সংবাদ বিশ্লেষণ: তৃষ্ণা মিটল না বাংলাদেশের
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৯ এপ্রিল রোববারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশ:
- শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদির অঙ্গীকার: আমরাই তিস্তা চুক্তি করব- দৈনিক প্রথম আলো
- প্রতিরক্ষা বিষয়ক ৪ এমওইউ সই: সমঝোতার নয়া যুগে বাংলাদেশ-ভারত- দৈনিক মানবজমিন
- সংবাদ বিশ্লেষণ: তৃষ্ণা মিটল না বাংলাদেশের- দৈনিক প্রথম আলো
- জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে সরকার: রিজভি- দৈনিক মানবজমিন
- যা ছিল সব বিক্রি করে দিয়েছে সরকার: খালেদা জিয়া- দৈনিক ইত্তেফাক
- তিস্তায় আপত্তি জানিয়ে শেখ হাসিনার কাছে বিকল্প প্রস্তাব মমতার- দৈনিক নয়াদিগন্ত
- বঙ্গবন্ধুর নামে নয়াদিল্লিতে সড়কের ফলক উন্মোচন- দৈনিক ইত্তেফাক
- সব দলের অংশগ্রহণেই জাতীয় নির্বাচন : সিইসি- দৈনিক নয়াদিগন্ত
- দুই লাখ টাকা নিয়ে যেতে বলল ডিবি মা গিয়ে পেলেন ছেলের লাশ- দৈনিক যুগান্তর
- স্কুলে প্রাইভেট-কোচিং-গাইড বই সরবরাহ করা যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী
ভারত:
- তিস্তা চুক্তি করবই, ঘোষণা মোদির- দৈনিক বর্তমান
- সন্ত্রাস নিয়ে পাক মনোভাবের নিন্দা- দৈনিক আনন্দবাজার
- ৭০ বছর পর ফের সফর শুরু কলকাতা-খুলনা ট্রেনের- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- ছোট ছোট নদী নিয়ে বিকল্প প্রস্তাব মমতার- দৈনিক আজকাল
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
সংবাদ বিশ্লেষণ: তৃষ্ণা মিটল না বাংলাদেশের- দৈনিক প্রথম আলো

২০১১ সালের সেপ্টেম্বর এবং ২০১৭ সালের এপ্রিল—ব্যবধানটা প্রায় ছয় বছরের। দুটো শীর্ষ বৈঠক। কিন্তু বৈঠক দুটির খবরের শিরোনাম প্রায় এক। তিস্তার পানিবণ্টন সমস্যার সমাধান দ্রুতই করা হবে। সোজা কথায়, বাংলাদেশ এই সফর থেকে ন্যূনতম যা পাওয়ার আশা করেছিল, সেটাও ঝুলে থাকল।
টাইমস অব ইন্ডিয়া ৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ শিরোনাম করেছিল, মনমোহন সিং এবং শেখ হাসিনা তিস্তাকে সরিয়ে রেখে সীমান্ত ঠিক করলেন। আমরা জানি, মনমোহন সিং তিস্তা নিয়ে আলোচনা এগোনো তো দূরের কথা, রাজনৈতিক (ভারতীয় জনতা পার্টি বিজেপির বিরোধিতা) কারণে সীমান্ত চুক্তিও তাঁর পার্লামেন্টে অনুমোদন করাতে পারেননি। তারপর ভারতে সরকার বদল হয়েছে ২০১৪ সালে এবং ক্ষমতায় এসেছেন বিজেপির নেতা নরেন্দ্র মোদি। কংগ্রেস যদি পাল্টাপাল্টির রাজনীতি করত, তাহলে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে সীমান্তের চূড়ান্ত রূপ দেওয়াও ভেস্তে যেত। চার দশক আগে বাংলাদেশ যে চুক্তি অনুমোদন করেছে, সেটি শেষ পর্যন্ত ২০১৫-তে ভারতীয় সংসদ অনুমোদন করল। এরপর প্রধানমন্ত্রী মোদি ঢাকায় এলেন। অনেক প্রত্যাশা তিস্তার পানি নিয়ে। কিন্তু সেবারও তা ভেস্তে গেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে গেলেন সাত বছর পর। সুতরাং আবারও প্রত্যাশার পারদ চড়ল। কিন্তু গতকাল দুই শীর্ষ নেতার বৈঠক, দ্বিপক্ষীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং সম্মত সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি মিলিয়ে ২২টি দলিল স্বাক্ষরিত হলেও তিস্তা অমীমাংসিত থেকে গেল। এবারও প্রতিশ্রুতি।
যা ছিল সব বিক্রি করে দিয়েছে সরকার: খালেদা জিয়া- দৈনিক ইত্তেফাক

