ঐক্যবদ্ধ থাকলে আগামী নির্বাচনেও বিজয়ী হবো: সেতুমন্ত্রী
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২২ সেপ্টেম্বর শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি……..। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
প্রথমে বাংলাদেশে:
- ইভিএম নিয়ে সন্দেহ দূর করতে হবে: সিইসি-প্রথম আলো
- ঐক্যবদ্ধ থাকলে আগামী নির্বাচনেও বিজয়ী হবো: সেতুমন্ত্রী -দৈনিক ইত্তেফাক
- আসন্ন নির্বাচনে সাইবার ক্রাইমকে হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে-কালেরকণ্ঠ
- সরকারের গাইডলাইনেই গ্রেনেড হামলার বিচার হচ্ছে: বিএনপি- দৈনিক যুগান্তর
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মৌলিক অধিকার পরিপন্থি: সুজন-মানবজমিন
- একই খেলা বারবার খেলা যায় না : খন্দকার মাহবুব-দৈনিক নয়াদিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- বুধবার বাংলা বন্ধের ডাক বিজেপির-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
- রাফালে চুক্তি প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক: রাহুল: দৈনিক আজকাল
- আমি বাইরে গেলেই ষড়যন্ত্র’! ইসলামপুর ইস্যুতে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন বাছাই করা কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ:
ইভিএম নিয়ে সন্দেহ দূর করতে হবে: সিইসি-প্রথম আলো
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়ে মানুষের মনের সন্দেহ দূর করতে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি নিতে নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। ইভিএম কীভাবে ব্যবহার করতে হবে, সে সম্পর্কিত নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আজ শনিবার সিইসি এই কথা বলেন। রাজধানীর নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এই কর্মশালা শুরু হয়েছে।
সিইসি বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে মানুষের মধ্যে সন্দেহ বা প্রশ্ন থাকবে। কারণ, একজন ব্যক্তি ভোট কোথায় দিলেন, কীভাবে দিলেন, সেটা জানার আগ্রহ তাঁর থাকবে না, সেটা হতেই পারে না। ইভিএম কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সেটা জানা না থাকলে তো মানুষের মনে প্রশ্ন থেকেই যাবে। আমরা ইভিএম নিয়ে গেলাম। কিন্তু ভোটার সেটা ব্যবহার করলেন না। এর দোষ কিন্তু ভোটারের ওপর চাপানো যাবে না। ইভিএমের কারিগরি দিক সম্পর্কে ধারণা না থাকলে যন্ত্রটি সম্পর্কে তাঁদের প্রশ্ন থেকেই যাবে। সুতরাং ইভিএম কী, এটার উপকারিতা কী, সে বিষয়ে দেশব্যাপী প্রচার চালাতে হবে।’নিজেদের সক্ষমতার অতিরিক্ত ইভিএম ব্যবহার করা হবে না জানিয়ে নুরুল হুদা বলেন, ‘ইভিএম আমরা যতটুকু পারব, ততটুকু ব্যবহার করব। অতিরিক্ত চাপিয়ে দেওয়া হবে না।’
ঐক্যবদ্ধ থাকলে আগামী নির্বাচনেও বিজয়ী হবো: সেতুমন্ত্রী -দৈনিক ইত্তেফাক
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়ন করেছেন তাতে দেশের মানুষের আস্থা রয়েছে। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আগামী নির্বাচনেও বিজয়ী হবো। সেতুমন্ত্রী কাদের আরো বলেন, আগামী নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক নৌকা ভাসতে ভাসতে বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবে।
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা রাজনৈতিক কার্যালয়ে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উদ্দেশে এক সাংগঠনিক সফর শুরুর প্রাক্কালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওবায়দুল কাদের একথা বলেন।
আসন্ন নির্বাচনে সাইবার ক্রাইমকে হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে-কালেরকণ্ঠ
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাইবার ক্রাইমকে হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। তিনি আরও জানান, নির্বাচন ঘিরে সাইবার হামলার এই অপতৎপরতা ঠেকাতে পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট সজাগ রয়েছে। আজ শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে (ক্র্যাব) শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
সিটিটিসি প্রধান বলেন, আগামী নির্বাচনে সাইবার ক্রাইমকে হুমকি হিসেবে দেখছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। নির্বাচনের সময় একটি চক্র অনলাইনে মিথ্যা ও গুজব রটাতে পারে। এ জন্য পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট সজাগ রয়েছে।
নির্বাচনে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হুমকি আছে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে বদ্ধপরিকর। এর পরও কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারের গাইডলাইনেই গ্রেনেড হামলার বিচার হচ্ছে: বিএনপি- দৈনিক যুগান্তর
