খালেদা জিয়া জনগণকে হতবাক করেছেন: হাছান মাহমুদ
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৬ মে মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশ:
- খালেদা জিয়া জনগণকে হতবাক করেছেন: হাছান মাহমুদ- দৈনিক ইত্তেফাক
- প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস 'অসত্য ও বানোয়াট': বিএনপি- দৈনিক যুগান্তর
- উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় বাংলাদেশের উদ্বেগ- দৈনিক ইত্তেফাক
- বন্ধ শ্রমবাজার খোলার আলোচনায় আমিরাত গেছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী- দৈনিক মানবজমিন
- এবার টিলা কাটছে সরকারি প্রতিষ্ঠান- দৈনিক প্রথম আলো
- আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস: চুক্তি অনুযায়ী ফারাক্কা পয়েন্টে পানি দিচ্ছে না ভারত- দৈনিক নয়াদিগন্ত
- গঙ্গার পানি চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন চান পরিবেশবিদরা- দৈনিক সমকাল
- গণমাধ্যম সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময়: দুই বছরে ৩০ ভাগ কাজ করেছি : আনিসুল হক
ভারত:
- তিন বছর পেরিয়েও মোদিতেই ভরসা ৬০% ভারতীয়র- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- পি চিদম্বরমের বাড়িতে সিবিআই হানা- দৈনিক আজকাল
- কুলভূষণ কাণ্ডে টানটান লড়াই- দৈনিক আনন্দবাজার
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
খালেদা জিয়া জনগণকে হতবাক করেছেন : হাছান মাহমুদ- দৈনিক ইত্তেফাক

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এসএসসি পরীক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক এবং সাধারণ জনগণকে হতবাক করেছেন।
আজ সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-পরিষদের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘খালেদা জিয়ার অভিযোগে আমরা হতবাক হইনি। তাঁর প্রতি সম্মান রেখেই বলতে চাই। তিনি (খালেদা জিয়া) এসএসসি পরীক্ষার বৈতরণী পার হতে পারেননি তাই এখন হয়তো তাঁর মনবেদনা। এ কারণে তিনি পাসের হার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।’ তিনি বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়ের কারণে, পিতামাতা, শিক্ষকদের পরিশ্রমের কারণে তারা পাস করেছে। বৈঠকে আগামী ১৭মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে পত্র-পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস 'অসত্য ও বানোয়াট': বিএনপি- দৈনিক যুগান্তর

সরকার চলতি অর্থবছর শেষে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির যে প্রাক্কলন করেছে তা 'অসত্য ও বানোয়াট' বলে দাবি করেছে বিএনপি। সোমবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ দাবি করেন।
তিনি বলেন, রোববার সরকারের তরফ থেকে প্রবৃদ্ধি নিয়ে যে পরিসংখ্যান দেয়া হয়েছে, সেটি বর্তমান শাসকগোষ্ঠির মিথ্যাচারের একটি অংশ যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
রিজভী বলেন, এমন মন ভোলানো কোনো পরিসংখ্যানে দেশের মানুষকে বিশ্বাস করানো যাবে না। এই ধরনের অসত্য পরিসংখ্যান দিয়ে জনগণের সমর্থন পাওয়া যাবে না। তিনি বলেন, এই মিথ্যা পরিসংখ্যানের ফুলঝুরি দিয়ে সরকার জেনে-শুনে বিষপান করছে। অসত্য ও বানোয়াট তথ্যের কারণে জনগণ আরও তীব্রভাবে তাদেরকে প্রত্যাখান করবে।
উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় বাংলাদেশের উদ্বেগ- দৈনিক ইত্তেফাক

উত্তর কোরিয়া (ডিপিআরকে) রবিবার ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় চালানোর ঘটনায় বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে উত্তর কোরিয়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এ সংক্রান্ত আওতাধীন বাধ্য-বাধকতা লংঘন করেছে।
বিবৃতিতে বাংলাদেশ তার শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং এ অঞ্চলে ও এর বাইরে উত্তেজনা বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে এমন যে কোন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে উত্তর কোরিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
বন্ধ শ্রমবাজার খোলার আলোচনায় আমিরাত গেছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী- দৈনিক মানবজমিন

