জুন ০৫, ২০১৮ ১১:১৪ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৫ জুন মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

প্রথমে বাংলাদেশে:

  • তিস্তা চুক্তির আশা কি শেষ?মতামত প্রদিবেদনের শিরোনাম-দৈনিক প্রথম আলোর
  • এক যুগে দূষণে বাংলাদেশের অবনতি ৫৪ ধাপ-দৈনিক যুগান্তর
  • সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে বস্তির জীবন-দৈনিক ইত্তেফাক
  • চার জেলায় ' বন্দুকযুদ্ধে ' নিহত ৪-দৈনিক মানবজমিন
  • জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু-দৈনিক সমকার
  • একতরফা নির্বাচনের গ্যারান্টি চাচ্ছেন শেখ হাসিনা : রিজভী-দৈনিক নয়া দিগন্ত

ভারত:

  • প্রবীণ নয়, বিজেপির বিরুদ্ধে নবীন বিগ্রেডই হাতিয়ার বিরোধীদের-দৈনিক আনন্দবাজার
  • সরাসরি মোদিকে আক্রমণ করে খোলা চিঠি লিখলেন গোয়ার আর্চ বিশপ-দৈনিক আজকাল
  • কৃষকদের দাবি পূরণ না হওয়ায় ক্ষোভ, গায়ে আগুন দেওয়ার চেষ্টা কংগ্রেস বিধায়কদের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

চার জেলায় ' বন্দুকযুদ্ধে ' নিহত ৪-দৈনিক মানবজমিন

চার জেলায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৪ জন

বগুড়া, ময়মনসিংহ, রংপুর ও দিনাজপুরে বন্দুকযুদ্ধে ৪ জন নিহত এবং দুই জন আহত হয়েছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে তারা সকলেই মাদকব্যবসায়ী। আজ মঙ্গলবার ভোররাতে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাগুলো ঘটে। দৈনিকটির অন্যএকটি খবরে লেখা হয়েছে, চাঁদপুরে মহিলা আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেত্রী নিজ বাসায় খুন হয়েছেন।

জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু-দৈনিক সমকাল /যুগান্তর

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ

জাতীয় সংসদের  দশম জাতীয় সংসদের শেষ  অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হয় মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে। তারপর প্রথম দিনের মতো মুলতবি করা হয়েছে।  চলমান সংসদের ২১তম এ অধিবেশনে আগামী ৭ জুন বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আগামী ৩০ জুন বাজেট পাস হবে। এর আগে সংসদ সদস্যরা বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নেবেন।

দৈনিক মানবজমিনের শিরোনাম- গণবিরোধী সরকারের জনকল্যাণমূলক বাজেট দেয়ার কোনো কারণ নেই’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

গণবিরোধী সরকারের কাছ থেকে কেউ ভালো ও জনকল্যাণমুখী বাজেটের প্রত্যাশা করতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। আজ নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। আর গতকাল এক ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ভারতের কাছে একতরফা নির্বাচনের গ্যারান্টি চাচ্ছেন শেখ হাসিনা।

এক যুগে দূষণে বাংলাদেশের অবনতি ৫৪ ধাপ-দৈনিক যুগান্তর

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস। বাংলাদেশও বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করেছে। তবে পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্ব না দিয়ে উন্নয়ন কাজে অধিকতর অগ্রাধিকার দেয়ায় বিশ্বব্যাপী পরিবেশের বিপর্যয় ঘটছে। পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে আবহাওয়া ও জলবায়ুগত বড় পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে বাংলাদেশে। দেশে এখন বছরের প্রায় ৬-৭ মাসই বৃষ্টি হচ্ছে। তাপমাত্রার ভারসাম্য নেই। জলবায়ুর এ পরিবর্তনের সঙ্গে তালমিলিয়ে চলতে পারছে না প্রাণিকুল। বিশ্বপরিবেশ সংস্থাগুলোর বিবেচনায় পরিবেশের নাজুক অবস্থা বিবেচনায় বাংলাদেশ শীর্ষ তালিকায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সংরক্ষণবিষয়ক সংস্থা ইপিএ'র সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বায়ুদূষণে বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এক যুগে বাংলাদেশ দূষণের ক্ষেত্রে অবনতি ঘটেছে ৫৪ ধাপ। ২০০৬ সালে সর্বপ্রথম সূচকটি তৈরি করা হয়েছিল। সে সময় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২৫তম।

তিস্তা চুক্তির আশা কি শেষ?-দৈনিক প্রথম আলোর মতামত প্রতিবেদনের শিরোনাম

তিস্তার পানিবন্টন চুক্তির আশা কী শেষ!

