সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৮ ১২:৩৪ Asia/Dhaka
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির একমাত্র পথ রাজপথ: মওদুদ

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৯ সেপ্টেম্বর বুধবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

প্রথমে বাংলাদেশে:

  • খালেদা জিয়ার মুক্তির একমাত্র পথ রাজপথ: মওদুদ-প্রথম আলো
  • রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে আইসিসি -দৈনিক ইত্তেফাক
  • সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে আরও ২০ কোটি টাকা দেব : প্রধানমন্ত্রী -কালেরকণ্ঠ
  • আপত্তি উপেক্ষা করেই আজ সংসদে পাস হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল-মানবজমিন
  • খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সরকারদলীয় চিকিৎসক রহস্যজনক: রিজভী-যুগান্তর
  • আইনমন্ত্রীর বক্তব্য অপমান ও অসৌজন্যমূলক: সুপ্রিম কোর্ট বার-নয়াদিগন্ত

ভারতের শিরোনাম:

  • তিন তালাক ফৌজদারি অপরাধ, অর্ডিন্যান্স জারি করল কেন্দ্র; দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
  • প্রতিবন্ধীদের অনুষ্ঠানে মেজাজ হারালেন বাবুল সুপ্রিয়: দৈনিক আজকাল
  • নেতাজির কথা মনে করিয়ে জার্মানদের বাংলায় বিনিয়োগে আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর-সংবাদ প্রতিদিন

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা‍! এবারে চলুন বাছাই করা কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ:

খালেদা জিয়ার মুক্তির একমাত্র পথ রাজপথ: মওদুদ-প্রথম আলো: কাদের-প্রথম আলো

প্রথম আলোর শিরোনামের খবরে বলা হয়েছে,  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আইনি প্রক্রিয়ার কথা এখন ভুলে যেতে হবে। খালেদা জিয়ার মুক্তির একমাত্র পথ হলো রাজপথ। রাজপথেই এর মোকাবিলা করতে হবে। আজ বুধবার ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে মওদুদ আহমদ এ কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মওদুদ আহমদ বলেন, রাজপথের মাধ্যমেই তাঁর মুক্তি অর্জন করতে হবে। এ জন্য বিএনপি প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। নতুন করে কর্মসূচি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য দেওয়া নতুন কর্মসূচির সঙ্গে আগামী দিনের রাজনৈতিক সম্পর্ক, ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার প্রশ্ন, গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার অধিকার এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ফিরে পাওয়ার প্রশ্ন জড়িত। এ জন্য বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে এগিয়ে যেতে হবে। এই সরকারকে বাধ্য করতে হবে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করার জন্য। বাংলাদেশের মানুষের কাছে অন্য কোনো পথ নেই। খালেদা জিয়ার মুক্তি এখন নির্ভর করছে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে আন্দোলনকে সফল করার ওপর।

রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে আইসিসি-দৈনিক ইত্তেফাক

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কৌসুলিরা মিয়ানমারের মুসলিম রোহিঙ্গাদের হত্যা, যৌন নির্যাতন এবং জোরপূর্বক বিতাড়নের অভিযোগে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। মঙ্গলবার তারা এই তদন্ত শুরু করে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী যে অভিযান চালিয়েছে তার বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের প্রথম পদক্ষেপ এটা। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, প্রাথমিক তদন্ত পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক তদন্তে রূপ নিতে পারে আইসিসির মাধ্যমে। এর নজির রয়েছে ২০০২ সালে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবাধিকারের বিরুদ্ধে অপরাধের যে তদন্ত শুরু হয় সেটা। এই তদন্তের পরে সেটা অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে।

আইসিসির কৌসুলি ফাতৌ বেনসৌদা এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই প্রক্রিয়ার পরবর্তী পদক্ষেপ শুরু করবো এবং পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করবো।’

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে আরও ২০ কোটি টাকা দেব : প্রধানমন্ত্রী -কালেরকণ্ঠ

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে আরও ১০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করে দিয়েছি। এই ফান্ডে আমি কিছু টাকা দিয়েছিলাম। পত্রিকার মালিকরা এই ফান্ডে কোনও টাকা দেননি। মাত্র দুইজন টেলিভিশন মালিক ফান্ডে সহায়তা করেন। সেখানে এখন ১৪ কোটি টাকা আছে। আমি আরও ২০ কোটি টাকা দেব।এ সময় সংবাদমাধ্যম মালিকদের কল্যাণ ট্রাস্টে অনুদান দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আজ বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর নিজ কার্যালয়ে দুস্থ সাংবাদিকদের সহায়তা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান। শেখ হাসিনা আরো বলেন, 'বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি মনে করি, এটি আমার একটা দায়িত্ব। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করা দরকার আমরা তা করছি।'

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সরকারদলীয় চিকিৎসক রহস্যজনক: রিজভী-যুগান্তর