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বন্ধ আমিরাতের শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার আলোচনায় দেশটি সফরে গেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি। গত বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমিরাত সফরের আলোচনার ফলোআপ করতেই মন্ত্রীর এ সফর। গতকাল সকালে মন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যান।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, একটি ভুল বুঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে আমিরাতের বাজারে বাংলাদেশি জনশক্তির প্রবেশাধিকার বন্ধ রয়েছে দীর্র্ঘদিন ধরে। অথচ আমিরাতই হচ্ছে সৌদি আরবের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার। কর্মকর্তারা বলছেন, ২০২০ সালে ‘ওয়ার্ল্ড এক্সপো’র স্থান নির্বাচনী ভোটের প্রথম দফায় বাংলাদেশ দুবাইয়ের পক্ষে ভোট না দিয়ে রাশিয়ার পক্ষ নেয়। চূড়ান্ত লড়াইয়ে বাংলাদেশ অবশ্য দুবাইয়ের পক্ষেই ভোট দেয় এবং ওয়ার্ল্ড এক্সপো আয়োজনের ভোটে দুবাই জয় পায়।
কিন্তু ততক্ষণে ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়ে যায়! প্রথম দফায় দুবাইর পক্ষাবলম্বন না করায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ সীমিত করে নেপালসহ অন্যান্য দেশ থেকে জনশক্তি নিয়োগের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় আরব আমিরাত। সেই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
এবার টিলা কাটছে সরকারি প্রতিষ্ঠান- দৈনিক প্রথম আলো

‘লন্ডনি বাড়ি’ বানাতে কাটা হচ্ছিল একটি টিলা। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের মহল্লার ওই টিলা কাটার দায়ে টিলামালিক যুক্তরাজ্যপ্রবাসী হুমায়ূন কবির চৌধুরীকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ১১ মের এ ঘটনার চার দিনের মাথায় এবার সরকারি প্রতিষ্ঠানকে দেখা গেছে টিলা কাটতে। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী ওই টিলা পড়েছে সিলেট সরকারি দুগ্ধ খামার এলাকায়।
টিলার নাম মাদুরটিলা। এর অবস্থান সিলেট নগরের টিলাগড় এলাকায়। গতকাল সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, টিলার চারদিক প্রায় ক্ষতবিক্ষত। টিলার পাদদেশ থেকে শুরু করে টিলার গা ঘেঁষে বড় বড় গর্ত খোঁড়া। একেক সারিতে ছয়টি করে তিন দিক থেকে পাকা ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে নির্মাণ সম্পন্ন হওয়া অংশে গিয়ে দেখা গেছে, খোঁড়া গর্ত যত্রতত্র রয়েছে। আবার যেদিকে গর্ত খোঁড়া হয়েছে, সেদিকের চূড়া থেকে মাটি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস: চুক্তি অনুযায়ী ফারাক্কা পয়েন্টে পানি দিচ্ছে না ভারত- দৈনিক নয়াদিগন্ত

গঙ্গাচুক্তি অনুযায়ী ফারাক্কা পয়েন্টে ৪০ বছরের গড় পানিপ্রবাহ বজায় রাখে না ভারত। দেশটি দু-একটি বছর ছাড়া প্রতি বছরই ফারাক্কা পয়েন্টে চুক্তি অনুয়ায়ী পানি কম দিচ্ছে।
১৯৯৬ সালে সম্পাদিত গঙ্গাচুক্তির অনুচ্ছেদ ২-এর ২-এ বলা আছে যে, অনুচ্ছেদ ১-এ যে নির্দেশনামূলক তফসিল উল্লিখিত আছে এবং যা সংলগ্নি ২-এ দেয়া হয়েছে তার ভিত্তি হলো বিগত ৪০ বছরের ( ১৯৪৯-৮৮) ব্যাপ্তিতে ফারাক্কায় দশ-দিনওয়ারি পানিপ্রবাহের গড় লভ্যতা। উপরোল্লিখিত ৪০ বছরের গড় লভ্যতামতো ফারাক্কায় পানির প্রবাহ সংরক্ষণ করতে উজানের দেশ (ভারত) সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে।
কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী পানিবণ্টন কার্যক্রম শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত ভারত ফারাক্কা পয়েন্টে ৪০ বছরের গড় পানিপ্রবাহ রাখেনি। চলতি বছরও ফারাক্কা পয়েন্টে ৪০ বছরের গড় পানিপ্রবাহ এবারো নিশ্চিত করেনি ভারত। চলতি বছর এ পর্যন্ত মোট ১৩টি কিস্তির কোনটিতেই গড় প্রবাহ নিশ্চিত করেনি দেশটি। বরাবরের মতো এবারো প্রায় প্রতি কিস্তিতে ফারাক্কা পয়েন্টে পর্যাপ্ত পানি না আসায় কম পেয়েছে বাংলাদেশ।
১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি অনুযায়ী প্রতি বছরে পানিবণ্টন কার্যক্রম শুরু হয় শুষ্ক মওসুম, অর্থাৎ জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত।
গঙ্গার পানি চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন চান পরিবেশবিদরা- দৈনিক সমকাল