তিস্তা নদী হলো উত্তরের জীবনরেখা। তিস্তা তার জলদুগ্ধে উত্তরের জীবনকে বাঁচিয়ে রাখে। কখনো প্রত্যক্ষভাবে, কখনো পরোক্ষভাবে। উত্তরের জনপদে তিস্তা অববাহিকার মানুষ তাই তিস্তার কাছে ঋণী। ২০১৪ সালে তিস্তার পানি একতরফা প্রত্যাহার করার কারণে তিস্তা অববাহিকায় ভীষণ সংকট দেখা দিয়েছে। তিস্তায় যখন পানির প্রয়োজন ৫ হাজার কিউসেক, তখন পানি পাওয়া যায় মাত্র ২০০-৩০০ কিউসেক। কখনো কখনো এরও কম।

তিস্তা নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত আলোচনা অনেক পুরোনো। দেশ স্বাধীনের পরপরই ১৯৭২ সালে তিস্তার পানি নিয়ে যৌথ নদী কমিশনের দ্বিতীয় সভায় আলোচনা হয়। ১৯৮৩ সালে অন্তর্বর্তীকালীন একটি চুক্তিও হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের ছিল ৩৬ শতাংশ, ভারত ৩৯ শতাংশ আর ২৫ শতাংশ পানি ছিল নদীর নব্যতা বজায় রাখার জন্য। ১৯৮৫ সালে সেই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। ১৯৮৭ সালে মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানো হয়েছিল। এরপর আর কোনো চুক্তি হয়নি।

২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি হওয়ার কথা ছিল কিন্তু হয় নি কারণ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন বললেন মমতা রাজী নয়। তখন পানিবন্টন চুক্তি ভেস্তে গেলে  তখন থেকেই যদি আমরা তিস্তার পানির জন্য ভারত সরকারকে ক্রমাগত চাপ দিতে থাকতাম, তাহলে ২০১৪ সালে একতরফা পানি প্রত্যাহার করত না। ২০১৫ সালে মমতা বাংলাদেশে এলেন মানুষ বুক বাধল আশায় কিন্তু তিনি তিস্তা নিয়ে কোনো কথা বলেন নি। এখন তিস্তা নিয়ে নানান প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অবস্থা দেখে মনে হয়, তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির সম্ভাবনা অনেকটাই ঝিমিয়ে গেছে। চেষ্টা ঝিমিয়ে গেলেও ভারত কিন্তু বসে নেই। ভারত একতরফা পানি প্রত্যাহার করে নিয়ে বসে আছে। সুতরাং বড় চেষ্টা আসতে হবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেই।

সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে বস্তির জীবন-বহিরাগতদের ঘাঁটি রুমে, নিয়মিত শিক্ষার্থী বারান্দায়-দৈনিক ইত্তেফাক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হলের আবাসনের দৃশ্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্র হল ‘সলিমুল্লাহ মুসলিম হল।’ হলটিকে সবাই এসএম হল বলেই চেনে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই হলটিতে তীব্র আবসন সংকট বিদ্যমান। নবাবের নামে হলটিতে ছাত্রদের বস্তিবাসীর মতো ঘিঞ্জি পরিবেশ বসবাস করতে হয়।

বহু বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রত্ব শেষ অথচ হলের কক্ষ দখল করে থাকেন অনেকে। আবাসন সমস্যা প্রকট হলেও সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসনের কোনো তত্পরতা নেই। কোনো নিয়ম মেনে হলে ছাত্রদের ওঠানামা হয় না।

সরেজমিন দেখা যায়, হলের দোতলার দক্ষিণ পাশের বারান্দায় সারি সারি খাট। খাট ও বিছানা একটার সঙ্গে আরেকটা লাগানো। চৌকির নিচে, মাথার পাশে বই, ট্রাংক। একপাশ থেকে অন্য পাশে বহু কষ্টে যেতে হয়। বারান্দায় কয়েকটি বর্ষের অন্তত ৩০০ ছাত্র থাকেন। হলের গেমস রুমে ৮০ জন ছাত্র থাকেন।

 দুইতলা বিশিষ্ট এসএম হলে ১৪৮টি কক্ষে ৪০২টি আসন রয়েছে। এসব কক্ষে প্রায় ১২০০ ছাত্র থাকেন। হলে ৬০টি একক শয্যার কক্ষের ৯০ শতাংশ কক্ষেই বহিরাগতরা থাকেন। এর বাইরে দুই শয্যার ১২টি, তিন শয্যার ২টি ও চার শয্যার ৭৪টিসহ ৮৮টি কক্ষ রয়েছে। এসব গুলোতেও ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে এমন অনেকে থাকেন।