ক্ষমতাসীন সরকারের গাইডলাইন মেনে ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার বিচারিক কার্য্ক্রম হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। শনিবর দুপুরে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ২১ আগস্টের বোমা হামলার আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে জনগণের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আদালত দিয়ে প্রতিশোধ গ্রহণের রমরমা রাজনৈতিক সফলতায় ক্ষমতাসীনরা উল্লসিত। রিজভী বলেন, ক্ষমতাসীন সরকারের গাইডলাইন অনুযায়ী ২১ আগস্ট মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলছে কিনা তা নিয়ে জনগণের মনে বড় ধরনের সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। এই মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্রে তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতাদের জড়ানোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন রিজভী।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মৌলিক অধিকার পরিপন্থি: সুজন-মানবজমিন
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নিবর্তনমূলক ধারা বাতিল করে আইনটির পুনঃসংশোধনের দাবি জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। সুজন মনে করে, এই আইনটির অনেকগুলো ধারা (৮, ২৮, ২৯, ৩১) নিবর্তনমূলক, যে ধারাগুলোর ব্যাপক অপব্যবহার হতে পারে, বিশেষ করেনাগরিকদের হয়রানি ও কণ্ঠরোধ করা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে ব্যাহত করার কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সুজন সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খান ও সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, এই আইনে পরোয়ানা বা অনুমোদন ছাড়াই পুলিশের হাতেযে কাউকে তল্লাশি, জব্দ এবং গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা রয়েছে। তাই এই আইনকে অপব্যবহার করেপুলিশ সাধারণ নাগরিকদের হেনস্তা করতেপারে বলে আমরা মনে করি।
একই খেলা বারবার খেলা যায় না : খন্দকার মাহবুব-দৈনিক নয়াদিগন্ত
প্রবীণ আইনজীবী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘৫ জানুয়ারির নির্বাচন ভুলে যান। ওই রকম নির্বাচন দেশের জনগণ আর হতে দেবে না। বাংলাদেশে একই খেলা বারবার খেলা যায় না।’
শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের উদ্যোগে ‘নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্বশর্ত নির্দলীয় সরকার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

খন্দকার মাহবুব বলেন, ‘দেশ আজ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশের ইতিহাসে এ রকম অবস্থা আর কখনোই হয়নি। এই দেশকে রক্ষা করতে হলে গণতন্ত্রকামী মানুষদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করতে হবে। তাহলে দেশ মুক্তি পাবে।’
বর্তমান সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকার প্রমাণ করেছে তাদের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না। বিগত ১০ বছরে দেশের জনগণ তা দেখেছেন। তাই জনগণকে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। তা না হলে দেশের জনগণের যেটুকু অধিকার আছে তাও হারাবে।’
এবার ভারতের বিস্তারিত খবর তুলে ধরছি...
বুধবার বাংলা বন্ধের ডাক বিজেপির; দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
ইসলামপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর রাজ্য জুড়ে বন্ধের ডাক দিল রাজ্য বিজেপি। দক্ষিণ দিনাজপুরে একটি জনসভায় এই ঘোষণা করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একই দিনে আগে থেকেই নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল রাজ্য বিজেপি। বন্ধের জন্য সেই কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে বলে রাজ্য বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে।রাজ্য কমিটির এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছে বিজেপি কেন্দ্রী নেতৃত্ব।

রাজ্য কমিটির তরফে সাধারণ সম্পাদক রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘‘ আর চুপ করে বসে থাকা সম্ভব ছিল না। পঞ্চায়েত নির্বাচনে সমস্ত বিরোধী দলের অনেক কর্মী- সমর্থক মারা গিয়েছেন, দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যে রাস্তায় অস্ত্র হাতে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন। তখন পুলিশ নিশ্চুপ ছিল। অথচ ছাত্ররা আন্দোলনে নামতেই গুলি চালাল পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই পুলিশমন্ত্রী। তাই কার নির্দেশে এই সব হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অগত্যা বন্ধ না ডেকে উপায় ছিল না।’’
