান। তিনি বলেন, লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড না হলে সে নির্বাচনে গিয়ে লাভ হবে না। বিদেশিরাও সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়।

খালেদা জিয়া আরও বলেন, পাশের দেশের সঙ্গে এই সরকার চুক্তি করতে যাচ্ছে-কেন এই চুক্তি? বাংলাদেশের সেনাবাহিনী তাদের চেয়ে অনেক বেশি চৌকস ও সাহসী। এ ধরনের চুক্তি করতে দেওয়া হবে না।

রাজনীতিতেও প্রতিবন্ধী আছে: নাসিম- দৈনিক যুগান্তর

দেশের রাজনীতিতেও প্রতিবন্ধী আছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।  বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, 'যারা ইলেকশনকে আনফেয়ার বলে আর রেজাল্টকে ফেয়ার বলে তারা রাজনৈতিক প্রতিবন্ধী।'

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) লেকচার থিয়েটার ভবনের সিরাজুল ইসলাম লেকচার হলে শনিবার বিকালে এক অনুষ্ঠানে নাসিম একথা বলেন। ঢাবি যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে প্রতিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। ২০১৯ সালেও শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। ফলাফল যাই হোক, আওয়ামী লীগ তাই মেনে নেবে। এসময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী-কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নেতৃত্বে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিবন্ধী শিশুদের সেবার দিক থেকে বিপ্লব হয়েছে। তারা সবাই মানবিক কাজ করছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের কৃমিনাশক ট্যাবলেট খেয়ে হাসপাতালে ৩৫০ শিক্ষার্থী- দৈনিক যায়যায়দিন

জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে শনিবার স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে খাওয়ানো কৃমিনাশক ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাড়ে তিনশর বেশি শিক্ষার্থী_ এদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরমধ্যে কুষ্টিয়ায় ২ শতাধিক, ঝিনাইদহে দেড় শতাধিক ও পাবনায় ৯ শিক্ষার্থী রয়েছে।

কুষ্টিয়ার বিভিন্ন স্কুলে কৃমিনাশক ওষুধ খেয়ে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। শনিবার দুপুরে তাদেরকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আক্রান্তদের অধিকাংশই ছাত্রী।

এ ঘটনায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। জেলা সিভিল সার্জন বলেছেন, এখন পর্যন্ত কারও অবস্থা গুরুতর নয়। এনিয়ে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনে কঠোর হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়- দৈনিক মানবজমিন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনে কঠোর হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যত্রতত্র নাম বদল ঠেকাতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্য খসড়া চূড়ান্ত নীতিমালা তৈরি করছে মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করতে হলে প্রতিষ্ঠানভেদে ২০ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত সরকারি তহবিলে জমা দিতে হবে। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি থেকে শুরু করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পর্যন্ত চারটি কমিটির অনুমোদন নিতে হবে। আগামী মাসের শুরুতেই এই নীতিমালা জারি করা হবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম পরবর্তনের ক্ষেত্রে ২০ লাখ, মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে ২৫ লাখ, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের (কলেজ-মাদরাসা) ক্ষেত্রে  ৩০ লাখ এবং ডিগ্রি পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকা সরকারি তহবিলে জমা দিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের জন্য প্রথমে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির অনুমোদন নিতে হবে। এরপর বহুল প্রচারিত দুটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। নাম পরিবর্তন যাছাই-বাছাই করার জন্য প্রতি জেলায় জেলা প্রশাসককে (ডিসি) আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শিশুদের মাঝখানে বসিয়ে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ- দৈনিক নয়াদিগন্ত

মৌলভীবাজারের নাসিরপুরে উগ্রবাদীরা শিশুদের মাঝখানে বসিয়ে তাদের পাশে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটানো হলে শিশুদের মৃত্যু হয় বলে বলছে পুলিশ। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে শনিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, নাসিরপুরের উগ্রবাদী আস্তানায় শিশুদের মাঝখানে রেখে তিন পাশে তিনজন সুইসাইডাল ভেস্ট বেঁধে বিস্ফোরণ ঘটায়।

তিনি জানান, এতে শিশুদেরও মৃত্যু হয়। নাসিরপুরের ওই বাড়িতে মোট চারটি শিশুর মৃতদেহ পাওয়া গেছে। এদের বয়স কয়েক মাস থেকে ১০ বছর পর্যন্ত। এছাড়াও এই অভিযানে একজন পুরুষ ও দু'জন নারী নিহত হয়েছে।বড়হাটে অপারেশন শেষে শনিবার দুপুরে মনিরুল ইসলাম বলেছেন, যারা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে নিহত তিনজনের কারোরই পেট ও কোমরের অংশ নেই। তাদের শরীরে তার জড়িয়ে আছে।