 নিয়ম অনুসারে ছাত্রদের দ্বিতীয় বর্ষ থেকে কক্ষ দেয়ার কথা। কিন্তু হল প্রশাসন সে নিয়ম পালনে সক্ষম হয় না। হলের অন্তত ৭০ জন দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র বারান্দায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জীবন-যাপন করেন। মুহিব নামে হলের চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্র বলেন, চার বেডের কক্ষে আটজন থাকা খুবই কষ্টকর। আটজনের আট রকম মন-মানসিকতা। পড়ালেখায় করা যায় না, মনও বসে না। বারান্দায় বসবাস করা এক ছাত্র বলেন, এটা হল মেধার বিড়ম্বনা। ভেবেছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ভালো থাকব। কিন্তু মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে।

এবারে ভারতের খবর তুলে ধরছি।

প্রবীণ নয়, বিজেপির বিরুদ্ধে নবীন বিগ্রেডই হাতিয়ার বিরোধীদের-দৈনিক আনন্দবাজার

অখিলেশ সিংহ যাদব, জয়ন্ত চৌধরি এবং তেজস্বী যাদব

বৃদ্ধতন্ত্রকে সরিয়ে বিজেপি-বিরোধী শিবিরে ধীরে ধীরে বাড়ছে তরুণ প্রজন্মের প্রভাব। রাজনীতিকদের মতে, আগামী লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহের ত্রাসের কারণ হয়ে উঠতে চলেছেন তিন নবীন নেতা। রাহুল গাঁধীর এই তরুণ ব্রিগেডে রয়েছেন অখিলেশ সিংহ যাদব, জয়ন্ত চৌধরি এবং তেজস্বী যাদব।

গুজরাত নির্বাচনের আগেও তিন তরুণ তুর্কির সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় রেখে বিজেপির রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন রাহুল। তবে সেই ত্রয়ী জিগ্নেশ মেবাণী, হার্দিক পটেল এবং অল্পেশ ঠাকোর ছিলেন মূলত সমাজের প্রান্তিক মানুষের প্রতিনিধি। 

তবে এই ত্রয়ীর প্রত্যেকেই নিজ নিজ রাজ্যে হেভিওয়েট রাজনৈতিক পরিবার থেকে আসা। মূল স্রোতের রাজনীতিতে এককাট্টা হয়েছেন বিজেপিকে পরাস্ত করতে

কৃষকদের দাবি পূরণ না হওয়ায় ক্ষোভ, গায়ে আগুন দেওয়ার চেষ্টা কংগ্রেস বিধায়কদের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

মহারাষ্ট্রসহ উত্তর ভারতের ৭ রাজ্যে কৃষক আন্দোলন

মহারাষ্ট্র-সহ উত্তর ভারতের সাত রাজ্যে কৃষকদের চূড়ান্ত বিক্ষোভ সত্ত্বেও হেলদোল নেই প্রশাসনের। না রাজ্য, না কেন্দ্র, কোনও সরকারেই এখনও পর্যন্ত কৃষকদের জন্য কোনও প্যাকেজ ঘোষণা করেনি। উলটে বিক্ষোভ সম্পর্কে ‘অসম্মানজনক’ মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টারের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ।এই ‘উপেক্ষা’র প্রতিবাদে এবার পথে নামল কংগ্রেস। প্রকাশ্য রাস্তায় কৃষক বিক্ষোভে শামিল হয়ে নিজেদের গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন মহারাষ্ট্রের অমরাবতী জেলার দুই কংগ্রেস বিধায়ক। এর আগে কৃষকদের দাবি না মানার প্রতিবাদে মৌনমিছিল করে স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব।

সরাসরি মোদিকে আক্রমণ করে খোলা চিঠি লিখলেন গোয়ার আর্চ বিশপ-দৈনিক আজকাল

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করে গোয়ার আর্চ বিশপ ফিলিপ নেরি ফেরিওর চিঠি

ফের বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে খোলা চিঠি লিখলেন গোয়ার আর্চ বিশপ ফিলিপ নেরি ফেরিও। গোয়া এবং দমনের দায়িত্বে থাকা আর্চ বিশপ খোলা চিঠিতে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, ‘দেশের সংবিধান সংকটে রয়েছে। দেশের অধিকাংশ মানুষ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে দেশবাসীকে সচেতন হতে হবে। দেশের সংবিধান রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে।’‌

সরাসরি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আক্রমণ করে আর্চ বিশপ চিঠিতে লিখেছেন, ‘দেশে এখন নমো কালচার প্রাধান্য পেয়েছে। কী খাব, কী পোশাক পরব, কেমন করে বাঁচব সবকিছুর উপরেই নজরদারি চলছে। সবকিছুতেই দেশবাসীকে একধারায় আনার চেষ্টা চলছে। এমনকী ধর্মাচরণেও চলছে একমুখীকরণ। মানবাধিকার চরম আক্রান্ত। গণতন্ত্রের অস্তিত্ব সংকট দেখা দিয়েছে।’#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/৫