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, খালেদা জিয়াকে আগে নিয়মিত ফিজিওথেরাপি দিতেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের একজন সিনিয়র অভিজ্ঞ থেরাপিস্ট। পরে তাকে পরিবর্তন করে সরকারদলীয় মনোভাবাপন্ন একজন নতুন অনভিজ্ঞ থেরাপিস্টকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, যা রহস্যজনক। বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও উৎকন্ঠিত। তার মানবাধিকারকে হরণ করে তাকে তীব্র কষ্ট দিয়ে তিলে তিলে জীবন বিপন্ন করারই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে সরকার।এ সময় রিজভী ইভিএম প্রসঙ্গে ভারতের দিল্লির উদাহরণ টেনে বলেন, সম্প্রতি ইভিএমে কারচুপির জন্য দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ভোট বাতিল হয়ে গেছে। এর পর থেকে সেখানে ইভিএমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছেন ছাত্ররা।

তিনি বলেন, এসব জানার পরও বহুল আলোচিত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তাড়াহুড়া করে তিন হাজার ৮২৫ কোটি টাকার এ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।

আপত্তি উপেক্ষা করেই আজ সংসদে পাস হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল-মানবজমিন

সাংবাদিকসহ অংশীজনদের আপত্তি  উপেক্ষা করে বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল আজ জাতীয় সংসদে পাস হতে যাচ্ছে। এ আইনটি পাস হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা হুমকির মুখে পড়বে বলে বিভিন্ন মহল থেকে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সম্পাদক পরিষদ এরই মধ্যে আইনটি প্রত্যাখ্যান করেছে। সাংবাদিক ইউনিয়নও আইনটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। আইনে ঔপনিবেশিক আমলের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট অন্তর্ভুক্ত করে এর পরিধি আরো বাড়ানো হয়েছে। ডিজিটাল মাধ্যমে কেউ ওই অ্যাক্ট ভঙ্গ করলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার সাজা হবে। এর সর্বোচ্চ সাজা ১৪ বছরের কারাদণ্ড। আইনে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তার ও তল্লাশির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে।

ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম আইনটির ব্যাপারে গণমাধ্যমকে বলেন, প্রস্তাবিত এ আইনটিতে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী যেসব বিষয় ছিল, সেগুলো রয়ে গেছে। কোন পরিবর্তন আসেনি।

গ্রেফতার আতঙ্কে আইনজীবীরা

রাজধানীর পল্টন, খিলগাঁও, মতিঝিল, মিরপুর মডেল থানাসহ বিভিন্ন থানায় সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাত-আটটি মামলা করা হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী হওয়ায় এবং বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবীসহ বহু আইনজীবীকে এসব মামলার আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দায়ের করা চার বা পাঁচটি মামলায় তারা সোমবার উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। অন্যান্য মামলায় জামিন আবেদন দায়ের করা হয়েছে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

গত কয়েক দিনে আরো কয়েকটি মামলা করা হয়েছে। এমনকি গতকাল মঙ্গলবারও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন। তাদের অভিযোগ, ঘটনাই ঘটেনি এমন গায়েবি-আজগুবি ঘটনা দেখিয়ে আরো মামলা করে তাদের হয়রানি করা হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। এ ছাড়া একই অভিযোগে বারবার পুলিশের করা মামলা থেকে কিভাবে প্রতিকার পাওয়া যায় সেই রাস্তা খুঁজছেন আইনজীবীরা। এ বিষয়ে তারা সিনিয়র আইনজীবীদের সাথে পরামর্শ করছেন।

এবার ভারতের বিস্তারিত খবর তুলে ধরছি...

তিন তালাক ফৌজদারি অপরাধ, অর্ডিন্যান্স জারি করল কেন্দ্র; দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

লোকসভায় পাশ হয়েছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় পেশ হয়নি রাজ্যসভায়। সেই তিন তালাক নিয়ে এবার অর্ডিন্যান্স জারি করল কেন্দ্র। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অর্ডিন্যান্স পাশ হয়। পরে সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ  এ খবর জানান। অর্ডিন্যান্সে রাষ্ট্রপতির সইয়ের পরই তিন তালাক ফৌজদারি অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। লোকসভা ভোটের মুখে অর্ডিন্যান্স জারি করে বিজেপি মুসলিম সম্প্রদায়ের মন জয়ের চেষ্টা করল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

সুপ্রিম কোর্ট আগেই তিন তালাককে অবৈধ ঘোষণা করেছিল। শীর্ষ আদালতের রায়কে মর্যাদা দিতেই তৈরি হয় মুসলিম উইমেন (প্রোটেকশন অব রাইটস অন ম্যারেজ) বিল ২০১৭। গত বাদল অধিবেশনেই লোকসভায় পেশ হয় সেই বিল। পাশও হয়ে যায়। কিন্তু বিরোধীরা বিলটি সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবি তোলে। এছাড়াও আরও কিছু জটিলতায় শেষ পর্যন্ত রাজ্যসভায় পেশ হয়নি এই বিল। তাই এ বার অর্ডিন্যান্স জারি করে তিন তালাককে আইনি স্বীকৃতি দিল কেন্দ্র।