তিনি বলেন, "তারা ইসলামবিরোধী, দেশবিরোধী, মানবতাবিরোধী। কারণ এরা নিজেদের শিশুদেরকেও রেহাই দেয়নি।" "এরা এতোটাই জঘন্য। এরা আসলে দৈত্য। দানব শ্রেণির। এরা মানুষ নয়,' বলেন তিনি। উগ্রবাদী আস্তানা সন্দেহে গত বুধবার ভোর থেকে বাড়িটি ঘিরে রেখে অভিযান চালানোর পর গত বৃহস্পতিবার সাতটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ বলছে, বুধবার রাতেই আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তারা নিহত হয় বলে তারা ধারণা করছেন।

অটিজম সচেতনতায় 'চ্যাম্পিয়ন' সায়মা ওয়াজেদ- দৈনিক সমকাল

টিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিজঅর্ডার-বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটির চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ হোসেনকে অটিজম সচেতনতায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় 'চ্যাম্পিয়ন' নির্বাচিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডবি্লউএইচও)। বিশ্ব অটিজম দিবস সামনে রেখে গতকাল শনিবার তাকে 'ডবি্লউএইচও চ্যাম্পিয়ন ফর অটিজম' নির্বাচিত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ দীর্ঘদিন ধরেই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (অটিজম আক্রান্ত) শিশুদের নিয়ে কাজ করছেন। তার হাত ধরেই বাংলাদেশে এ নিয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। আজ রোববার বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসের আগে কাজের এই স্বীকৃতি পেলেন সায়মা ওয়াজেদ।

এ বিষয়ে ডবি্লউএইচওর ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা অটিস্টিক শিশুদের প্রতি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন, তাদের সমস্যার জায়গাগুলো চিহ্নিতকরণ ও তার সমাধান এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ সায়মা ওয়াজেদ হোসেনকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এতে আরও জানানো হয়, চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এখন থেকে সায়মা ওয়াজেদ এ অঞ্চলের ডবি্লউএইচওর সদস্য ১১ দেশের মধ্যে অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার (এএসডি) সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করবেন।

মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬২- দৈনিক মানবজমিন

মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩৬২ জন। আহত হয়েছেন ৮৬৫ জন। গড়ে প্রতিদিন ১২ জন নিহত ও ২৮ জন আহত হয়েছেন। ওই সময়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩৩০টি।  প্রতিদিন গড়ে ১১টি করে সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। বেসরকারি সংগঠন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি তাদের নিয়মিত মাসিক পরিসংখ্যান ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্চে ৩৩০টি দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এতে ৪৯ নারী ও ৫৪ শিশুসহ কমপক্ষে ৩৬২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আর আহত হয়েছেন ৮৬৫ জন। ফেব্রুয়ারিতে সারা দেশে ৩৭২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৬ নারী ও ৫৮ শিশুসহ মোট ৪২৭ জন নিহত এবং এক হাজার ৯৪ জন আহত হয়েছেন। ওই সময়ে গড়ে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৩টি। যেখানে নিহত ও আহতের দৈনিক গড় সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৫ ও ৪৬। তথ্য মতে, গত মাসে প্রথম দফায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় টানা তিন দিন ও দ্বিতীয় দফায় খুলনা বিভাগসহ সারা দেশে আরো তিন দিন সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘটের কারণে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা পূর্ববর্তী মাসের চেয়ে কমেছে। তা সত্ত্বেও মার্চে একাধিক বড় দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে।

এবারে কোলকাতার কয়েকটি দৈনিকের বিস্তারিত খবর

গরু কাটলেই ফাঁসি দেব, হুঁশিয়ারি ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহের- দৈনিক আনন্দবাজার

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাতের বিধানসভা আইন সংশোধন করে যা বলল, তার চেয়ে আরও এক কদম বাড়িয়ে রাখলেন ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহ। বললেন, ‘গরু কাটলেই এ বার ফাঁসির দড়িতে ঝোলানো হবে।’’ গতকাল গুজরাত বিধানসভা সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করে বলেছে, গরু কাটলেই হবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।’’

