মে ০১, ২০১৮ ১৪:৪৬ Asia/Dhaka

শুরুতেই যথারীতি একটি হাদিস। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মুসলিম সমাজের কোনো কাজের দায়িত্ব নেয়ার পর সে কাজকে নিজের কাজের মতো গুরুত্ব দেয় না সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না।

মূল্যবান হাদিস শুনলাম। এবারে চিঠিপত্রের দিকে নজর দেই। আজকের আসরের প্রথমেই ভারত থেকে আসা একটি ই মেইল হাতে তুলে নিয়েছি। আর এটি লিখেছেন অসম রাজ্যের ডবকা পাথার গ্রাম থেকে মো. আলাউদ্দিন লস্কর। তিনি নিয়মিত রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান শোনেন এবং এ অনুষ্ঠান খুবই ভালো লাগে বলে ইমেইলে জানিয়েছেন।  রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে কোরআনের আলো সবচেয়ে ভালো লাগে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। তবে বিশ্ব সংবাদ নিয়ে একটি অভিযোগ করেছেন তিনি।

বহলুল: অভিযোগ? তা অভিযোগটি কি??

আসলে তিনি একটি অনুরোধ করেছেন এবং সেই অনুরোধকে তিনি অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আর এটি হলো, বিশ্বসংবাদের মাঝে আরেকবার সংবাদ শিরোনাম শোনাতে হবে।

অনুরোধ হিসেবে একে ভালোই বলতে হবে। তবে ভাই লস্কর, বিশ্বসংবাদের অল্প সময়ের মধ্যে আরেকবার শিরোনাম হয়ত অন্য শ্রোতাদের কাছে ভালো লাগবে না। এ ছাড়া, আমরা এরকম অনুরোধ এর আগে তেমন কখনো পাইনি। অবশ্য আপনি যদি পুরো এক ঘণ্টার অনুষ্ঠান শুনে থাকেন তাহলে দেখবেন অনুষ্ঠানের শেষাংশে আমরা আরেকবার সংবাদ শিরোনাম জানিয়ে দিচ্ছি।

চিঠির শেষে এ শ্রোতা ভাই জানিয়েছেন, তার ভাষা হলো অসমীয়া। তাই বাংলা ভালো করে লিখতে পারেন না। অবশ্য বাংলা বুঝতে পারেন। এ ছাড়া অসমীয়া ভাষায় ব' শূন্য 'র' ভিন্নভাবে লেখা হয় বলে উল্লেখ করে লিখেছেন, চিঠিতে এমনটি থাকলে তাকে ব' শূন্য '' হিসেবে পড়তে হবে।

বহলুল: না ভাই আলাউদ্দিন লস্বর, আপনার চিঠিতে তেমন কোনো বড় ধরণের ভুল পাইনি। কষ্ট করে চিঠি লেখার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

বন্ধুরা, আপনারা নিশ্চয়ই জেনে গেছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলকে স্বীকৃত দেয়ার কথা রাখঢাক না করেই ঘোষণা দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান। পবিত্র মক্কা এবং মদিনা নগরীর কথিত খাদেমদের এমন ন্যক্কারজনক ঘোষণা ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থনদানকারী মানুষদের বিশেষ করে মুসলমানদের মনে প্রচণ্ড প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। রেডিও তেহরানের বিশিষ্ট এবং পুরনো শ্রোতা ভাই আমিন আল আসাদ এ নিয়ে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এভাবে ....

সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছিলেন ঢাকার শ্রোতা ভাই আমিন আল আসাদ। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে। আশা করছি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখবেন।

এ ছাড়াযে কোনো শ্রোতা ও পাঠক ভাই একই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন। আপনারা ফোন নম্বর দিলে রেডিও তেহরান থেকে ফোন করা হবে। বা ইচ্ছা করলে ভয়েস মেইলও পাঠাতে পারেন। তবে ভয়েস মেইলের বক্তব্য দেড় মিনিটের মধ্যে হলে ভালো হয়।

 বহলুল: হ্যাঁ আমরা কিন্তু আপনাদের প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষায় রইলাম।  তা আসরের এ পর্যায়ে কি..

জ্বি আসরের এ পর্যায়ে রেডিও তেহরানের ফেসবুক গ্রুপের খবরে যে সব মন্তব্য প্রকাশিত হয়েছে সে দিকে নজর দেবো। তুরস্কে রুহানি-পুতিন-এর্দোগান বৈঠক শীর্ষক খবরটি প্রকাশিত হয়েছে ৪ এপ্রিল। এ খবরে বলা হয়েছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান,রাশিয়া ও তুরস্কের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। সিরিয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি 'আস্তানা' 'সোচিবৈঠকে নেয়া সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।

ফেসবুকের গ্রুপে এ খবর নিয়ে অনেক মন্তব্য হয়েছে। এর মধ্যে মোঃ রুহুল  লিখেছেন, আশা করি এই তিন মিত্র ঐক্যবদ্ধ হয়ে মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।

বহলুল: আমার মনে হয় এ বক্তব্যের বিরোধিতাও করেছেন কেউ কেউ।

ঠিকই ধরেছেন বহলুল ভাই, এরদোগান সুবিধাবাদী,আবার আমেরিকার কোলে ফিরে যাবে বলে আশংকা ব্যক্ত করেছেন পাঠক ভাই জুলফিকার খান। অর্থাৎ এরদোগানকে নিয়ে সংশয় এখনো দূর হয়নি। এদিকে তপন খান তার বক্তব্যে আলাদা জাতিসংঘ গঠনের দাবি জানিয়েছেন।

বহলুল: এমনটা হলে হয়ত মন্দ হতো না।

পাঠক ভাইয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যা বললেন বহলুল ভাই। তা যাক, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রসহ প্রতিরক্ষা শক্তি আরও বাড়বে: প্রতিরক্ষামন্ত্রী-শিরোনামের খবরটি প্রকাশিত হয়েছে ৪ এপ্রিল। এ খবরে বলা হয়েছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি বলেছেনপ্রতিরক্ষা শক্তি জোরদার আমাদের অকাট্য ও ন্যায্য অধিকার। এক্ষেত্রে কোনো ধরণের ছাড় দেয়া হবে না।

ভাই শহীদুল ইসলাম এ খবরের বক্তব্য সমর্থন করে লিখেছেন,  জ্বি। অন্যদিকে লাল সালাম জানিয়েছে পাঠক ভাই স্বপন চৌধুরী।

চমৎকার সব মন্তব্য। ধন্যবাদ সবাইকে। তবে আজ আর নতুন কোনো মন্তব্যে নজর দেয়া সম্ভব নয়। কারণ সময় শেষ হয়ে এসেছে। ভাই বোনেরা দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের সঙ্গ দেয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে আবারো জানাই ধন্যবাদ। চিঠি দেবেন, ইমেইল করবেন এবং ওয়েবসাইটের খবরে নিয়মিত মন্তব্য করবেন ও সবাই ভাল থাকবেন এ কামনার মধ্য দিয়ে এবারে গানে গানে বিদায় নেবো, কথা হবে আগামী আসরে। #