বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আরো এক লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৯ অক্টোবর সোমবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের অনলাইনশিরোনাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা-দৈনিক ইত্তেফাক
- বছরে গর্ভপাত প্রায় ১২ লাখ-প্রথম আলো
- আইনজীবী সমিতির মানববন্ধন বিক্ষোভ-প্রধান বিচারপতিকে দেশত্যাগ না করার আহ্বান-দৈনিক যুগান্তর
- তফসিল ঘোষণার পর সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার প্রস্তাব জাপার-দৈনিক মানবজমিন
- মামলায় গতিহারা-স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ও তৃণমূল উন্নয়ন কার্যক্রম-দৈনিক ইনকিলাব
ভারতের শিরোনাম:
- বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম থেকে হিন্দু ও মুসলিম শব্দ সরানোর প্রস্তাব UGC’র -দৈনিক আনন্দবাজার
- গোধরা কাণ্ডে ১১ দোষীর মৃত্যুদণ্ড রদ গুজরাট হাই কোর্টে -দৈনিক আজকাল
- চেম্বারের মধ্যে মহিলার শ্লীলতাহানি চিকিৎসকের, ভাইরাল ভিডিও-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
আইনজীবী সমিতির মানববন্ধন বিক্ষোভ-প্রধান বিচারপতিকে দেশত্যাগ না করার আহ্বান-দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শিরোনাম
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে উদ্দেশ করে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, আপনি দেশত্যাগ করবেন না। সারা দেশের মানুষ আপনার সঙ্গে আছে। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন, আপনি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি। ইনশাআল্লাহ আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে আপনাকে স্বপদে বহাল করব।
পাঁচ দিনের ঘোষিত কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন সোমবার দুপুর ১টা থেকে ২টায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ শেষে এক বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
দৌলতপুরে বিএসএফের গুলিতে আহত যুবকের লাশ উদ্ধার-ইত্তফাকের অনলাইন সংস্করণের খবর
খবরটিতে লেখা হয়েছে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আহত যুবক বুলবুলের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে কুষ্টিয়া-প্রাগপুর সড়কের হোসেনাবাদ-মথুরাপুর মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। দৌলতপুর থানার ওসি শাহ দারা খান জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বুলবুলের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
বিদ্যুতের দাম দফায় দফায় বাড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগ-দৈনিক যুগান্তর
বিদ্যুতের দাম দফায় দফায় বাড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। কমিটি বলেছে, এতে করে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শিল্পায়ন ব্যাহত হবে। সাধারণ মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সংসদীয় কমিটি আগামী নির্বাচনের আগে বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর জন্যও বলেছে। রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।
তফসিল ঘোষণার পর সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার প্রস্তাব জাপার—দৈনিক মানবজমিনসহ প্রায় সব জাতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণের খবর
জাতীয় নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সেনা মোতায়েনসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছে জাতীয় পার্টি। সোমবার রাজধানী আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপে দলটি এ দাবি জানায়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে জাতীয় পার্টির পক্ষে নেতৃত্ব দেন দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। দলসূত্রে জানা গেছে, সেনা মোতায়েন ছাড়াও দলটির প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে- নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন কমিশনের কাজে কোনো হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সংসদ ভেঙে দিতে হবে। আনুপাতিক হারে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সব দলের সদস্যকে নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করতে হবে।
বছরে গর্ভপাত প্রায় ১২ লাখ-দৈনিক প্রথম আলোর শিরোনাম