প্রতিবন্ধীদের অনুষ্ঠানে মেজাজ হারালেন বাবুল সুপ্রিয়: দৈনিক আজকাল

ফের জনসমক্ষে মেজাজ হারিয়ে বিতর্কে জড়ালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। নিজের লোকসভা কেন্দ্র আসানসোলে প্রতিবন্ধীদের একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রকাশ্যে এক ব্যক্তির সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতে দেখা গেল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। মেজাজ হারিয়ে বাবুল বলে ফেললেন, ‘‌আর একটু নড়াচড়া করলে আপনার পা ভেঙে হাতে ক্রাচ ধরিয়ে দেব।’‌

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার। প্রতিবন্ধীদের একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন সাংসদ বাবুল। ‘সামাজিক অধিকার শিবির’ নামক ওই অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইল চেয়ার বিলি করার কথা ছিল বাবুল সুপ্রিয়র। প্রতিবন্ধীদের জন্য অন্যান্য সরঞ্জামও বিলি করা হয় ওই অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠান মঞ্চে যখন বাবুল সুপ্রিয় বক্তব্য রাখছেন, তখন দর্শকদের মধ্যে থেকে এক ব্যক্তি বারবার চলাফেরা করছিলেন বলে অভিযোগ। ওই ব্যক্তির হাঁটাচলায় নাকি বক্তব্য রাখতে অসুবিধা হচ্ছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। বক্তব্য চলাকালীন ওই ব্যক্তিকে একবার স্থির হয়ে দাঁড়ানোরও নির্দেশ দেন আসানসোলের সাংসদ। কিন্তু ওই ব্যক্তি মন্ত্রীর কথা না শুনে ফের হাঁটাচলা শুরু করেন। আর তাতেই মেজাজ হারান বাবুল। বলে বসেন, ‘‌আপনার সমস্যা কী, আপনার এক পা ভেঙে হাতে ক্র্যাচ ধরিয়ে দেব। নড়াচড়া বন্ধ করে এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকুন।’‌ এরপর বাবুল নিজের নিরাপত্তারক্ষীদের ওই ব্যক্তির গতিবিধির উপর নজর রাখার নির্দেশও দেন।

স্বাভাবিকভাবেই মন্ত্রীর এই আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিরোধীরা। তাছাড়া এই প্রথম নয়, এর আগেও প্রকাশ্যে বেফাঁস মন্তব্য করে শিরোনামে এসেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

নেতাজির কথা মনে করিয়ে জার্মানদের বাংলায় বিনিয়োগে আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর-সংবাদ প্রতিদিন

সামনে রাখলেন নেতাজিকেই। হাতিয়ার করলেন আন্তরিকতাকে। যুক্তি দিয়ে বললেন, বাংলার সঙ্গে জার্মানির সম্পর্ক বহু পুরনো। বাংলার বীর সন্তান সুভাষচন্দ্র বসু বিয়ে করেছিলেন জার্মান-কন্যা এমিলি শেঙ্কলকে। ফলে বাঙালি আর জার্মানদের মধ্যে রক্তের সম্পর্ক হয়েই আছে। সবাই এক পরিবার। বাংলা জার্মানদের ঘর।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে অবাক জার্মান শিল্পোদ্যোগীরা। আর এখানেই বোধহয় বাণিজ্য শহর ফ্রাঙ্কফুর্টে জার্মান উদ্যোগপতিদের নিয়ে রাজ্যের শিল্প সভার সার্থকতা। এই গ্লোবাল দুনিয়ায় কোনও কিছুই দূর নয়। জার্মানির শিল্প বাংলার হেঁশেলে ইতিমধ্যে ঢুকেই আছে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই জানাচ্ছেন ইতিমধ্যে দুশো জার্মান সংস্থা কোনও না কোনওভাবে রাজ্যে কাজ করছে। আসলে এই সভার উদ্দেশ্য ছিল আরও আরও অংশগ্রহণ। আরও লগ্নি। মমতার নজর জার্মান ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিগুলির দিকে। যে শিল্পের ঐতিহ্য জার্মানিকে শিখরে বসিয়েছে। মঙ্গলবার এই বাণিজ্যনগরীর সম্মেলনে যে সাড়া দেখা গেল তাতে আশাবাদী হতেই পারেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আহ্বান সভায় যোগ দেওয়া তিনটি নামী জার্মান চেম্বার খুব গুরুত্ব দিয়েছে সম্মেলনকে। গ্রহণ করল কলকাতায় আগামী ৭-৮ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য সম্মেলনে আসার আমন্ত্রণও। বলা যেতে পারে সেই সময় জানা যাবে এই সম্মেলনের আসল সার্থকতা।#

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/১৯