রাফালে চুক্তি প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক: রাহুল: দৈনিক আজকাল
রাফালে চুক্তি আসলে দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপর কেন্দ্রের করা ১,৩০,০০০ কোটি টাকার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক। শনিবার এই ভাষাতেই টুইটারে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী দেশের শহিদদের অপমান করেছেন। দেশের মানুষদের আত্মার অবমাননা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী এবং অনিল আম্বানি যৌথভাবে এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছেন সেনাবাহিনীর উপর, যা লজ্জাজনক। এর ফলে ১,৩০,০০০ কোটি টাকার লাভ হয়েছে অনিল আম্বানি এবং মোদির।
প্রসঙ্গত, রাফালে চুক্তি নিয়ে বরাবরই মোদিকে নিশানা করেছেন রাহুল। শনিবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল বলেন, ‘অলাঁদে যদি মিথ্যা কথাই বলেন, তাহলে মোদি কোনও প্রতিক্রিয়া না দিয়ে নীরব রয়েছেন কেন। প্রধানমন্ত্রীর তো পরিষ্কার করে জানানো উচিত দেশবাসীকে যে প্রাক্তন ফরাসি প্রেসিডেন্টের অভিযোগ সত্যি নাকি মিথ্যা। এই প্রথম অন্য কোনও দেশের একজন প্রাক্তন ফরাসি প্রেসিডেন্ট আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীকে চোর বলছেন। জওয়ানদের ভবিষ্যতকে নিয়ে দুর্নীতি করা হয়েছে। প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পর্রিকর তো বলেছিলেন, যখন রাফালে চুক্তি বদল করা হয় তখন তিনি গোয়ায় মাছ কিনছিলেন। ওই প্রসঙ্গে কিছুই জানতেন না। বর্তমান প্রতিক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমন আজ পর্যন্ত রাফালে চুক্তির সম্পূর্ণ দাম জানাননি। দেশবাসী জেনে গিয়েছেন দেশের চৌকিদারই চোর।
ফ্রান্সের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া অলাঁদে শুক্রবার বলেছিলেন, অনিল আম্বানির ভুঁইফোঁড় সংস্থাকে রাফালে বরাত পাইয়ে দিতে পুরনো চুক্তি বাতিল করে নতুন চুক্তি হয়েছিল। তারপরই দেশে তীব্র আক্রমণের মুখে পড়ে মোদি সরকার।
আমি বাইরে গেলেই ষড়যন্ত্র’! ইসলামপুর ইস্যুতে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী
বিনিয়োগ টানতে মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছেন ইউরোপ সফরে। তাঁর অনুপস্থিতিতেই রাজ্যে ঘটে গিয়েছে বিরাট দুর্ঘটনা। স্কুলে উর্দূ শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদ করতে গিয়ে গুলি লেগে প্রাণ হারিয়েছে ২ ছাত্র। আর তা নিয়ে রীতিমতো ধুন্ধুমার রাজ্য রাজনীতি। এ নিয়ে মুখ খুলেই একের পর এক বোমা ফাঁটালেন মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি যখনই রাজ্যের বাইরে থাকছেন তখনই ষড়যন্ত্র করে অশান্তি বাঁধানোর পরিকল্পনা করছে বিরোধীরা। কখনও সিপিএম, কখনও কংগ্রেস, কখনও বিজেপি, পালা করে অশান্তি বাঁধানোর চেষ্টা চলছে। ইসলামপুরে ছাত্রদের মৃত্যু পুলিশের গুলিতে হয়নি। বিজেপি-আরএসএস গুণ্ডা ভাড়া করে গুলি করে ছাত্রদের মেরেছে। মহরমের আগে পরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা।
মোদি-অমিত শাহর ব্যর্থতা ঢাকার জন্য, পেট্রল-ডিজেলের দাম নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতা সমালানোর জন্য, রাফেল দুর্নীতি চাপা দেওয়ার জন্য খুন করে মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করছে বিজেপি। এটাই ওদের সর্বশেষ এবং সর্বনাশা খেলা।
প্রসঙ্গত, ইসলামপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বিজেপি বনধ ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বনধ প্রসঙ্গেও এদিন পালটা দেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, বনধ ডাকা টা খেলা হয়ে গিয়েছে। নিজেরাই গুলি করে মারছে। আবার নিজেরাই বনধ ডাকছে।
কখনও দাঙ্গা, কখনও গণপিটুনি, কখনও বনধ। বাংলা ইউপি নয়, বিজেপির নেতাদের বুঝতে হবে এটা বিহার-ইউপি নয়। বাংলা এখনও বাংলায় আছে। বাংলার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাছে মমতার আবেদন, শান্তিপূর্ণভাবে বনধের মোকাবিলা করুন।
ইতালি থেকে মুখ্যমন্ত্রী ছাত্রছাত্রীদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রীদের পরিবারের প্রতি সমর্থন আছে, ছাত্রছাত্রীদের কী করে জানবে কোন শিক্ষক যোগ দিচ্ছেন। ছাত্রছাত্রীরা ঠিক করতে পারবেন না, সংস্কৃত শিক্ষক যদি যোগ দিতে পারে উর্দু কেন পারবে না। অনেক জায়গা বাংলায় আছে যেখানে সংস্কৃত-উর্দু-নেপালি-গুরুমুখি ভাষা ১০ শতাংশের বেশি। তাই কোনও উর্দূ শিক্ষক কাজে যোগ দিতে গেলে আমি বাধা দিতে পারি না। আমি যে কোনও পড়ুয়ার পাশে আছি। পড়ুয়ার মৃত্যু সমর্থনযোগ্য নয়।#
পার্সটুডে/বাবুল আখতার/২২