দক্ষিণের জেলা পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার আরামগঞ্জ গ্রামের জুলেখা বেগম আর সন্তান নিতে চাননি। চা-বিক্রেতা স্বামী আলাউদ্দিন মৃধাকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা সদরে এসেছিলেন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে। দালাল তাঁদের নিয়ে যায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে। গর্ভপাত করাতে গিয়ে মৃত্যু হয় জুলেখার। গর্ভপাত করাতে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে জুলেখার মৃত্যু হয়। ভুল চিকিৎসার অভিযোগ এনে ওই দিনই স্থানীয় থানায় মামলা করেন আলাউদ্দিন।
গর্ভপাত করাতে গিয়ে কত নারীর মৃত্যু হয়, তার সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না। তবে সর্বশেষ একটি জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশে প্রতিদিন গড়ে ৩ হাজার ২৭১টি স্বপ্রণোদিত গর্ভপাতের ঘটনা ঘটে। সরকারের পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাতৃ ও প্রজনন স্বাস্থ্য কর্মসূচির ব্যবস্থাপক ফাহমিদা সুলতানা প্রথম আলোকে বলেন, দেশের আইনে গর্ভপাত দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে দণ্ডবিধিতে (ধারা ৩১২-৩১৬) বলা আছে, শুধু মায়েরজীবন রক্ষার প্রয়োজনে গর্ভপাত করানো যেতে পারে। ‘যাঁরা গর্ভপাত করাতে চান, তাঁরা প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবার বাইরে কাজটি করেন। সাধারণত অদক্ষ, হাতুড়ে ডাক্তাররা এ কাজ করেন। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি।’ এই সরকারি কর্মকর্তা বলেন, দেশে মাতৃমৃত্যুর একটি কারণ অনিরাপদ গর্ভপাত।
বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আরো এক লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা-আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার অভিমত-ইত্তেফাক
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা বন্ধ হয়নি। প্রতিদিন দুই হাজারের মতো রোহিঙ্গা আসছে বাংলাদেশে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এ তথ্য জানিয়েছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে নতুন করে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা ৫ লাখ ১৫ হাজার দাঁড়িয়েছে।
সংস্থাটির পর্যবেক্ষকদের মতে, সম্ভবত এক লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা কক্সবাজারে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। উত্তর রাখাইনের বুথিডং শহর এলাকা থেকে তারা আসছে। যারা আসছে তারা ক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত। কয়েকদিন হেঁটে ও বিপদসংকুল নদী ও সাগর পেরিয়ে তারা আসছে।
অনেকেই পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। রয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের অভাব। অনেকে ডায়রিয়া ও কলেরায় আক্রান্ত হয়েছে। এদিকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের একটি ড্রোন ভিডিও চিত্র সমপ্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। ভিডিও চিত্রে বিস্ময়কর মাত্রার মানবিক বিপর্যয়ের দৃশ্য ফুটে ওঠেছে।
মামলায় গতিহারা-স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ও তৃণমূল উন্নয়ন কার্যক্রম-দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম।
বিস্তারিত প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, সর্বশেষ ইউনিয়ন-পৌরসভা-উপজেলা-সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের পর ৬ শতাধিক জনপ্রতিনিধিকে ফৌজদারি আইনের ধারা বলে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইকোর্টে রিট আবেদন করে চেয়ারে বসতে পেয়েছেন ৩ শতাধিক জনপ্রতিনিধি। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা যত শক্তিশালী হয়; দেশের উন্নয়নের ধারাও হয় ততই গতিশীল। আমলাতন্ত্রের ‘লাল ফিতা’ উন্নয়নের ধারাকে টেনে ধরে। এই যখন অবস্থা; তখন হিংসা-প্রতিহিংসার রাজনৈতিক মামলায় ছন্দ হারাচ্ছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রম। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে তৃণমূল পর্যায়ে বিরোধী মতের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় জড়িয়ে ‘সাময়িক বরখাস্ত’ করা হচ্ছে। সংবিধান ও স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞদের মতে স্থানীয় সরকারব্যবস্থা ক্ষমতাসীনরা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে এর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত শত শত জনপ্রতিনিধিকে ‘সাময়িক বরখাস্ত’ করায় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর
