এপ্রিল ০৫, ২০১৮ ১৪:০০ Asia/Dhaka

ইমাম রেজা (আ.) মুমিন মুসলমানদের উদ্দেশ করে বলেছেন, তোমরা পরস্পরের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ এবং মুসাফাহা বা করমর্দন করবে। এতে তোমাদের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী হবে। আর একে অপরের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করবে না।

মূল্যবান হাদিস শুনলাম। আশা করছি আমরা সবাই এ হাদিসের বাণী নিজেদের জীবনে বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। আজকের আসরের প্রথম ইমেইলটি এসেছে বাংলাদেশ থেকে। দিনাজপুর জেলার জালালপুর- শংকরপুর থেকে এটি লিখেছেন  কামরুজ্জামান সরকার,মেহেদী হাসান,ইসরাফিল ও সুমাইয়া খাতুন।

বহলুল: বাহ! চারজন মিলে একটি ইমেইল পাঠিয়েছেন? তা এ চিঠির বক্তব্য তো আমার কাছে পরিচিতি বলে মনে হচ্ছে?

চিঠি পড়ার আগেই বক্তব্য টের পেয়ে গেলেন বহলুল ভাই? তার মানে আপনি এটি আগেই পড়েছেন! হ্যাঁ এতে জানতে চাওয়া হয়েছে, রেডিও তেহরান কবে থেকে বাংলাদেশে এফএম ব্যান্ডে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে? এ জন্য অবিলম্বে বাংলাদেশ বেতার ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে চুক্তি করার দাবি জানিয়েছেন তারা। এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পত্র লেখকরা আরো বলেছেন, বাংলাদেশে ক্রমশ এফএম শ্রোতা বেড়ে যাচ্ছে -তাই এ দিকে দৃষ্টি দেয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।

বহলুল: রেডিও তেহরানের বন্ধুদের প্রাণের এ দাবি মানতে পারলে বড়ই ভাল লাগত।

বন্ধুরা, এর আগেও বলেছি এখনও বলছি, নানা ঝামেলা ও সীমাবদ্ধতার কারণে আপাতত রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান বাংলাদেশে এফএম ব্যান্ডে সম্প্রচার করা সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য সত্যিই আমরা দুঃখিত। তো ভাই কামরুজ্জামান সরকার,মেহেদী হাসান,ইসরাফিল ও বোন সুমাইয়া খাতুন, আশা করছি আপনারা রেডিও বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমাদের অনুষ্ঠান শোনা এবং চিঠি লেখা অব্যাহত রাখবেন। চিঠি লেখার জন্য আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

কাজের ফাঁকে হাসির দরকার আছে। তাই না বহলুল ভাই!

বহলুল: একশ' ভাগ সত্যি কথা। হাসতে চান? তা হলে আসুন, বাংলাদেশের অন্যতম খ্যাতিমান চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা হজরত আলীর কথা শুনি।

হ্যাঁ আমাদের স্বাস্থ্যকথা অনুষ্ঠানের অতিথি ডা. হজরত আলী গত আসরে রোগী দেখতে গিয়ে মজার অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছিলেন। আজো এরকম একটি অভিজ্ঞতা আমরা শুনব।  জি তা হলে আপনার অভিজ্ঞতার কথা বলুন অধ্যাপক হজরত আলী।

ধন্যবাদ অধ্যাপক হজরত আলী। ভবিষ্যতে আবারো সময় এবং সুযোগ পেলে আপনার সঙ্গে কথা হবে। আসরের এ পর্যায়ে রেডিও তেহরানের শ্রোতা এবং ওয়েবসাইট ও ফেসবুকে তৎপর পাঠক বন্ধুরা যেসব প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবারে সে দিকে নজর দেবো। কি বলেন বহুলুল ভাই?

বহলুল: সে আর বলতে? নেমে পড়ুন কাজে। আমরা আছি এর সাথে।

হ্যাঁ আমেরিকা পরমাণু অস্ত্র ধ্বংস না করলে আলোচনায় বসবে না ইরান- শীর্ষক খবরটি প্রকাশিত হয়েছে ৪ ফেব্রুয়ারি। এ খবরে বলা হয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ জাযায়েরি বলেছেন,আমেরিকা এবং ইউরোপ পরমাণু অস্ত্র ও দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস না করা পর্যন্ত তার দেশ নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসবে না।

রেডিও তেহরানের ফেসবুক গ্রুপে এ খবরটি ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বাহাউদ্দিন লিখেছেন, দারুণ সাহসী ভূমিকা। অন্যদিকে স্ট্রেঞ্জ স্কাইলাইন ছদ্মনামের পাঠক ভাই লিখেছেন, অসাধারণ যুক্তি। আর ইরানের এ বক্তব্যকে সারা বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের প্রাণের দাবি বলে উল্লেখ করেছেন আবদুস সেলিম।

বহলুল: এ রকম আরো অনেক মন্তব্য হলেও সবগুলো এখানে তুলে ধরতে পারলাম না।  যাই হোক, মন্তব্যকারী সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

 

সৌদি আরবে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান,সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আশা- শিরোনামের খবরটি প্রকাশিত হয়েছে ৪ মার্চ। এ খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সশস্ত্র বাহিনী প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছেন। এ প্রদর্শনী থেকে অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দুদেশের সামরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ফেসবুকের গ্রুপে এ খবর স্বাভাবিকভাবেই আলোড়ন তৈরি করেছে। পাঠকদের প্রতিক্রিয়া এখনো অব্যাহত রয়েছে। ‘এমডি রাশিদ বিকে’ এতে প্রতিনিধিত্বশীল মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, সৌদিআরব ইসরাইলের ফাঁদে পা দিয়ে পৃথিবীর সমস্ত মুসলিমের মনে আঘাত হেনেছে। সে সৌদিআরবে এ দেশের সেনাপ্রধানের সফর কতটুকু যুক্তিসংগত?

বহলুল: কোটি টাকার প্রশ্ন করেছেন ভাই এমডি রাশিদ। ধন্যবাদ আপনাকে। এদিকে আসরের সময় যে শেষ হয়ে এসেছে।

ঠিক বলেছেন বহলুল ভাই। তো বন্ধুরা এবার আসর গুটানোর পালা। চিঠি, ইমেইল পাঠানো এবং অনুষ্ঠানে আমাদের সঙ্গ দেয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। কথা হবে আবারো আগামী আসরে। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন।#