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ভারতের সঙ্গে দেশবিরোধী চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে সই করে শেখ হাসিনা রক্ষা পাবে না। শেখ হাসিনা দেশের কিছুই রাখেনি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সব কিছু বিক্রি করে দিয়েছে। দেশবিরোধী চুক্তি করে অতীতে কেউ রক্ষা পায়নি। শেখ হাসিনাও পাবে না। অপশাসনের বিরুদ্ধে মানুষ রুখে দাঁড়াবার জন্য প্রস্তুত।
গতকাল শনিবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন। চট্টগ্রামে পুলিশের হাতে নিহত ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম নুরুর পরিবারকে সমবেদনা ও আর্থিক সহযোগিতা করতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, দেশ বিক্রি করার উদাহরণ পৃথিবীর ইতিহাসে আছে। কেউ রক্ষা পায়নি। ভবিষ্যতে হাসিনা মনে করে না যে, যাদের কাছে বিক্রি করলাম তেনারা তাঁকে বাঁচাতে আসবে। তাঁরা বাঁচাতে আসবে না, যখন মানুষ জেগে উঠবে। এ দেশের মানুষ অলরেডি এরই মধ্যে ফুঁসে উঠেছে, এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা কখন মানুষ রাস্তায় বের হবে এবং এই অন্যায়-জুলুম অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।
খালেদা জিয়া বলেন, আজ আওয়ামী লীগ এবং হাসিনার হাত বাংলাদেশের মানুষের রক্তে রঞ্জিত। হাসিনা প্রতিনিয়তই সারা বাংলাদেশের মানুষ খুন করছে, হত্যা করছে। হাসিনার বিচার এই দেশের মাটিতেই হবে। আজীবন ক্ষমতায় থাকার স্বপ্নের জন্য সে এর মধ্যে অনেক কাজ করেছে। এখনো এদেশের কিছুই রাখেনি, সবই বিক্রি করেছে। বাকি যা আছে তাও বিক্রি করে আসবে।
বঙ্গবন্ধুর নামে নয়াদিল্লিতে সড়কের ফলক উন্মোচন- দৈনিক ইত্তেফাক

বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির প্রাণকেন্দ্রের একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার যৌথভাবে এই সড়কের নামফলক উন্মোচন করেন।
কনট প্লেস-এর নিকটবর্তী এই স্থানটি ইতোপূর্বে ‘পার্ক স্ট্রিট’ নামে পরিচিত ছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর নামে ভারতের রাজধানীর একটি সড়কের নামকরণ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানান। এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’-এর হিন্দি সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বইয়ের হিন্দি সংস্করণ প্রকাশ করে।
সব দলের অংশগ্রহণেই জাতীয় নির্বাচন: সিইসি- দৈনিক নয়াদিগন্ত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেছেন, সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশন সব ধরনের পরিবেশ তৈরি করবে। শনিবার দুপুরে জামালপুর জেলা নির্বাচন অফিসের নবনির্মিত সার্ভার স্টেশন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটার ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা না করলে দেশে কোনো দিনই সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। কেননা জনগণের ভোটেই এমপি, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে থাকেন। ক্ষমতা পরিবর্তনের ঠিকানা হলো এই নির্বাচন কার্যালয়। নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ভোটার জনসাধারণকে এখানে আসতেই হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থেই নির্বাচন অফিসের সাথে সকলের সেতুবন্ধন অত্যন্ত প্রয়োজন।
স্কুলে প্রাইভেট-কোচিং-গাইড বই সরবরাহ করা যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, কোন বিদ্যালয়ে প্রাইভেট, কোচিং, গাইড বই সরবরাহ করা যাবে না। শনিবার চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চ্যানেল আই আয়োজিত শিক্ষা বাজেট অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের জন্য শুধু শিক্ষিত করে গড়ে তুললে হবে না, তাদের ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভোম দেশে পরিনত হয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের মাঝে বছরের শুরুতেই বই তুলে দিচ্ছেন। শিক্ষাবান্ধব সরকার ছেলেদের শিক্ষার পাশাপাশি মেয়েদের শিক্ষার সু-ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে দেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত হবে।
দুই লাখ টাকা নিয়ে যেতে বলল ডিবি মা গিয়ে পেলেন ছেলের লাশ- দৈনিক যুগান্তর
ঝিনাইদহ জেলা শহরের ব্যাপারীপাড়ার শীর্ষ দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামে সড়কের দুই পাশে ধান ক্ষেতের কিনারে লাশ দুটি দেখে এলাকাবাসী খবর দিলে পুলিশ তা উদ্ধার করে। এরা হলেন- ব্যাপারীপাড়ার আবদুল মজিদ ওরফে মজো ড্রাইভারের ছেলে মফিজুল ইসলাম (২৩) ও কোরবান আলীর ছেলে মানিক (২৫)।
তবে দুই পরিবার বলছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বৌ-বাজার মোড় থেকে মানিককে এবং রাত ১২টার দিকে সুইট হোটেলের সামনে থেকে মফিজুলকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।
মফিজুলের মা জাহানারা বেগম অভিযোগ করেন, ‘ফোনে ডিবির দারোগা মাহবুব টাকা নিয়ে ছেলেকে ছাড়িয়ে আনার জন্য খবর দেন। সকাল ৬টার দিকে দুই লাখ টাকা নিয়ে ডিবি অফিসে যাই। তখন বিষয়টি অস্বীকার করেন দারোগা মাহবুব। সেই থেকে দারোগার ফোনও বন্ধ। পরে হাসপাতালে গিয়ে ছেলের লাশ শনাক্ত করি।’
এবারে কোলকাতার কয়েকটি দৈনিকের বিস্তারিত খবর
তিস্তা চুক্তি করবই, ঘোষণা মোদির- দৈনিক বর্তমান
নরেন্দ্র মোদির একটি ঘোষণায় তিস্তা চুক্তি বস্তুত তিস্তা রহস্যে পরিণত হয়ে গেল। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি আজ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে ঘোষণা করেছেন যে, তাঁর ও হাসিনার সরকারের সময়কালের মধ্যে তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন হবেই। অর্থাৎ আর এক বছরের মধ্যেই। কারণ বাংলাদেশে আগামী বছর নির্বাচন। এই ঘোষণার ঠিক আগেই মোদির মন্তব্যটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেছেন, আমার বিশ্বাস আমি যতটা বাংলাদেশকে ভালবাসি, নিশ্চয়ই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলাদেশের প্রতি উষ্ণতা ততটাই গভীর। তাই আশা করি, খুব দ্রুত আমরা তিস্তার জট কাটিয়ে সমাধানের পথ পেয়ে যাব। পরক্ষণেই হাসিনা বললেন, তিস্তা নিয়ে আশা করি একটা সমাধানের পথে আমরা যাব।
ছোট ছোট নদী নিয়ে বিকল্প প্রস্তাব মমতার- দৈনিক আজকাল