পানির স্তর নেমে যাওয়ায় শুকনো মৌসুমে পানি সংকট বেড়েই চলেছে ঈশ্বরদীসহ উত্তর জনপদে। পদ্মা ও এর শাখা নদীগুলো প্রায় শুকিয়ে যাওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে তীরবর্তী পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতুর নিচে জেগে উঠেছে বিশাল চর। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দেখা দিয়েছে মরুময়তা। এমন এক পরিস্থিতিতে ফারাক্কা দিবস পালিত হচ্ছে আজ।
১৯৭৬ সালের এই দিনে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকে জনগণ ফারাক্কা বাঁধের দিকে লংমার্চ করে। দিবসটি সামনে রেখে গবেষক ও পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, ভারতের সঙ্গে ২১ বছর আগে সম্পাদিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করা না হলে সংকট আরও বাড়তে পারে। কারণ, চুক্তি অনুযায়ী বর্তমানে যে পানি আসছে, তা দিয়ে চাহিদার অর্ধেকও পূরণ করা যাচ্ছে না।
এদিকে, গত সপ্তাহেও বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কমিশনের (জেআরসি) পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মার পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করেছে। এই প্রতিনিধি দলের সদস্য ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উত্তরাঞ্চলীয় পরিমাপ বিভাগ, পাবনা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল হক সমকালকে এ প্রসঙ্গে বলেন, '১৯৯৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ভারতের ৩৫ হাজার কিউসেক পানি দেওয়ার কথা। সে অনুযায়ী বর্তমানে আমরা বেশি পানি পাচ্ছি।' তিনি বলেন, 'এখন সমস্যা না থাকলেও দেখতে হবে, শুকনো মৌসুমে কী পরিমাণ পানি পাওয়া যায়।'
গণমাধ্যম সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময়: দুই বছরে ৩০ ভাগ কাজ করেছি : আনিসুল হক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, দায়িত্ব নেয়ার পর গত দুই বছরে ৩০ ভাগ কাজ করেছি। আরো ৭০ ভাগ কাজ বাকি রয়েছে। এ বছর অনেক বাজেট পেয়েছি। এখন পরিকল্পনা করছি। সমস্যা ধরে ধরে সামনে আরো কাজ করা হবে।
‘ঢাকা উত্তর সিটি, প্রচেষ্টার দুই বছর’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় মেয়র আনিসুল হক এ কথা বলেন। সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকদের নিয়ে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ডিএনসিসি।
মেয়র আনিসুল হক দুই বছরের সফলতা তুলে ধরে বলেন, রাজধানীতে বিলবোর্ড ও ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণে অনেক মাস্তান ছিল, তাদের তাড়িয়েছি। যাদের কারণে আমাদের বিলবোর্ডে হাত দেয়া যেত না। ঢাকার সড়কে ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন লাগানোর কারণে অনেক নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেছি। এ পর্যন্ত ২০ হাজার বিলবোর্ড ও এক লাখ ৭৫ হাজার ব্যানার এবং ফেস্টুন অপসারণ করেছি।
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর
তিন বছর পেরিয়েও মোদিতেই ভরসা ৬০% ভারতীয়র- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