গুজরাতের পর এমন ঘটনা ছত্তীসগঢ়ে ঘটলে কী হবে, সাংবাদিকের এই প্রশ্নের জবাবে এ দিন ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহ বলেছেন, ‘‘গত ১৫ বছরে ছত্তীসগঢ়ে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছেন কখনও? এ রাজ্যে কেউ গরু কাটলে তাঁর ফাঁসি হবে।’’ ক্ষমতায় এসে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গোটা রাজ্যে কসাইখনা বন্ধের ফরমান জারি করেছেন।

মমতার লক্ষ্য এবার পঞ্চায়েত ভোট; নেতাকর্মীদের গ্রামে যাওয়ার নির্দেশ- দৈনিক বর্তমান

বিজেপির আগ্রাসী রাজনীতি ঠেকাতে দলের নেতা-মন্ত্রী-কর্মীদের ঝাঁপিয়ে পড়তে নির্দেশ দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কাছে এখন পাখির চোখ হল পঞ্চায়েত ভোট। সেই ভোটের প্রস্তুতি হিসাবে ব্লকে ব্লকে কর্মিসভা করতে নির্দেশ দিলেন তৃণমূল নেত্রী। সেইসব কর্মিসভায় হাজির হতে মন্ত্রীদের জেলায় জেলায় যেতে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কালীঘাটে নিজের বাড়িতে দলের কোর কমিটির বৈঠকে মমতা মন্ত্রীদের উদ্দেশে বলেন, ব্লকে ব্লকে যেতে হবে। জনসংযোগ বাড়াতে হবে। সরকারি উন্নয়নমূলক কাজ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। বিজেপি যে সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়াচ্ছে, তা মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। কোন কোন জেলায় কোন কোন নেতা-মন্ত্রী যাবেন, তার তালিকাও ঠিক করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, নদীয়া জেলায় যাবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বীরভূম, হাওড়ায় যাবেন ফিরহাদ হাকিম। বর্ধমান ও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে যাবেন অরূপ বিশ্বাস।

প্রবীণদের সরাতে চাইছেন রাহুল, দলে শুরু বিতর্ক- দৈনিক আজকাল

লাগাতার নির্বাচনী বিপর্যয় রুখতে এবার দলীয় সংগঠনে বদল আনতে চাইছেন কংগ্রেস সহ–সভাপতি রাহুল গান্ধী। কিন্তু রাহুলের এই রদবদলের পথ মোটেই মসৃণ নয়। রাহুল চাইছেন দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ বেশ কয়েকজন প্রবীণ নেতাকে থেকে সরিয়ে দিতে। যাঁদের মধ্যে থাকতে পারেন কমল নাথ, দিগ্বিজয় সিং, বি কে হরিপ্রসাদের মতো হেভিওয়েট নেতারা। প্রদেশ সভাপতি বদলেরও ইচ্ছা র‌য়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্যে। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশের নাম রয়েছে এই তালিকায়।

কিন্তু রাহুলের এই ‘সার্জিক্যাল অপারেশন’‌–এ কংগ্রেস কতখানি উপকৃত হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সংশয় দেখা দিয়েছে। কারণ রাহুল চাইছেন দলে একেবারে নতুন রক্ত আমদানি করতে।

২০১৮ সালে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার হবে ৭.৭ শতাংশ: জেটলি- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

২০১৮ সালে ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭.৭ শতাংশ হবে বলে আশা প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি৷ পাশাপাশি, উদীয়মান দেশের অর্থব্যবস্থায় আজ সংরক্ষণবাদী নীতি এবং ভূ-রাজনৈতিক উদ্বেগের বৃদ্ধির মধ্যে চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে ভারত৷ শনিবার দিল্লিতে ন্যাশনাল ডেভেলপমেণ্ট ব্যাঙ্কের দ্বিতীয় বার্ষিক সভায় বক্তব্য রাখছিলেন অর্থমন্ত্রী৷ সেখানে তিনি বলেন, বিশ্ব আর্থিক বৃদ্ধিতে সুধার হচ্ছে এবং ২০১৭-১৮ সালে তা আরও ভাল হবে বলেই আশা করা হচ্ছে৷ তিনি বলেন, “দেশে ২০১৭ সালে ৭.২ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ৭.৭ শতাংশ আর্থিক বৃদ্ধি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে৷ কিছু অর্থনীতিতে সংরক্ষণবাদ নীতির রূপ নিয়ে উদীয়মান বাজার অর্থনীতিতে নবতম চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখা দিয়েছে৷”

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২