দিল্লি, তিস্তা নয়, শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির কাছে অন্য ৪টি নদীর জল বাংলাদেশকে দেওয়ার বিকল্প প্রস্তাব দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
মমতা চান, বাংলাদেশ জল পাক। সেজন্য তিস্তার পরিবর্তে তোর্সা, রায়ডাক, জলঢাকা-সহ অন্য ৪টি ছোট নদীর জল নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। শনিবার রাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে তাঁকে এই প্রস্তাব দিয়েছেন মমতা। সেইসঙ্গে মোদি ও হাসিনা দু’জনকেই তিনি বলেছেন, তাঁর প্রস্তাবটি বিবেচনার জন্য একটি কমিটি গড়া হোক। রাষ্ট্রপতি ভবনের নৈশভোজ থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে জল দিতে কোনও সমস্যা নেই। ওদেরও জলের খুব প্রয়োজন। তবে, তিস্তা নয়, তোর্সা-সহ অন্য নদীগুলির জল নিক ওরা।
সন্ত্রাস নিয়ে পাক মনোভাবের নিন্দা- দৈনিক আনন্দবাজার

কাছে টানলেন বাংলাদেশকে। জানিয়ে দিলেন, সন্ত্রাস দমনে ঢাকার ভূমিকায় তিনি আশ্বস্ত। আবার একই সঙ্গে খোঁচা দিলেন পাকিস্তানকে। নাম নিলেন না। কিন্তু সন্ত্রাসে মদতের অভিযোগ তুলে প্রচ্ছন্ন আক্রমণের মুখ ঘুরিয়ে দিলেন পশ্চিম সীমান্তের প্রতিবেশীর দিকেই।
সুকৌশলে দু’টো তাসই আজ খেললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
মুক্তিযুদ্ধে নিহত সেনাদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানে আজ নয়াদিল্লিতে মোদীর সঙ্গে মঞ্চে তখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই মঞ্চ থেকেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘‘দক্ষিণ এশিয়ায় এমন এক মানসিকতা আছে, যা সন্ত্রাসবাদে মদত দেয়। যে মানসিকতা বাধা দেয় গোটা এলাকার উন্নয়নে। ভারত ও বাংলাদেশ— দুই দেশকেই এর শিকার হতে হয়েছে।’’
মোদী আজ বলেন, ভারতের সঙ্গে তার প্রতিবেশী দেশগুলিও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাক— সেটাই তিনি চান। কিন্তু বাধা আসছে সেই পথেই। এখানেই প্রচ্ছন্ন ভাবে মোদী পাকিস্তানকে বিঁধেছেন বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বড় দুঃখের কথা, (উন্নয়নের) এই বিচারধারার বিপরীত এক মানসিকতাও আছে দক্ষিণ এশিয়ায়। সেই মানসিকতা সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক। তার ভিত্তি মানবতা নয়, হিংসা।’’
৭০ বছর পর ফের সফর শুরু কলকাতা-খুলনা ট্রেনের- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

৭০ বছরের পর ফের চালু হল কলকাতা-খুলনা যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা৷ চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে কলকাতা থেকে পেট্রাপোল-বেনাপোল হয়ে খুলনা পর্যন্ত নিয়মিত যাত্রীবাহী ট্রেন চালাবে ভারতীয় রেল৷ শনিবার, যৌথভাবে দিল্লি থেকে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে এই পরিষেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ এছাড়াও এদিন চালু হয় কলকাতা-খুলনা-ঢাকা বাস পরিষেবা৷ নবান্ন থেকে বাস পরিষেবার উদ্বোধন করা হয়৷ এই পরিষেবার মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/৯