মঙ্গলবার দিল্লির মসনদে তিন বছর পূর্ণ করল মোদি সরকার৷২০১৪ সালে প্রবল জনমত নিয়ে সরকার গড়ার পর বিরোধীদের আক্রমণ, সাম্প্রদায়িক ও অসহিষ্ণু বলে ‘বুদ্ধিজীবী’দের চিল-চিৎকার সত্বেও যদি এখনই নির্বাচন হয়, তাহলে ক্ষমতায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই৷এমনটাই উঠে আসছে ‘লোকাল সার্কেলস’ নামের একটি সংস্থানের সমীক্ষায়৷যদিও বেশ কিছু বিষয়ে জনতার মধ্যে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে৷তবুও প্রত্যেক ৫ জন ভারতীয়র মধ্যে ৩ জন মোদি সরকারের কাজে সন্তুষ্ট৷
‘লোকাল সার্কেলস’র চালানো এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ২০০টি শহরের প্রায় ২ লক্ষ ভোটার৷প্রায় ৪৪ হাজার মানুষ ওই সংস্থার ওয়েবসাইটে নিজেদের মতামত জানিয়েছেন৷তিন বছরের শাসনকালে এনডিএ সরকার ৬১% মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছে বলে সমীক্ষায় প্রকাশ৷৫৯% মানুষ মনে করেন যে, সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের পথেই হাঁটছে৷যদিও মূল্যবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিশু ও মহিলাদের বিরুদ্ধে ক্রমশ বাড়তে থাকা অপরাধ-সহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে, তবুও তাঁদের আস্থা এখনও মোদিতেই৷মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ভর্তুকির টাকা জমা দেওয়ার (ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার) কেন্দ্রের উদ্যোগ প্রায় ৪৭% মানুষের মন জয় করেছে৷তবে সরকারের ড্রিম প্রজেক্ট ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ মাত্র ৮% লোকের সমর্থন পেয়েছে|
পি চিদম্বরমের বাড়িতে সিবিআই হানা- দৈনিক আজকাল

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরমের বাড়িতে হানা দিল সিবিআই। তল্লাশি চলছে তাঁর ছেলে কার্তি চিদম্বরমের বাড়িতেও। মোটা টাকার বিনিময়ে আইএনএক্স সংবাদ সংস্থাকে ছাড়পত্র পাইয়ে দিয়েছেন বলে সোমবার কার্তি চিদম্বরমের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। রাত পোহাতেই মঙ্গলবার সকালে তাঁর বাড়িতে হাজির হন সিবিআই আধিকারিকরা। শিনা বরা হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত পিটার মুখার্জি একসময় ওই সংস্থার মালিক ছিলেন। কংগ্রেসের তরফে এই তল্লাশি অভিযানের নিন্দা করা হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের মুখপাত্র টম বড়ক্কন। তাঁর দাবি, ‘তিন বছর ধরে কি করছিল সিবিআই? অভিযোগ যদি এতই গুরুতর হয়, তাহলে এতদিন পদক্ষেপ করা হয়নি কেন? প্রমাণ থাকলে সামনে আনুন। তা না হলে খামোখা চিদম্বরমের পরিবারকে বদনাম করা হচ্ছে কেন? দেশবাসী কিন্তু সব দেখছেন।’
কুলভূষণ কাণ্ডে টানটান লড়াই- দৈনিক আনন্দবাজার

সীমান্তে গুলিবর্ষণ অথবা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নয়। কিন্তু আজ নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ-এ দিনভর প্রায় একই রকম টানটান উত্তেজনা তৈরি হল আন্তর্জাতিক ন্যায় আদালতের বিচারকক্ষে। এক দিকে পাকিস্তানের সামরিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ভারতীয় প্রাক্তন নৌ অফিসার কুলভূষণ যাদবের জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে নামল ভারত। অন্য দিকে ভারতের সমস্ত অভিযোগকে ভুয়ো প্রতিপন্ন করতে কোমর বাঁধল ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের দাবি, সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য কুলভূষণকে চর হিসাবে পাঠিয়েছিল ভারত। বিষয়টি পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। এই ধরনের একটি মামলাকে আন্তর্জাতিক আদালতে টেনে আনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
আজ দিনের শুরুতে বিদেশ মন্ত্রকের পাকিস্তান বিষয়ক যুগ্ম সচিব দীপক মিত্তলের নেতৃত্বে সওয়াল শুরু করে ভারতীয় প্রতিনিধি দল। প্রবীণ আইনজীবী হরিশ সালভে আজ চাঁছাছোলা ভাষায় পাকিস্তানকে আক্রমণ করে জানান, কুলভূষণের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকরা ১৬ বার দেখা করতে চাওয়ার আবেদন করা সত্ত্বেও তাতে কর্ণপাত করেনি ইসলামাবাদ। এটি আন্তর্জাতিক চুক্তির (ভিয়েনা কনভেনশন) ঘোরতর অবমাননা বলেই উল্লেখ করেছেন সালভে।
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১৬