চেম্বারের মধ্যে মহিলার শ্লীলতাহানি চিকিৎসকের, ভাইরাল ভিডিও-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
চিকিৎসকদের অত্যন্ত সম্মান ও মর্যাদার জায়গা থেকে দেখেন রোগীরা। চোখ বুজে তাঁদের উপর ভরসা করা ছাড়া দ্বিতীয় কোনও উপায় নেই রোগীদের। কিন্তু সত্যিই কি ভরসা করা যায়? যোধপুরের এক ঘটনা সে প্রশ্ন ফের তুলে দিল। সম্প্রতি নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে এক ভিডিও। যেখানে দেখা যাচ্ছে চেম্বারে শারীরিক পরীক্ষার নামে এক মহিলার শরীর অশ্লীলভাবে স্পর্শ করছেন ওই চিকিৎসক। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই অবশ্য ডাক্তারবাবু ফেরার।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম থেকে হিন্দু ও মুসলিম শব্দ সরানোর প্রস্তাব UGC’র-সংবাদ প্রতিদিন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ধর্মের সংযোগ না থাকাই বাঞ্ছনীয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে হিন্দু ও মুসলিম শব্দ যোগ না করার প্রস্তাব আনল ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন বা ইউজিসি।
আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি ও বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি-র প্রসঙ্গেই এই প্রস্তাব। ইউজিসি-র এক প্যানেলের পরামর্শ, এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম থেকে যথাক্রমে মুসলিম ও হিন্দু শব্দদুটি সরানো উচিত। কারণ কেন্দ্রের অনুদানে চলা বিশ্ববিদ্যালয় দুটির এহেন নাম দেশের ধর্মনিরপেক্ষতার সঙ্গে খাপ খায় না। কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। প্রায় ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক হিসেবনিকেশ ছিল আতসকাচের নিচে। তারই অডিট রিপোর্টে এই প্রস্তাব দেওয়া হল।
বিজেপি’ও ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’? কী বললেন নীতীশ-দৈনিক আজকাল
গো জোটসঙ্গী বাছার ক্ষেত্রে বরাবরই খুঁতখুঁতে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। কখনও ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’কে প্রাধান্য দেন। কখনও বিষয় ‘দুর্নীতি’। দুর্জনে বলে নীতীশ আসলে ‘সুবিধাবাদী’। বিজেপি–র সঙ্গ ছেড়ে লালুর রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সঙ্গে জোট করেন ধর্মনিরপেক্ষতাকে মাথায় রেখে। আবার আরজেডি ছেড়ে বিজেপি–কে বাছেন দুর্নীতি বিরোধিতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের ছেলে জয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তাহলে এবার কোন তাস খেলবেন? বিব্রত নীতীশ এখন বলছেন, তিনি নাকি সকালের খবরের কাগজই পড়েননি। যে নীতীশ ছাপোষা লোকের মতই খবরের কাগজ পড়ে দিন শুরু করেন তাঁকেই এখন না পড়ার দাবি করতে হচ্ছে!
সোমবার নীতিশ বলেন, ‘আমি এখনও খবরের কাগজ পড়িনি, তাই মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’ সেই সাফাইয়ে যে কাজ হবে না তা বুঝতে পেরে তাঁর সংযোজন, ‘কোম্পানিতে বিনিয়োগের জটিলতা বুঝি না।’ মুখ্যমন্ত্রী হয়ে বিনিয়োগ না বোঝার দাবি তিনি কতদিন করতে পারবেন তা দেখা যাক।
গোধরা–কাণ্ডে ফাঁসির বদলে যাবজ্জীবন-দৈনিক আনন্দবাজার
গোধরা কাণ্ডে ১১ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তের ফাঁসি হচ্ছে না। তাদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করে দেওয়া হল। গোধরায় ট্রেনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল ২০০২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। করসেবকদের একটি কামরায়আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। সেই ঘটনায় ৫৯ জন প্রাণ হারান। তারপরে দু’মাস ধরে দাঙ্গা চলেছিল। সেই মামলায় বিশেষ তদন্তকারী আদালত ১১ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। ২০১১ সালের বিশেষ আদালতের তরফে যে ২০জনকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছিল তার বদলে আদালতে মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানায় গুজরাত সরকার। তবে এদিন আদালতের রায়ের ফলে মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত ১১জনকেও এবার সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করে দেওয়া হল।গুজরাত সরকার নিযুক্ত নানাবতী কমিশন বলেছিল, সবরমতী এক্সপ্রেসের আগুন লাগার ঘটনা কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছিল। সংঘ পরিবারের দাবি ছিল, অযোধ্যা থেকে যে সব হিন্দু ফিরছিলেন, তাঁদেরকে নিশানা করতেই এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছিল।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/৯